উড়ন্ত বিমানে জন্ম‚ জরুরি অবতরণের পর বাধ্য হয়ে নাড়ি না কেটেই তড়িঘড়ি হাসপাতালে মা-শিশু

ফিলিপিন্সের ম্যানিলার অভিমুখে চলেছিল বিমানটি। হঠাৎই মাঝ আকাশে প্রসব বেদনা উঠল এক আসন্নপ্রসবার। বিমান তখন ভারতের উপরে। এই অবস্থায় তড়িঘড়ি বিমানটি নামাতে হয় মাটিতে। তারপর বিমানেই একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন ওই মহিলা। অ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে পুরো ঘটনাটি জানানো হয়েছে।

ঘটনা গত ৮ মে-র। হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর আপৎকালীন অবতরণ করে একটি বিমান। ততক্ষণে প্রসবযন্ত্রণায় ছটফট করতে শুরু করেছেন ওই মহিলা। দ্রুত খবর যায় নিকটবর্তী অ্যাপোলো হাসপাতালে। তাদের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা হয় জরুরি পরিষেবার জন্য। সেখান থেকে চিকিৎসকদের একটি দল দ্রুত পৌঁছয় বিমান বন্দরে। এরপর বিমানেই সেই মহিলা জন্ম দেন এক কন্যাসন্তানের। কিন্তু অ্যাম্বিলিক্যাল কর্ড বা নাড়িটি কাটা সম্ভব হয়নি। কারণ বিমানবন্দরে কোনও ধারালো বস্তু নিয়ে প্রবেশ করা যায় না। নিরাপত্তাজনিত কারণেই বিমান বন্দর চত্বরে ওই ধরনের কোনও বস্তু নিয়ে প্রবেশ করার নিয়ম নেই। অগত্যা চিকিৎসকেরাও নিরুপায় হয়ে ওটা ছাড়াই বিমানে প্রবেশ করে।

এরপর ওই মহিলা ও তাঁর শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দু’জনের অবস্থাই তখন কিছুটা গুরুতর ছিল। এরপর হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে নাড়ি কেটে অন্যান্য শুশ্রুষা করা হলে দু’জনেই সুস্থ হয়ে ওঠে। তারপর সদ্যোজাত কন্যাকে নিয়ে বাড়ির পথে নতুন মা |

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Please share your feedback

Your email address will not be published. Required fields are marked *

pakhi

ওরে বিহঙ্গ

বাঙালির কাছে পাখি মানে টুনটুনি, শ্রীকাক্কেশ্বর কুচ্‌কুচে, বড়িয়া ‘পখ্শি’ জটায়ু। এরা বাঙালির আইকন। নিছক পাখি নয়। অবশ্য আরও কেউ কেউ