৬০ পেরোলেই কাত? জীবনের শুরু তো এখন থেকেই!

৬০ পেরোলেই কাত? জীবনের শুরু তো এখন থেকেই!

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

গতকাল অজয়বাবু রিটায়ার করলেন অফিস থেকে| সহকর্মীরা শেষের দিন হাত ভরিয়ে দিয়েছেন নানা উপহারে| স্ত্রী অবশ্য খুব খুশি| টানা ৪০ বছর ধরে রোজ ১০টা-পাঁচটার হেঁসেল ঠেলতে ঠেলতে তিনি হা-ক্লান্ত| এবার একটু আরাম করতে পারবেন তিনিও| অজয়বাবুর কিন্তু মন ভালো নেই| কী করবেন তিনি অবসর নিয়ে? কাজ ছাড়া যে তাঁর এক মিনিট কাটতে চায় না! এই সমস্যা কি আপনারও? আরে মশাই, জমানা বদলে গেছে| এখন ৬০ পেরোলে জীবনের উপভোগ শুরু| এতদিনের ব্যস্ততায় চারপাশের রূপ-রস-গন্ধ কিছুই তো ভালো করে অনুভব করে উঠতে পারেননি| সেসব এই বেলা সেরে নিন| জেনে নিন, কীভাবে অবসর জীবন আনন্দের হয়ে উঠতে পারে| আপনার পাশে সারাক্ষণ বাংলালাইভ.কম তো রয়েইছে—

 

১. কাজ থেকে অবসর জীবন থেকে নয়: সবার আগে এই বিষয়টা বুঝে নিন| তাই সকালে আগে যেমন উঠতেন তেমন সময়েই উঠুন| এতদিন অফিসের তাড়ায় ঢকঢকিয়ে চা গিলতেন| এবার গিন্নির সঙ্গে আয়েশ করে বসে হালকা গপ্পো করতে করতে ধোয়া ওঠা কাপে ছোট ছোট সিপ দিন| দিল খুশ আপনার| গিন্নিরও|

২. ঘাম ঝরিয়ে ঘুম তাড়ান: অফিস যাওয়ার তাড়া নেই বলে ঘরে বসে অকেজো হয়ে পরবেন নাকি? একেবারেই এসব চিন্তা মনে-মাথায় ঘেঁসতে দেবেন না| তাই চা খেয়েই বেরিয়ে পড়ুন সক্কাল সক্কাল| কাছের পার্কে গিয়ে জগিং সারুন| সঙ্গে হালকা ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম| যাতে গা দিয়ে ঘাম ঝরে| পার্ক না থাকলে জোরে জোরে মাইল খানেক হাঁটুন| সেটাও সম্ভব না হলে বাড়িতেই যোগা সারুন| মোট কথা, বেলা পর্যন্ত ঘুমিয়ে শরীরে মেদের পরিমাণ কিছুতেই বাড়ানো চলবে না|

৩. বাজার করুন গুছিয়ে: আপনি খেতে ভালবাসেন| গিন্নি রাঁধতে| এবার সেই সুযোগের পরিপূর্ণ সদ্ব্যবহার করুন! কাজের তাড়ায় এক রবিবার ছাড়া ভালো করে বেছে, দেখে-শুনে বাজার করতে পারেননি তো? সেটাই শুরু করুন আস্তে আস্তে| দর করে নিজে এবং বাড়ির লোকেরা যা যা খেতে ভালবাসেন নিয়ে আসুন| গুছিয়ে বাজার করাটাও কিন্তু একটা আর্ট| সেটা করতে পারলেও আপনার মন ভালো হয়ে যাবে|

৪. আপন হতে বাহির হয়ে বাইরে দাঁড়ান: এত দিন কেজো মানুষ ছিলেন| তাই মন খুলে আড্ডা মারতে পারেননি| বেড়াতে যেতে পারেননি| ঘরের মানুষদের সময় দিতে পারেননি| আত্মীয়দেরও ভালো করে আপ্যায়ন করতে পারেননি| এইগুলো এবার করুন আপনার মনের মত করে| সস্ত্রীক বন্ধুর বাড়ি যান| সময়ে সময়ে তাঁদেরও আপনার বাড়িতে আসতে বলুন| মন খুলে কথা বললেও মন অনেক হালকা হয়ে যায়| বাড়ির বাকি সদস্যদের খুঁটিনাটির দিকে নজর দিন এবার| বিশেষ করে গিন্নির দিকে| তিনি এতদিন দশ হাতে সংসার সামলেছেন বলেই তো এতদিন নিশ্চিন্তে অফিস করতে পেরেছেন! পাড়ার রকের আড্ডা অনেক দিন বন্ধ? সেটাও আবার চালু করুন| দেখবেন পুরোনো বন্ধুত্ব আবার গুটি গুটি পায়ে হাজির হয়েছে আপনার কাছে| রেলিশ করে উপভোগ করুন সেটা| পড়শির বাড়ির বাচ্চাদের পড়ানোর দায়িত্বও নিতে পারেন|

৫. মুঠোয় পুরুন বিশ্বকে: অফিসের কাজ করেন না বলে দুনিয়া থেকে মুখ ঘুরিয়ে নেবেন? সেটা কিন্তু খুব বুদ্ধিমানের কাজ নয়| বরং এফবি বা ফেসবুকে account না থাকলে ছেলে বা নাতিকে দিয়ে খুলে নিন একটা| কিছু নতুন মানুষের সঙ্গে আলাপ হবে| অনেক কিছু জানতে পারবেন| নিজের মনের কথা জানাতেও পারবেন| পছন্দের বিষয় নিয়ে মতামত জানাতে পারবেন| তা বলে কী খাচ্ছেন, কী পরছেন অন্যদের মত সেসব যেন পোস্ট করতে যাবেন না| এফবি আপনার জ্ঞান বাড়ানোর হাতিয়ার হোক| নিজে প্রচারের উপকরণ বানাবেন না তাকে|

৬. হারানো শখ ফিরে আসুক: আপনি বই পড়তে ভালবাসেন? লিখতে? নাকি গান শুনতে? কাজের চাপে সব চাপা পড়ে গিয়েছিল? এবার ধুলো ঝেরে বের করুন সেগুলো| এগুলোর কোনটাই আপনার হবি না হলে বাড়তি জমিতে বাগান বানাতে পারেন| সময় কাটবে| মন ভালো থাকবে| পরিবেশ দূষণ কমবে| সঙ্গী হিসেবে নাতি-নাতনিকে ডেকে নিন| সারা বিকেল ওখানেই সময় কাটান| মন খারাপ পালাতে পথ পাবে না|          

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

2 Responses

  1. I took weightlifting after retirement from service. And still continuing for 5 years. It is not for championship. It is my passion. I earnestly appeal to the Hon’ble Prime Minister of India for helping to form INDIAN BODY BUILDING ASSOCIATION FOR SENIORS.

  2. I appeal to all to achieve such platform (if not already exists). It is my idea Modiji is such man who wishes new and progressive things. So man like Modiji might help us if he can know our appeal.

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।

Pradip autism centre sports

বোধ