কন্দহর বিমান অপহরণের মূল চক্রী তথা মাসুদ আজহারের শ্যালক-সহ তিন জৈশ নেতা নিহত ভারতের অভিযানে

502

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার বালাকোটে জইশ-ই-মহম্মদের সবথেকে বড় জঙ্গি ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ভারত। ভারতীয় বায়ুসেনার এই আকস্মিক হামলায় এখনও পর্যন্ত প্রাণ গিয়েছে প্রায় ৩০০ জৈশ জঙ্গির। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুসারে, এয়ার স্ট্রাইক প্রায় একশো শতাংশই সফল।

সাংবাদিক বৈঠকে বিদেশ সচিব বিজয় গোখেল জানিয়েছন, জৈশ-ই-মহম্মদের বহু সন্ত্রাসবাদীকে শেষ করে ফেলা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের কাছে বিদেশ সচিব একটি লিখিত বিবৃতি পাঠ করে জানান যে, পাকমদতপুষ্ট  জৈশ-ই-মহম্মদ-এর সবথেকে বড় প্রশিক্ষণ শিবির ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, ভারতে বহু আত্মঘাতী হামলার ছক কষেছে জৈশ। আসন্ন বিপদ থেকে দেশকে বাঁচাতে এই আঘাত হানা একান্ত প্রয়োজন ছিল বলে জানিয়েছেন বিদেশ সচিব।

তিনি আরও জানিয়েছেন, এই অভিযানে মৃত্যু হয়েছে মাসুদ আজহারের শ্যালক ইউসুফ আজহারের । এই ইউসুফ আজহারই কন্দহর বিমান অপহরণের মূল চক্রী। ১৯৯৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের আইসি ৮১৪ বিমানটি অপহরণ করে কন্দহর নিয়ে গিয়েছিল জঙ্গিরা।

যাত্রীদের প্রাণ বাঁচাতে আরও তিন জঙ্গি নেতা-সহ মাসুদ আজহারকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছিল ভারত। ভারতীয় সেনাবাহিনী সূত্রের খবর, মাসুদ আজহারের ছত্রছায়াতেই বালাকোটের এই জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবির চালাত তার শ্যালক ইউসুফ আজহার। পাকিস্তানে যতগুলি জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবির রয়েছে তার মধ্যে সবথেকে বড় শিবির চালানোর দায়িত্বে ছিল ইউসুফ। এর পাশাপাশি মাসুদ আজহারের আরও দুই আত্মীয় এই অভিযানে প্রাণ হারিয়েছে বলে দাবি ভারতীয় সেনার | ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইতিহাসে এই অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ | এর ফলে পাকিস্তানের মাটিতে জৈশ ঘাঁটির ভিত অনেকটাই টলিয়ে দেওয়া সম্ভব বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল |

Advertisements

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.