আকাশপথে একাই ভুবন চষে বেড়ানো তরুণী বাড়ি ফিরে আগে ডালভাত খেতে চান

আকাশপথে একাই ভুবন চষে বেড়ানো তরুণী বাড়ি ফিরে আগে ডালভাত খেতে চান

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

২৩ বছরের মেয়েটা আকাশ ছুঁয়ে ঘুরে বেরিয়েছে বিশ্ব। কার্যত একা, একটা ছোট্ট বিমানে চড়েই অসাধ্য সাধন করেছেন আরোহী পণ্ডিত। গর্বিত করেছেন দেশকে। অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছেন সারা বিশ্বের নারীদের।

সব মিলিয়ে গত ১০ মাসে ১২০ ঘণ্টা বিমান চালিয়েছেন মুম্বইয়ের এই তরুণী। পেরিয়েছেন ১৮টি দেশ ও ৩৭ হাজার কিমি পথ। তরুণীর এহেন কীর্তিতে তৈরি হয়েছে নয়া ইতিহাস। গত সোমবার সকাল‌ ৬টা ২৯ মিনিটে প্রথম ভারতীয় মহিলা, সম্ভবত বিশ্বের প্রথম মহিলা হিসেবেই অতলান্তিক মহাসাগর পেরিয়ে সে এসে পৌঁছেছে কানাডার ইকালুইত বিমানবন্দরে।

পরিবেশ-বান্ধব, অত্যন্ত হালকা সাইনাস ৯১২ মডেলের ওই স্পোর্টস এয়ারক্র্যাফট একা একাই চালিয়ে সমুদ্রের উপর দিয়ে উড়েছেন আরোহী। বিমানটি সিঙ্গল ইঞ্জিন ও টু সিটার। নাম ‘মাহি’। অত্যাধুনিক সুযোগসুবিধাযুক্ত এই বিমানে রয়েছে বিশেষ স্যাটেলাইট ট্র্যাকার্স।

ছোটবেলা থেকেই আরোহীর স্বপ্ন ছিল আকাশো ওড়ার। বম্বে ফ্লাইং ক্লাবে পেশাদার বিমান চালকের লাইসেন্স পাওয়ার সময়ই আরোহী ও তাঁর বন্ধু কেইথাইর মিসকুইত্তার আলাপ। শেষ পর্যন্ত আট জন আবেদনকারীর মধ্যে থেকে নির্বাচিত হন দুই বন্ধু। সার্বিয়ায় চলে প্রশিক্ষণ। তারপর ২০১৮-র ৩০ জুলাই আরোহী ও তাঁর বন্ধু মিসকুইত্তা যাত্রা শুরু করেন একসঙ্গে।

পাতিয়ালা থেকে যাত্রা শুরু করে পঞ্জাব, রাজস্থান হয়ে পাকিস্তানে প্রবেশ করে ক্রমে ইরান, তুর্কি, সার্বিয়া, জার্মানি, ফ্রান্স, ব্রিটেন ইত্যাদি পেরিয়ে তাঁরা হাজির হন আইসল্যান্ডে। সেটাই তাঁদের অভিযানের প্রথম ধাপ। পরের ধাপে অবশ্য একাই নির্বাচিত হন আরোহী। কারণ, একার বেশি বিমানে চড়া সম্ভব ছিল না। অক্সিজেন সিস্টেম, লাইফ জ্যাকেট ইত্যাদি রাখার পরে তার বেশি আর জায়গা ছিল না বিমানে।

এরপর একা একাই উড়ে চলা। নীচে ঘন নীল সমুদ্র। মাথার উপরে স্বচ্ছ নীল আকাশ। আর তার মাঝে একটা ছোট্ট বিমানে চড়ে পেরিয়ে যাওয়া দীর্ঘ পথ। স্কটল্যান্ড থেকে কানাডা। মাঝে কয়েক জায়গায় ছোট্ট বিরতি। অসামান্য কীর্তি গড়ে আরোহী এক সর্বভারতীয়সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘‘আমি অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছি যে দেশের জন্য ও সমস্ত নারীদের জন্য আমি এটা করতে পেরেছি।’’ মাঝের বিরতিগুলোতে নিজের আইফোনও ম্যাকবুকে সিনেমা ও ডকুমেন্টরি দেখে সময় কাটিয়েছেন।

অবশেষে দেশে ফেরা। কী ইচ্ছে করছে এখন? ‘‘বাড়ি গিয়ে প্রথমেই হলুদ ডাল ও ভাত খেতে চাই।’’ জানাচ্ছেন আরোহী।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Handpulled_Rikshaw_of_Kolkata

আমি যে রিসকাওয়ালা

ব্যস্তসমস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে কাটিয়ে হেলেদুলে যেতে আমার ভালই লাগে। ছাপড়া আর মুঙ্গের জেলার বহু ভূমিহীন কৃষকের রিকশায় আমার ছোটবেলা কেটেছে। যে ছোট বেলায় আনন্দ মিশে আছে, যে ছোট-বড় বেলায় ওদের কষ্ট মিশে আছে, যে বড় বেলায় ওদের অনুপস্থিতির যন্ত্রণা মিশে আছে। থাকবেও চির দিন।