বরফে ঢাকা দুর্গম পাহাড়ি পথে একা বাইক চালাচ্ছেন এক রমণী…কারণ জানলে বিস্মিত হবেন

বরফে ঢাকা দুর্গম পাহাড়ি পথে একা বাইক চালাচ্ছেন এক রমণী…কারণ জানলে বিস্মিত হবেন

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

মেয়েদের কোনও স্বাধীনতা দিবস নেই | নারী স্বাধীনতা বলতে কী বোঝায়‚ সেটা নিয়ে তর্ক বিতর্কের শেষ নেই | মনে হয়‚ ঈশ্বর আছেন না নেই‚ সেরকমই এক আদিঅন্ত এবং উত্তরহীন প্রশ্ন হল‚ নারী স্বাধীনতা কী ? কিন্তু যাঁরা সত্যি কাজ করেন‚ নারীপুরুষের ঊর্ধ্বে গিয়ে‚ তাঁরা কি আদৌ এসব নিয়ে ভাববার সময় পান ? 

যেমন ধরুন গীতা ভার্মা | থাকেন হিমাচল প্রদেশের মান্ডি জেলার কারসোং তহশিলের সপ্নোত গ্রামে | ভারতের প্রত্যন্ত অংশের এই বাসিন্দা স্থান পেয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা WHO-র ক্যালেন্ডারে | সাধারণ সালোয়ার কামিজ‚ কপালে বিন্দি আর মুখে মিষ্টি হাসি | দিনভর শীলা চক্কর দেন মোটর বাইকে | শীতকালে মাথায় কুল্লু টুপি আর পরনে শীতবস্ত্র চাপিয়ে চষে বেড়ান মান্ডির নির্দিষ্ট এলাকা | শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা‚ গীতার বাইক-চারণে খামতি নেই |

না‚ শখের অভিযাত্রী বা বাইক রাইডার নন | গীতা একজন স্বাস্থ্যকর্মী বা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী | তাঁর দায়িত্ব হল‚ একজন শিশুও যেন মিজলস এবং রুবেলার টীকা থেকে বঞ্চিত না হয় | গীতার কাছে‚ একজন মানে আক্ষরিক অর্থেই একজন | তার জন্য চেষ্টার কোনও কসুর রাখেন না | পথ যতই বন্ধুর হোক | যতই বৃষ্টিতে নামুক ধস | প্রবল শীতে অবরুদ্ধ হয়ে যাক সবকিছু | গীতার মোটরবাইক ভাঙতেই থাকে চড়াই উতরাই | তাঁর এলাকার একজন শিশুও বাদ থাকবে না ওষুধের রক্ষাকবচ থেকে |

পার্বত্য হিমাচলের প্রত্যন্ত অংশে স্থায়ী শিবিরে থাকেন পশুপালক এবং গুর্জর সম্প্রদায়ের মানুষ | সেখানেও হাজির গীতার বাহন | সঙ্গে বরফ দেওয়া বাক্সে টীকার ওষুধ | 

গীতার কর্মক্ষেত্র হল মাণ্ডির ঝনজেলি ব্লকের শকরদেহরা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র | কিন্তু কবে মায়েরা শিশুকে নিয়ে ওখানে আসবেন সেই অপেক্ষায় বসে থাকেন না তিনি | জানেন স্থানীয় মানুষের বেশিরভাগের নুন আনতে পান্তা ফুরোয় | অন্নসংস্থানের তাগিদে কেটে যায় দিনভর | কখন তাঁরা বাচ্চাকে নিয়ে আসবেন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ? তাই গীতাই হাজির তাঁদের দরজায় | এত কষ্ট সহ্য করেও তিনি সবসময় হাসিমুখে | 

গীতাকে সংবর্ধনা জানিয়েছেন হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর | এই হিমাচলি ললনার কৃতিত্ব ঠাঁই পেয়েছে হু-এর ক্যালেন্ডারে |

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।