রোবোটিক অস্ত্রোপচারে সুস্থ খাদ্যনালীহীন দুদিন বয়সী সদ্যোজাত

রোবটের মাধ্যমে অনেক জটিল কাজ সহজে করা যায়। সেই রোবটকে ব্যবহার করা হচ্ছে চিকিৎসা ক্ষেত্রেও। এর আগে সারা বিশ্বে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য রোবোটিক সার্জারির প্রচলন ছিল। তবে ভারতে বাইপাস সার্জারির ক্ষেত্রে রোবোটিক সার্জারির সাহায্য নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এবার রোবোটিক সার্জারির হাত ধরে দু’দিনের একটি সদ্যোজাত শিশুর সফল অস্ত্রোপচার সম্ভব হল। জানা গিয়েছে, এশিয়া মহাদেশের মধ্যে এই প্রথম এত ছোট শিশুর রোবোটিক সার্জারি করা হল।

নজিরবিহীন এই অস্ত্রপ্রচার করা হয়েছে চণ্ডীগড়ের সেক্টর-১৬র পিজিআইএমইআর হাসপাতাল। জানা গিয়েছে, দু’দিনেই ওই সদ্যোজাতের খাদ্যনালীই ছিল না। ফলে কিছুই খেতে পারছিল না সে। ডাক্তারি পরিভাষায় যাকে বলে অসোফেগাল অ্যাট্রেসিয়া। জন্মের ২-৩ দিনের মধ্যেই এই অপারেশন করতে হয়। জন্মের পরে শিশুটির ওজন ছিল .৫ কেজি। এইসমস্ত ক্ষেত্রে শিশুর ওপেন চেস্ট সার্জারি করে খাদ্যনালীর অপারেশন করা হয়।

প্রসঙ্গত, রোবটিক সার্জারিতে কাটাছেঁড়া খুব কম করতে হয়। দেহের স্পর্শকাতর বা জটিল স্থানে যেখানে মানুষের হাত পৌঁছনো সম্ভব নয় সেখানে খুব সূক্ষ কাজ করে রোবট। তবে এই সার্জারি খুবই ব্যয়বহুল। কিন্তু ওই শিশুটির বাবা নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করেন, তাই হাসপাতাল সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই অপারেশন করেছে। ১৯৮০ সাল থেকে চণ্ডীগড়ের এই হাসপাতালে নবজাতকদের অপারেশন করা হয়। সারা দেশ থেকে শিশুদের চিকিৎসার জন্য এই হাসপাতালের খুব সুনাম রয়েছে। তবে এই প্রথম এখানে এত ছোট কোনও শিশুর রোবটিক সার্জারি করা হল।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Please share your feedback

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Illustration by Suvamoy Mitra for Editorial বিয়েবাড়ির ভোজ পংক্তিভোজ সম্পাদকীয়

একা কুম্ভ রক্ষা করে…

আগের কালে বিয়েবাড়ির ভাঁড়ার ঘরের এক জন জবরদস্ত ম্যানেজার থাকতেন। সাধারণত, মেসোমশাই, বয়সে অনেক বড় জামাইবাবু, সেজ কাকু, পাড়াতুতো দাদা