ফুড পয়জনিং বা খাদ্যে বিষক্রিয়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু চটজলদি উপায়

শীতকাল মানেই পিকনিক, পার্টি, নাইট আউট, বিয়ে বাড়ি লেগেই আছে।  অতিরিক্ত বাইরের খাবার খাওয়া মানেই শরীরের নানারকম সমস্যা লেগেই থাকে। আর সবথেকে কষ্টদায়ক হল ফুড পয়জনিং। খাদ্যে বিষক্রিয়া থেকে অনেক ধরণের সমস্যা হয়ে থাকে যেমন পেটে ব্যথা, হজমে সমস্যা, ডায়রিয়া, বমি, অনেকক্ষেত্রে জ্বরও হতে পারে। তবে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বন করলে এই ফুড পয়জনিং-এর সমস্যা থেকে রেহাই পেতে পারেন। একঝলকে দেখে নিন  সেগুলি কী কী…

* আদা- প্রতিদিন যদি নিয়ম করে এক কুচি আদার সঙ্গে কয়েক ফোঁটা মধু খেলে হজমশক্তি ভালো হবে, পাশাপাশি পেটে ব্যথা হলেও তা কমে যাবে।

* জিরে: পেট খারাপ বা পেটে ব্যথার মতো সমস্যায় এক চা-চামচ জিরের গুঁড়ো খেলে ভাল ফল পাওয়া যেতে পারে।

* তুলসী- গলার পাশাপাশি পেটের ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে তুলসী। তুলসী পাতা মধুর সঙ্গে খেলে কিছুক্ষণের মধ্যেই সুফল পাওয়া যাবে।

*কলা- কলাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, যা ফুড পয়জনিং কমাতে সাহায্য করে। তাই এইসময় শুধু কলা বা এক গ্লাস বানানা শেক খেলেও উপকার পাওয়া যায়।

* আপেল-  যে ব্যাকটেরিয়ার কারণে ডায়রিয়া হয় তার প্রভাব দূর করতে আপেলের ভুমিকা অসামান্য। পাশাপাশি অ্যাসিডিটি কমাতেও সাহায্য করে আপেল।

* লেবু- ফুড পয়জনিং-এর ফলে শরীরে যেসব খারাপ ব্যাকটেরিয়ার প্রাদুর্ভাব হয়, তা নষ্ট করতে লেবু বিশেষ ভুমিকা পালন করে। একটা গোটা পাতিলেবুর রসের সঙ্গে সামান্য চিনি দিয়ে খেলেও উপকার পাওয়া যায়।

ফুড পয়জনিং-এর জন্য প্রচুর পরিমাণে বমি হওয়ার জন্য শরীর থেকে প্রচুর জল বেরিয়ে যায়। যার ফলে শরীর আরও দুর্বল হয়ে পড়ে।তাই এই সময়ে ওআরএস বা নুন-চিনির জল প্রচুর পরিমাণে খাওয়া উচিত। আর সেইসঙ্গে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here