গরমে ভাইরাস-ঘটিত জ্বর থেকে মুক্তি পাওয়ার সহজ উপায়…

শরীরে ভাইরাস আক্রমণের ফলে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে তাঁকে ভাইরাস-ঘটিত জ্বর বলা হয়ে থাকে। এই জ্বর শরীরে তেমন গুরুতর ক্ষতি না করলেও, শরীরকে খুবই দুর্বল করে দেয়। অনেকসময়ে ওষুধ খেলেও কোনও কাজ হয় না। বিশেষ করে গরমের দিনে ভাইরাস-ঘটিত জ্বরের প্রকোপ বাড়ে। কয়েকটি সহজ ঘরোয়া পদ্ধতি মেনে চললে ভাইরাস ঘটিত জ্বরের হাত থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

১) ভাইরাস-ঘটিত জ্বরের ফলে শরীরে জল-শূন্যতা দেখা দিতে পারে, যার ফলে হতে পারে ডিহাইড্রেশন এর সমস্যা। এর জন্য জ্বরের সময়ে প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়া উচিত।

২) ভাইরাস-ঘটিত জ্বরে শরীর অনেক দুর্বল হয়ে পড়ে। এজন্য এইসময়ে যতটা সম্ভব কাজ থেকে ছুটি নিয়ে বাড়িতে বসে বিশ্রাম নেওয়া দরকার।

৩) এই সময়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই কমে যায়। সেইজন্য এইসময়ে পুষ্টিকর খাবার খাওয়া খুবই প্রয়োজন। এইসময়ে খাবার খেতে মন না চাইলেও খাদ্যতালিকায় কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন, ফ্যাট-সমৃদ্ধ খাবার রাখা উচিত। বিশেষত সহজে হজম হয় তেমন ধরনের খাবার খাওয়া উচিত।

৪) শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে বাইরাস-ঘটিত জ্বর খুব সহজেই আক্রমণ করে। এইসময়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য ভিটামিন সি ও ডি-সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার দিকে মনোযোগী হতে হবে।

৫) বেশির ভাগ ভাইরাস জ্বরের ক্ষেত্রে শরীরে ক্ষত, ফোস্কা বা চুলকানি হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত।

৬) ভাইরাস-ঘটিত জ্বরের নির্দিষ্ট কোনও ওষুধ নেই। এক একজন রোগীর জ্বরের লক্ষণ এক একরকম হতে পারে। সেইমতো চিকিৎসা করা হয়। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে থেকে কোনও ওষুধ খেয়ে নেবেন না। এতে পরিস্থিতি ভাল হওয়ার থেকে বেশি খারাপ হতে পারে।

৭) ভাইরাস-ঘটিত জ্বর হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই এইসময়ে যে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত সেগুলি হল- খাবার খাওয়ার আগে নিয়মিত হাত ধোওয়া উচিত, ভীড়ের মধ্যে গেলে সবসময়ে মুখে রুমাল ব্যবহার করা উচিত, সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা উচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

কফি হাউসের আড্ডায় গানের চর্চা discussing music over coffee at coffee house

যদি বলো গান

ডোভার লেন মিউজিক কনফারেন্স-এ সারা রাত ক্লাসিক্যাল বাজনা বা গান শোনা ছিল শিক্ষিত ও রুচিমানের অভিজ্ঞান। বাড়িতে আনকোরা কেউ এলে দু-চার জন ওস্তাদজির নাম করে ফেলতে পারলে, অন্য পক্ষের চোখে অপার সম্ভ্রম। শিক্ষিত হওয়ার একটা লক্ষণ ছিল ক্লাসিক্যাল সংগীতের সঙ্গে একটা বন্ধুতা পাতানো।