এই পদ্ধতিতে পেঁয়াজ কাটলে চোখ দিয়ে একটুও জল পড়বে না

2929

পেঁয়াজ কাটবেন আর চোখ দিয়ে জল ঝরবে না, হয় নাকি? পেয়াঁজ কাটার কায়দা জানলে এই অসম্ভবও কিন্তু সম্ভব হবে| আর নাকের জলে চোখের জলে হতে হবে না আপনাকে| জেনে নিন পেঁয়াজ কাটার সেই স্পেশাল পদ্ধতি—  

) প্রথমেই পেঁয়াজের গোড়া বা মূল ভালো করে কেটে ফেলে দিন। সেইসঙ্গে ওপরের আস্তরণটিও ফেলে দিন। কেননা বেশির ভাগ এনজাইম থাকে এই গোড়া আর ওপরের আস্তরণে।

) চোখের জল আটকাতে শুকনো খোসা ছাড়িয়ে পেঁয়াজ টুকরো করে কেটে জলে ভিজিয়ে রাখুন। বেশ খানিক্ষণ পর জল থেকে তুলে ভাল করে ধুয়ে নিয়ে তারপর কাটুন| এতে চোখ জ্বলবে না। ঠাণ্ডা জলে ভিজিয়ে রাখলে আরও ভাল হবে। এতে পেঁয়াজ থেকে নিঃসৃত এনজাইম ধুয়ে যাবে, চোখ জ্বলবে না।

) জলে ডোবাতে না চাইলে পেঁয়াজের শুকনো খোসা ছাড়িয়ে আধ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন। তারপর ভাল করে ধুয়ে নিয়ে টুকরো করুন বা কুচি করুন। ঠাণ্ডায় পেঁয়াজের এনজাইম নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়| ফলে চোখ জ্বলার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়।

) চপিং বোর্ডে ভিনিগার মাখিয়ে তারপর পেঁয়াজ কাটুন। ভিনিগারের অ্যাসিড এনজাইমকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। এনজাইম নিষ্ক্রিয় হয়ে গেলে ঝাঁঝও বের হবে না, চোখও জ্বলবে না।

) পেঁয়াজ কাটার সময়ে চপিং বোর্ডের কাছে একটি মোমবাতি জ্বালিয়ে রাখতে পারেন। এতে পেঁয়াজ থেকে নির্গত এনজাইমের ঝাঁঝ আপনার চোখে বিক্রিয়া করার আগেই আগুনের শিখা তাকে আকর্ষণ করবে। চোখ থেকে জল পড়ার সম্ভাবনাই থাকল না আর|

) পেঁয়াজ কাটার সময় ধারালো ছুরি বা বঁটি ব্যবহার করুন। এতে পেঁয়াজের কোষগুলো কম ক্ষতিগ্রস্ত হবে| ফলে এনজাইম কম নিঃসৃত হবে| আর চোখও জ্বলবে কম।

) আরেকটা সহজ পদ্ধতি, পেঁয়াজ কাটার সময় জোরে ফ্যান চালিয়ে নিন। এতে পেঁয়াজ থেকে নির্গত এনজাইমের ঝাঁঝ আপনার চোখ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারবে না।

) চোখের জল থামাতে পেঁয়াজ নুন জলে ভিজিয়ে রাখুন মিনিট পনেরো, তারপর কাটুন। নুন জল পেঁয়াজের মধ্যে থাকা এনজাইমকে নিষ্ক্রিয় করে ফেলবে নিমেষে। এবার নিশ্চিন্তে পেঁয়াজ কাটুন| আর চোখ জ্বলবে না|

 

 

Advertisements

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.