পুত্রবধূ রম্ভাকে ধর্ষণ রাবণরাজার‚ রক্ষা পেলেন বন্দিনী সীতা

পুত্রবধূ রম্ভাকে ধর্ষণ রাবণরাজার‚ রক্ষা পেলেন বন্দিনী সীতা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

লক্ষ্মণরেখা পার করিয়ে এনে সন্ন্যাসীর ছদ্মবেশে সীতাকে রাবণরাজা অপহরণ করেছিলেন ঠিকই | কিন্তু অশোকবনের বন্দিনীকে উপভোগ করতে পারেননি লঙ্কেশ | অতীতে নিজের দোষে তাঁর উপর নেমে এসেছিল অভিশাপের খাঁড়া | ফলে রাবণ সম্ভোগ করতে পারেননি সীতার সঙ্গে |

কী করে এল সেই অভিশাপ ? শুনুন তাহলে | একবার রাবণ গিয়েছিলেন তাঁর বোন কুম্বিনাশীর কাছে | লঙ্কায় ফেরার সময় তিনি বিশ্রাম নিতে থামলেন কুবেরের রাজ্যে | সম্পর্কে কুবের ছিলেন রাবণের বৈমাত্রেয় ভাই | তাঁদের পিতা এক হলেও মাতা ছিলেন আলাদা |

সৎ ভাই কুবেরের রাজ্যে বিশ্রামরত রাবণ আকৃষ্ট হলেন রম্ভার প্রতি | অপ্সরা রম্ভাকে দেখে তাঁর কামরতি জেগে উঠল | রম্ভা ছিলেন কুবেরের পুত্র নলকুবেরের স্ত্রী | তিনি রাবণকে নিবৃত্ত হতে অনুরোধ করলেন | বললেন‚ তিনি কুবেরের পুত্রবধূ | ফলে সম্পর্কের দিক দিয়ে তিনি কুবেরের সৎ ভাই রাবণেরও পুত্রবধূ হলেন | কীকরে নিজের পুত্রবধূর সঙ্গে সম্ভোগে লিপ্ত হতে পারেন রাবণ ?

উত্তরে রাবণ বলেন‚ রম্ভা একজন স্বর্গের অপ্সরা | এবং অপ্সরাদের স্বামী সংখ্যা মাত্র একটি হয় না | তাঁরা বহুভোগ্যা | এই যুক্তি দেখিয়ে সম্পর্কে পুত্রবধূ রম্ভার সঙ্গে সম্ভোগে লিপ্ত হন রাবণ |

অপমানিত রম্ভা সব জানান স্বামী নলকুবেরকে | ক্রোধান্ধ নলকুবের হাতের পাতায় জল নিয়ে তা ছিটিয়ে দেন রাবণের গায়ে | সেইসঙ্গে অভিশাপ দেন—-রাবণ যদি কোনও নারীকে সেই নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ভোগ করতে যান তবে তাঁর দশ মাথা তৎক্ষণাৎ সাত টুকরোয় খণ্ডিত হয়ে যাবে |

সেই অভিশাপই কাল হল | সীতার ইচ্ছের বিরুদ্ধে তাঁকে ভোগ করতে পারলেন না রাবণরাজা |

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।

Pradip autism centre sports

বোধ