প্রভুর শোকে নাওয়া-খাওয়া ত্যাগ পোষ্য উটের

প্রভুর শোকে নাওয়া-খাওয়া ত্যাগ পোষ্য উটের

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

প্রভুভক্ত প্রাণীর কে, বললেই প্রথমে যে নামটি মাথায় আসে তা হল কুকুর। কিন্তু মরুভুমির জাহাজও যে প্রভুভক্তিতে সারমেয়র চেয়ে কোনও অংশে কম নয়, তা এই ঘটনায় স্পষ্ট। প্রভুর মৃত্যুর পর থেকেই শোকে খাওয়া-দাওয়াও ছেড়ে দিয়েছে সে।

গুজরাট পুলিশের সাব ইনস্পেক্টর শিবরাজ গাধভি’র কাছে সবথেকে কাছের ছিল তাঁর পোষ্য উট৷ প্রতিদিন অফিসে যাওয়ার আগে নিয়ম করে তাকে খাবার দিতেন তিনি। পোষ্যটিও প্রভু ছাড়া খেতে একেবারেই পছন্দ করত না। কিন্তু গত ২৪ জানুয়ারি সকালে পোষ্যকে খেতে দেওয়ার পরই বুকে ব্যথা অনুভব করেন শিবরাজবাবু৷ যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে কিছুক্ষণের মধ্যেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি৷ খবর পেয়ে ছুটে আসেন স্থানীয়রা৷ সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। চিকিৎসকরা জানান হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয়েছে তাঁর৷

জানা গিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় নজরদারির কাজে নিযুক্ত ছিলেন ওই সাব-ইনস্পেক্টর। নিয়মিত নিজের পোষা উটের পিঠে চড়ে সীমান্তে নজরদারি চালাতেন তিনি। কিন্তু, প্রতিদিনের কঠোর পরিশ্রম নিতে পারেনি তাঁর শরীর। আর তার জেরেই মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মৃত্যুর পর তাঁর পোষ্য উট এখন রয়েছে পুলিশের হেফাজতে। প্রতিদিন নিয়ম করে তাকে জলখাবার দেওয়া হলেও, সেসব থেকে মুখ ফিরিয়েছে উটটি। কারণ প্রভুকে সামনে দেখতে না পেয়ে খাওয়া-দাওয়া ভুলেছে সে। উটের এই আচরণে অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা হতবাক হয়ে গিয়েছেন। যদিও তাকে স্বাভাবিক জীবনে ফেরানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Handpulled_Rikshaw_of_Kolkata

আমি যে রিসকাওয়ালা

ব্যস্তসমস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে কাটিয়ে হেলেদুলে যেতে আমার ভালই লাগে। ছাপড়া আর মুঙ্গের জেলার বহু ভূমিহীন কৃষকের রিকশায় আমার ছোটবেলা কেটেছে। যে ছোট বেলায় আনন্দ মিশে আছে, যে ছোট-বড় বেলায় ওদের কষ্ট মিশে আছে, যে বড় বেলায় ওদের অনুপস্থিতির যন্ত্রণা মিশে আছে। থাকবেও চির দিন।