ব্ল্যাকহেডসের সমস্যায় নাজেহাল! সমাধান করুন রাতারাতি

পুরুষ মহিলা নির্বিশেষে আমাদের অনেকেরই নাকে ও মুখে ব্ল্যাকহেডস দেখা যায়। আর এই ব্ল্যাকহেডস নিয়ে দুশ্চিন্তার অন্ত নেই! পার্লারে গিয়ে স্ক্রাবিং, ফেসিয়াল, ক্লিনিং— কত কি না করি আমরা! তার পরেও সমস্যা কিন্তু থেকেই যায়। বেশির ভাগ মানুষই সবচেয়ে বেশি সচেতন নিজের মুখ নিয়ে। মুখের সৌন্দর্য ধরে রাখতে প্রয়োজন নিয়মিত মুখের ত্বকের সঠিক যত্ন নেওয়া। আর মুখের সৌন্দর্যের ক্ষেত্রে একটি বড় সমস্যা হল ব্ল্যাকহেডস। ব্ল্যাকহেডস-এর এই সমস্যা পুরোপুরি দূর করতে আজ জেনে নিন সহজ কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি। বিশেষ করে ব্ল্যাকহেডস-এর সমস্যায় এগুলির কার্যকারিতা অবিশ্বাস্য!

উপকরণ:

১টি মাঝারি মাপের আলু

১ চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার

পরিমান মত জল

যেভাবে ব্যবহার করবেন-

প্রথমেই একটি মাঝারি মাপের আলু ভাল করে ধুয়ে পরিষ্কার করে খোসা ছাড়িয়ে নিয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন।

এরপর টুকরো করা আলুর সঙ্গে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারের মিশিয়ে ভাল করে ব্লেন্ড করে মিহি করে বেটে নিন।

আলু আর অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারের মিশ্রণটি ২ চা চামচ জল দিয়ে পাতলা করে নিন।

এ বার এই মিশ্রণটি একটি আইস ট্রেতে ঢেলে ডিপ ফ্রিজে ৩-৪ ঘণ্টা রেখে দিন।

ক্লিনজার বা সামান্য উষ্ণ জল দিয়ে মুখ ভাল করে পরিষ্কার করে নিন।

এরপর বরফ হয়ে যাওয়া আলু আর অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারের মিশ্রণের টুকরো নিয়ে ত্বকের উপর বিশেষ করে ব্ল্যাকহেডস আক্রান্ত স্থানে ঘষে নিন।

দিনে ২-৩ বার এই পদ্ধতিতে এই মিশ্রণটি দিয়ে ত্বকের ব্ল্যাকহেডস আক্রান্ত স্থানে মালিশ করতে পারলে সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

এছাড়া ব্যবহার করতে পারেন ডিম-

ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়েও নাকে লাগাতে পারেন। এই মিশ্রণটি ব্ল্যাকহেডস আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে এর ওপর একটা পাতলা নরম কাপড় বা টিস্যু আটকে দিতে হবে। শুকিয়ে গেলে টান দিয়ে তুলে ফেলতে হবে। এতে ব্ল্যাকহেডস উঠে যাবে।

বরফের ব্যবহার-

মনে রাখতে হবে, কোষ বৃদ্ধির কারণে তাতে ধুলো বালি জমে ব্ল্যাকহেডসের সূত্রপাত ঘটে। অতিরিক্ত গরমে এটি বেশি পরিমানে হয়ে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে রূপচর্চার সময় গরম ভাপ নেওয়া হলেও এটি ঘটতে পারে। সে ক্ষেত্রে গরম ভাপ নেওয়ার পর কিংবা প্রখর রোদে ঘেমে ঘরে ফেরার পর অবশ্যই বরফ দিয়ে নাকে ও চোয়ালে কিছু সময় মালিশ করতে হবে। এতে কোষগুলো আবারও সংকুচিত হয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

pakhi

ওরে বিহঙ্গ

বাঙালির কাছে পাখি মানে টুনটুনি, শ্রীকাক্কেশ্বর কুচ্‌কুচে, বড়িয়া ‘পখ্শি’ জটায়ু। এরা বাঙালির আইকন। নিছক পাখি নয়। অবশ্য় আরও কেউ কেউ