রোগীর থেকে প্রায় ৩০ কিমি দূরে চিকিৎসক‚ যন্ত্রমানবের সাহায্যে হল হৃদযন্ত্রে অস্ত্রোপচার

রোগীর থেকে প্রায় ৩০ কিমি দূরে চিকিৎসক‚ যন্ত্রমানবের সাহায্যে হল হৃদযন্ত্রে অস্ত্রোপচার

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

রোগীর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে বসে কম্পিউটারের মাধ্যমে রোবট চালিয়ে সফল হার্ট অপারেশন করা হল। মেডিক্যাল সায়েন্সে নতুন নজির তৈরি করলেন গুজরাতের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ তেজস পটেল । সারা পৃথিবীর ডাক্তারিশাস্ত্রের ইতিহাসে এই ঘটনা অভূতপূর্ব । বুধবার আমদাবাদের অ্যাপেক্স হার্ট ইনস্টিটিউটে ছিলেন রোগী, মধ্যবয়স্কা এই মহিলা । এই মহিলার ধমনীতে ৯০ শতাংশ ব্লকেজ থাকার জন্য রক্ত চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল । সেই কারণে অপারেশনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন চিকিৎসকেরা । চিকিৎসক তেজস পটেল হাসপাতাল থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরে ,গাঁধীনগরের অক্ষরধাম মন্দির থেকে সেই অপারেশন করেন । কম্পিউটারের সাহায্যে রোবট চালিয়েই তিনি অপারেশন করেন । একই সঙ্গে তিনি এগিয়েও নিয়ে গেলেন সারা পৃথিবীর মেডিক্যাল সায়েন্সকে । কারণ, এই ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথমবার ঘটেছে |

ডাক্তারি পরিভাষায় এই ঘটনাকে বলা হচ্ছে টেলি রোবটিক সার্জারি । অত্যাধুনিক রোবটিকসের দ্বারা এই অসাধ্য সাধন করা সম্ভব হয়েছে বলে  চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন । সারা পৃথিবীতে এই প্রথম অপারেশন থিয়েটারের বাইরে থেকে এই প্রথম রোগীর সফল অস্ত্রোপচার করলেন কোনও চিকিৎসক।

 এই ঘটনার পর চিকিৎসক তেজস পটেলকে গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী অভিনন্দন জানিয়েছেন । এই প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রত্যন্ত গ্রামে অত্যাধুনিক চিকিৎসার সুযোগ পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হতে পারে কিনা, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি ।  এর ফলে গ্রামীণ স্বাস্থ্যব্যবস্থার চেহারাটাই আমূল বদলে সম্ভাবনা আছে । 

কিন্তু অক্ষরধাম মন্দির থেকেই কেন করতে হল অপারেশন ? কেন অন্য কোনও জায়গা থেকে করা গেল না এই অপারেশনটি ? এর উত্তরে ডক্টর পটেল জানিয়েছেন তিনি এই মন্দির বেছে নিয়েছিলেন কারণ অক্ষরধাম হল তাঁর  কাছে আধ্যাত্মিকতা এবং প্রযুক্তির যৌথ প্রতীক । তাঁর একজন মানুষ হয়ে ওঠার পিছনে এই মন্দিরের ভূমিকা অপরিসীম |  এইভাবেই প্রযুক্তি আমাদের জীবনে এনে দিচ্ছে প্রযুক্তির অত্যাধুনিকতার সুফল |

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Handpulled_Rikshaw_of_Kolkata

আমি যে রিসকাওয়ালা

ব্যস্তসমস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে কাটিয়ে হেলেদুলে যেতে আমার ভালই লাগে। ছাপড়া আর মুঙ্গের জেলার বহু ভূমিহীন কৃষকের রিকশায় আমার ছোটবেলা কেটেছে। যে ছোট বেলায় আনন্দ মিশে আছে, যে ছোট-বড় বেলায় ওদের কষ্ট মিশে আছে, যে বড় বেলায় ওদের অনুপস্থিতির যন্ত্রণা মিশে আছে। থাকবেও চির দিন।