জেনে নিন গরমেও দীর্ঘস্থায়ী মেকআপ-এর কৌশল!

যত দিন যাবে, ততই বাড়বে চড়া গরম আর অস্বস্তিকর পরিস্থিতি। গরমের এই দিনগুলোয় ঘাম আর ক্লান্তি কাটিয়ে ঝলমলে থাকাটাই হল আসল চ্যালেঞ্জ। গরমে খুব তাড়াতাড়ি মেকআপ নষ্ট হয়ে যায়। এর প্রধান কারণ রোদের তীব্রতা, ঘাম আর ত্বক থেকে নিঃসরিত তেল। এটি মেকআপকে দীর্ঘসময় স্থায়ী হতে দেয় না। তাই এই সময়ে মেকআপের ছোট ছোট কিছু বিষয়ে খুবই সচেতন থাকা উচিত। তাই এই সময়ে কীভাবে মেকআপ করবেন তা একনজরে জেনে নিন।

মেকআপ নষ্ট করার পেছনে শুধু ঘামই দায়ী নয়, ত্বকের তেলও এর জন্য দায়ী। মেকআপ স্থায়ী করার জন্য ত্বক ভালো করে পরিষ্কার করে টোন করুন ও ময়শ্চারাইজ়ার লাগিয়ে নিন। গরমের এই সময়টাতে অয়েল কন্ট্রোল ফেসিয়াল ক্লিনজার ও টোনার ব্যবহার করুন। এতে মেকআপ দীর্ঘসময় ভাল থাকবে। ত্বক আর্দ্র থাকলে মেকআপ ভালোভাবে সেট করবে, টেকসইও হবে।

এসপিএফ যুক্ত হালকা টিন্টেড ময়শ্চারাইজার মেখে নিন। তাতে ত্বকের রং সমান দেখাবে, রোদের হাত থেকেও বাঁচবে। পাউডার-বেসড আইশ্যাডো আর হালকা প্যাস্টেল শেডের ব্লাশার লাগান বা সিলিকন বেইজড আইশ্যাডো ব্যবহার করুন। এতে ঘামের কারণে চোখের সাজ নষ্ট হবে না । তবে গরমে যতটা সম্ভব আইশ্যাডো এড়িয়ে চলাই ভালো। আর যদি একান্ত দিতেই হয়, তাহলে হালকা করে লাইট কালারের আইশ্যাডো ব্যবহার করুন। চোখে সরু করে লাইনার পরুন, ইচ্ছে হলে অল্প মাস্কারাও পরতে পারেন। আইল্যাশে প্রথমে পাউডার লাগিয়ে নিন। এরপর মাশকারা ব্যবহার করুন। এতে ঘামের কারণে মাশকারা নষ্ট হবে না। এ ছাড়া এতে মাশকারা আইল্যাশে স্থায়ী হয় ভালো। তবে অবশ্যই ওয়াটারপ্রুফ মাশকারা ব্যবহার করবেন।

গরমে ফাউন্ডেশন ব্যবহার না করে কনসিলার ব্যবহার করতে পারেন। যদি আপনি মুখে ফাউন্ডেশন ব্যবহার করতেই চান, তাহলে প্রথমে কনসিলার দিয়ে  পরে মুখে ফাউন্ডেশন ব্যবহার করুন। মনে রাখবেন, গরমে সরাসরি মুখে ফাউন্ডেশন ব্যবহার করবেন না।

প্রথমে যদি ঠোঁটে ফাউন্ডেশন দেন, তাহলে লিপস্টিক দীর্ঘসময় স্থায়ী হবে। তবে লিপগ্লস ব্যবহার না করাই ভালো। এ সময়ে ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার করুন। দেখতে ভালো লাগবে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Please share your feedback

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কফি হাউসের আড্ডায় গানের চর্চা discussing music over coffee at coffee house

যদি বলো গান

ডোভার লেন মিউজিক কনফারেন্স-এ সারা রাত ক্লাসিক্যাল বাজনা বা গান শোনা ছিল শিক্ষিত ও রুচিমানের অভিজ্ঞান। বাড়িতে আনকোরা কেউ এলে দু-চার জন ওস্তাদজির নাম করে ফেলতে পারলে, অন্য পক্ষের চোখে অপার সম্ভ্রম। শিক্ষিত হওয়ার একটা লক্ষণ ছিল ক্লাসিক্যাল সংগীতের সঙ্গে একটা বন্ধুতা পাতানো।