ফুসফুসের ক্যান্সারের চিকিৎসায় যুগান্তকারী নতুন দিশা

ফুসফুসের ক্যান্সারের চিকিৎসায় যুগান্তকারী নতুন দিশা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

কর্কটরোগের কবল থেকে মুক্তি পেতে চিকিৎসাবিজ্ঞানে অনেক নতুন চিকিৎসা পদ্ধতির উদ্ভাবন ঘটেছে। এর মধ্যে একেবারে সাম্প্রতিক এবং নবতম সংযোজন হল, ইনহেলার কেমোথেরাপি। সম্প্রতি ফুসফুসের ক্যান্সারের চিকিৎসায়ে ইনহেলার কেমোথেরাপি কতখানি কার্যকর হয়ে উঠতে পারে, সেই নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছেন গবেষকরা।

গবেষকরা জানিয়েছেন, ইনহেলার কেমোথেরাপির ক্ষেত্রে কেমো শরীরে ইনজেক্ট করার প্রয়োজন নেই। বরং সাধারণ ইনহেলারের মতো ইনহেল করলেই তা কাজে দেবে। অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব টেকনলজির ফার্মাসিউটিক্যাল গবেষক নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, সমস্ত রকমের ক্যান্সারের মধ্যে ফুসফুসের ক্যান্সার সব থেকে মারাত্মক, যা বর্তমানে মারণ আকার ধারণ করেছে। তাঁর মতে, ফুসফুসের ক্যান্সারের হাত থেকে মুক্তি পেতে ইনহেলারের মাধ্যমে কেমো সরাসরি নিঃশ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে চালনা করা খুব সহজ হয়েছে। এর ফলে চিকিৎসার ফলও পাওয়া যাচ্ছে খুব দ্রুত।

ইনহেলারের মাধ্যমে কেমো নেওয়ার পদ্ধতিকে চিকিৎসার পরিভাষায় বলা হচ্ছে টার্গেটেড কেমোথেরাপি। এই ইনহেলেশন পদ্ধতিতে এক ধরণের শুষ্ক পাউডার ব্যবহার করা হচ্ছে যা নিঃশ্বাসের সঙ্গে শ্বাসযন্ত্রের নীচের ট্র্যাকে পৌঁছে যাবে এবং ধীরে ধীরে রক্তপ্রবাহের মাধ্যমে সারা শরীরে ছড়িয়ে যাবে। ফার্মাসিউটিক্যাল গবেষক নজরুল ইসলাম আশা করছেন, এই ইনহেল কেমোথেরাপিই ভবিষ্যতে ফুসফুসের ক্যান্সারের চিকিৎসায়ে এক অন্য মাত্রা যোগ করবে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Handpulled_Rikshaw_of_Kolkata

আমি যে রিসকাওয়ালা

ব্যস্তসমস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে কাটিয়ে হেলেদুলে যেতে আমার ভালই লাগে। ছাপড়া আর মুঙ্গের জেলার বহু ভূমিহীন কৃষকের রিকশায় আমার ছোটবেলা কেটেছে। যে ছোট বেলায় আনন্দ মিশে আছে, যে ছোট-বড় বেলায় ওদের কষ্ট মিশে আছে, যে বড় বেলায় ওদের অনুপস্থিতির যন্ত্রণা মিশে আছে। থাকবেও চির দিন।