‘মৃত’ বাবার আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা চালাচ্ছেন আইপিএস ছেলে

‘মৃত’ বাবার আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা চালাচ্ছেন আইপিএস ছেলে

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

বাবাকে মৃত বলে ঘোষণা করেছে হাসপাতাল। কিন্তু তাঁর পরেও বাবাকে বাড়িতে এনে একমাস ধরে তাঁর আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা চালিয়ে গেল ছেলে! এমনই অবাক করা ঘটনা ঘটেছে ভোপালে। সেখানকার নামী হাসপাতাল এক বৃদ্ধকে মৃত বলে ঘোষণা করেছিল এবং তাঁর ডেথ সার্টিফিকেটও দিয়েছিল ! পেশায় আইপিএস-এর শীর্ষ আধিকারিক ওই ছেলে মৃত বাবাকে বাড়িতে এনে এক মাস ধরে তাঁর আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা চালাল।

১৯৮৭-র ব্যাচের আইপিএস অফিসার রাজেন্দ্র কুমার মিশ্রের বাবা ৮৪ বছরের কে এম মিশ্র গত ১৩ জানুয়ারি ফুসফুসের সমস্যা নিয়ে  ভর্তি হন ভোপালের বনসল হাসপাতালে। হাসপাতালের রেকর্ড বলছে, ১৪ জানুয়ারি হাসপাতালের পক্ষ থেকে ওই বৃদ্ধকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তারপর রাজেন্দ্র কুমার মৃত বাবাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন। সেখানেই আয়ুর্বেদিক চিকিত্‍‌সা শুরু করেন বাবার।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে যখন রাজেন্দ্র কুমার-এর বাড়িতে কয়েকজন স্পেশাল আর্মড ফোর্সের কনস্টেবল নিযুক্ত করা হয়। রাজেন্দ্রর দাবি, তাঁর বাবা আয়ুর্বেদিক চিকিত্‍‌সায় সাড়া দিচ্ছিলেন। হাসপাতাল কী বলেছে সে বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি তিনি। সংবাদমাধ্যম তাঁর বাড়িতে গেলে তাঁদেরও ঢুকতে দেননি আইপিএস-এর এই শীর্ষ আধিকারিক। তিনি আরও দাবি করেন যে, এটি তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়। তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়ে নজরদারি করা মিডিয়ার কাজ নয়। তাছাড়া প্রায় ৩১ দিন হতে চলল তিনি তাঁর বাবাকে বাড়িতে নিয়ে এসে তিনি বৈদ্য দিয়ে বাবার চিকিৎসা করাচ্ছেন। এতদিন ধরে তাঁরা বাবার ওপর যে অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা চালানো হয়েছে, তার জন্য শরীরে যে টক্সিন তৈরি হয়েছে, আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার সাহায্যে শরীর থেকে সেইসব টক্সিন বেরিয়ে আসছে। তাঁর বাবার মৃত্যু নিয়ে মিডিয়া ভুয়ো খবর না ছড়িয়ে পারলে কোনওভাবে সাহায্য করুক তাঁকে, এমনটাই দাবি তাঁর। তিনি আশা করছেন, এখনও তাঁর বাবা সুস্থ হয়ে উঠবেন। কিন্তু কবে সুস্থ হয়ে উঠবেন সে প্রশ্ন অধরা। তাঁর বাবা কি আদৌ জীবিত নাকি সম্পূর্ণ সাজানো- এর উত্তরও জানা যায়নি।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Handpulled_Rikshaw_of_Kolkata

আমি যে রিসকাওয়ালা

ব্যস্তসমস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে কাটিয়ে হেলেদুলে যেতে আমার ভালই লাগে। ছাপড়া আর মুঙ্গের জেলার বহু ভূমিহীন কৃষকের রিকশায় আমার ছোটবেলা কেটেছে। যে ছোট বেলায় আনন্দ মিশে আছে, যে ছোট-বড় বেলায় ওদের কষ্ট মিশে আছে, যে বড় বেলায় ওদের অনুপস্থিতির যন্ত্রণা মিশে আছে। থাকবেও চির দিন।