তিন বছর অন্তর কবর খুঁড়ে মৃতদেহদের সাজিয়ে দেওয়াই রীতি !

তিন বছর অন্তর কবর খুঁড়ে মৃতদেহদের সাজিয়ে দেওয়াই রীতি !

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

মৃত্যুর পর মৃতদেহের সৎকার করাই রীতি। ধর্ম ও আচার-অনুষ্ঠান ভেদে এই সৎকারের নিয়ম এক এক জায়গায় এক এক রকম। কেউ মৃতদেহ আগুনে পুড়িয়ে দেন, কেউ আবার সমাহিত করেন। কিন্তু পৃথিবীতে এমন জায়গাও রয়েছে যেখানে মৃতদেহ সমাহিত করার পর তাকে কবর থেকে তুলে এনে চলে বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান।

ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি পাহাড়ের গ্রামবাসীরা পাহাড়ের অন্তর্গত তোরাজা উপজাতির মধ্যে রয়েছে এক অদ্ভুত রেওয়াজ। সেখানকার মানুষরা মারা গেলে তাঁদের সমাহিত করার পর আবার কবর খুঁড়ে তুলে আনা হয়। এরপর তাকে ঘিরে চলে অনুষ্ঠান। তাঁদের কথায়, কবর থেকে মৃতদেহ তুলে আনাও শেষকৃত্যের অনুষ্ঠানের মধ্যেই পড়ে। একবার নয়, এইভাবে কবর থেকে প্রতি তিন বছর অন্তর মৃতদেহ বের করে এনে চলে আচার-অনুষ্ঠান। শতাব্দী প্রাচীন এই রীতির নাম ‘মানেনে’।

ইন্দোনেশিয়ার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায় যে, প্রত্যেক তিন বছর অন্তর নিজের মৃত প্রিয়জনদের কবর খুঁড়ে বের করে নিয়ে আসেন তোরাজা উপজাতির মানুষরা। মৃতদেহের পরনের পুরনো মলিন কাপড় বদলে দিয়ে পরানো হয় নতুন পোশাক। নিজেদের মৃত প্রিয়জনদের দেহ সুন্দর করে সাজিয়ে-গুছিয়ে রীতিমতো হাঁটিয়ে বাড়ি নিয়ে যান। শুধু তাই নয়, মৃত ব্যক্তিটি যে পেশায় নিযুক্ত ছিলেন, তাদের সাজানোর সময়েও সেই বিষয়টি মাথায় রাখা হত। বাড়ি ফিরেও পালন করা হয় নানা আচার-অনুষ্ঠান। পুনরায় মৃতদেহকে সমাহিত করার আগে কফিনটিকেও মেরামত করে সুন্দর করে সাজিয়ে দেওয়া হয়।

কিন্তু কেন পালিত হয় এই অদ্ভুত রীতি ? তোরাজা উপজাতিদের বিশ্বাস, মৃত্যুতেই জীবনের শেষ হয় না। তাঁদের ধারণা মৃত্যু আসলে আধ্যাত্মিক জীবনে প্রবেশের একটি পর্যায়। তোরাজা উপজাতির মানুষরা মনে করেন, মৃত্যুর পর তাঁদের প্রিয়জনদের আত্মা ঘরে ফিরে আসে। তাই নিজেদের পরিচর্যার পাশাপাশি মৃত প্রিয়জনরা কেমন আছেন তা দেখতেই কবর থেকে দেহ তুলে আনাই রীতি। নিজের মৃত আত্মীয়ের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতেই প্রায় একশো বছরেরও বেশি সময় ধরে তোজারানরা পালন করে আসছেন এই রীতি।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Handpulled_Rikshaw_of_Kolkata

আমি যে রিসকাওয়ালা

ব্যস্তসমস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে কাটিয়ে হেলেদুলে যেতে আমার ভালই লাগে। ছাপড়া আর মুঙ্গের জেলার বহু ভূমিহীন কৃষকের রিকশায় আমার ছোটবেলা কেটেছে। যে ছোট বেলায় আনন্দ মিশে আছে, যে ছোট-বড় বেলায় ওদের কষ্ট মিশে আছে, যে বড় বেলায় ওদের অনুপস্থিতির যন্ত্রণা মিশে আছে। থাকবেও চির দিন।