‘ স্বাধীন ভারতের প্রথম জঙ্গি তো একজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী ‘

‘ স্বাধীন ভারতের প্রথম জঙ্গি তো একজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী ‘

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

‘ স্বাধীন ভারতের প্রথম জঙ্গি তো হিন্দু ধর্মাবলম্বী ‘ | মন্তব্য কমল হাসানের | অভিনেতা থেকে রাজনীতিক হওয়া কমলের রাজনৈতিক দল এই নির্বাচনে প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রত | কমল বলেন‚ নাথুরাম গডসে স্বাধীন ভারতের প্রথম জঙ্গি | যিনি ধর্মে হিন্দু ছিলেন | ১৯৪৮ সালে তাঁর হাতেই প্রাণ হারান মহাত্মা গান্ধী |

তামিলনাড়ুর কারুর জেলায় আরাভাকুরিচি এলাকায় প্রচারে গিয়েছিলেন কমল | বলেন‚ মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা বলে যে একথা বলছেন‚ তা নয় | বরং তিনি কথাগুলো বলছেন গান্ধীর মূর্তির সামনে দাঁড়িয়ে | কার্যত তাঁর বক্তব্য ছিল‚ স্বাধীন ভারতে সন্ত্রাস শুরু করেছে হিন্দুত্ববাদীরাই |

আগামী ১৯ মে তামিলনাড়ুর চার কেন্দ্রে বিধানসভা উপনির্বাচন | তার মধ্যে আরাভাকুরিচি একটি | কমল হাসানের দল এমএনএম প্রার্থী দিয়েছে এই কেন্দ্রে | কমল বলেন‚ তিনি গর্বিত হয়ে বলতে চান যে তিনি একজন সু ভারতীয় নাগরিক | মনেপ্রাণে ও ভাবধারায় গান্ধীজির প্রপ্রপৌত্র |   চান‚ ভারতের জাতীয় পতাকার তিন বর্ণের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ থাক |

গত ফেব্রুয়ারিতে দল গঠন করেন কমল হাসান | লোকসভা নির্বাচনে তামিলনাড়ুর ৩৯ কেন্দ্রেই প্রার্থী দিয়েছে তাঁর দল | আর এক মেগাস্টার রজনীকান্তও রাজনৈতিক দল গঠন করেছেন | তবে তিনি এই লোকসভা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন না | তাঁর পাখির চোখ এখন ২০২১-এর তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচন |

কমল হাসানের হিন্দু জঙ্গি মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বিজেপি | তাদের অভিযোগ‚ এসব বলে সংখ্যালঘু প্রধান এলাকায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ছড়াতে চাইছেন অভিনেতা | এর আগেও শবরীমালা-বিতর্ক-সহ একাধিক প্রসঙ্গে কমল হাসানের গায়ে হিন্দুত্ববিরোধী তকমা লেগেছে | প্রতিবারই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জাতীয় পুরস্কার জয়ী অভিনেতা | বলেছেন‚ তিনি হিন্দু | কিন্তু জাতপাতের সঙ্কীর্ণতা মানেন না |  

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।