যেভাবে উড়তে শুরু করেছিল সেবার এই লাল-সাদা প্রতীক

যেভাবে উড়তে শুরু করেছিল সেবার এই লাল-সাদা প্রতীক

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

১৮৫৯ সালের ২৪ জুন, ইতালির উত্তরাঞ্চলের সলফেরিনো নামক স্থানে ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়ার মধ্যে এক ভয়াবহ যুদ্ধ হয়। যুদ্ধে হতাহত হয় প্রায় ৪০,০০০ সৈন্য। আহত সৈন্যরা বিনা চিকিৎসায় যুদ্ধক্ষেত্রেই মৃত্যু যন্ত্রণায় ছটফট করছিল। সেই সময় সুইজারল্যান্ডের এক যুবক জীন হেনরী ডুনান্ট ব্যবসা সংক্রান্ত ব্যাপারে ফ্রান্সে তৃতীয় নেপোলিয়নের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছিলেন। এই মর্মান্তিক ভয়াবহ দৃশ্য দেখে তিনি আশেপাশের গ্রামবাসীদের ডেকে এনে আহতদের সেবা করেন। এরাই রেড ক্রসের প্রথম স্বেচ্ছাসেবক, যাদের অধিকাংশই ছিলেন মহিলা।

১৮৬২ সালে, ডুনান্ট প্রতিটি দেশ এমন একটি সেবামূলক সংস্থা গঠন করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন, যারা শত্র মিত্র নির্বিশেষে আহতদের সেবা করবে। সে সময়ে জেনেভার সমাজ সেবাসংগঠন পাবলিক ওয়েল ফেয়ার সোসাইটি সর্বপ্রথম ডুনান্টের আবেদনে সাড়া দেয়। পরবর্তীকালে ১৮৬৩ সালে ৯ ফেব্রুয়ারি জীন হেনরী ডুনান্ট ৪ জন জেনেভাবাসীকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করেন, যা কমিটি অফ ফাইভ নামে পরিচিত। এ কমিটির নাম পরিবর্তিত হয় আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি। ১৯৬৩ সালের ২৬ অক্টোবর প্রথমবারের মত এ কমিটি ১৬টি দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে জেনেভায় আন্তর্জাতিক সম্মেলন আহবান করে। সম্মেলনে ডুনান্টের মহত প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা ও গৃহীত হয় এবং তারই পরিপ্রেক্ষিতে রেড ক্রস জন্মলাভ করে। এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করতে সাদা পতাকার উপর রেড ক্রস।

প্রথম জেনেভা কনভেনশনে আনুষ্ঠানিকভাবে রেড ক্রসকে সশস্ত্র বাহিনীর মেডিকেল সার্ভিসের পৃথক চিহ্ন হিসেবে গ্রহণ করা হয়।  আজও বিশ্বের যেকোনও প্রান্তে যুদ্ধক্ষেত্রে সেবার জয়কেতন উড়িয়ে রাখে সাদা লাল এই প্রতীক |

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Handpulled_Rikshaw_of_Kolkata

আমি যে রিসকাওয়ালা

ব্যস্তসমস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে কাটিয়ে হেলেদুলে যেতে আমার ভালই লাগে। ছাপড়া আর মুঙ্গের জেলার বহু ভূমিহীন কৃষকের রিকশায় আমার ছোটবেলা কেটেছে। যে ছোট বেলায় আনন্দ মিশে আছে, যে ছোট-বড় বেলায় ওদের কষ্ট মিশে আছে, যে বড় বেলায় ওদের অনুপস্থিতির যন্ত্রণা মিশে আছে। থাকবেও চির দিন।