বর্ষার নানা অসুখ-বিসুখ থেকে সাবধান থাকুন

970

বর্ষার বৃষ্টিতে ভিজলেই সর্দি-কাশি হয় — এটি একটি ভ্রান্ত ধারণা | আসলে বর্ষার তাপমাত্রায় সর্দির ভাইরাসের বংশবৃদ্ধি ঘটে তাই মানুষ সহজেই আক্রান্ত হয় |

সর্দি-কাশি যেহেতু ভাইরাস থেকে হয়, তাই অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না | বরং সর্দি লাগলে বেশি করে জল খান, গরম জলের ভাপ নিন |

গলা ব্যথা বা খুসখুস করলে হালকা গরম জলে নুন ফেলে গার্গল করুন |

সর্দি, নাক দিয়ে জল পড়া, বারবার হাঁচি অ্যান্টিবায়োটিক খেলে কমবে না | Paracetamol-এ বেশি কাজ দেয় | এতে গা-হাত-পা ব্যথা ও জ্বর কমবে | সাতদিনেও না কমলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন |কাশির সময় হলুদাভ সর্দি বা কফ দেখলে তাড়াতাড়ি ডাক্তারকে খবর দিন |

বর্ষায় পেটের অসুখের বাড় বাড়ন্ত হয় | এটি কিন্তু জলবাহিত রোগ |

ডায়রিয়া হলে আগে থেকে সাবধান হন | কারণ তিনটি কারণে ডায়রিয়া থেকে মৃত্যু হতে পারে |

1) শরীর থেকে নুন জল বেরিয়ে যাওয়া |

2) জলের সঙ্গে মিনারেলস বেরিয়ে যাওয়া |

3) রক্ত আমাশা দেখা দিলে ও শরীর থেকে নানা রকমের নিউট্রিয়েন্টস বেরিয়ে গেলে |

ডায়রিয়া হলে বারবার ORS (Oral Rehydration Solution), চা ও তরল পদার্থ খাওয়ান | 250 ml. জলে দু চা চামচ চিনি ও এক চিমটে নুন ফেলে ORS বানিয়ে নিন | অর্ধেক লেবু দিতে পারেন |জল ফোটাতে হবে না তবে পানীয় জল পরিষ্কার হতে হবে |
ORS)-এর স্বাদ যেন কখনওই চোখের জলের থেকে বেশি নোনতা না হয় | তাই চিনির আগে নুন মিশিয়ে চেখে নিন |ডায়রিয়া যেহেতু ভাইরাস থেকে হয় তাই অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না |

বর্ষায় ত্বকে সংক্রমণ —

নানা ধরনের ফাঙ্গাল ইনফেকশন যেমন দাদ‚ হাজা এসময় বেড়ে যায় | কারণ আর্দ্রতা এই জীবাণুর বংশবৃদ্ধি করে |তাই চিকিৎসার পাশাপাশি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন |ভেজা পোশাকে থাকবেন না |ঘাম হলে জামা পাল্টান |

Contact Dermatitis বা এগজিমাও এসময় হয় | নোংরা জলে মিশে থাকা মোবিল ও ডিজেল থেকে হতে পারে | এটি হলে ডাক্তারের পরামর্শে স্টেরওয়েড মলম ব্যবহার করা যেতে পারে |

Advertisements

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.