গরমে ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করেন? জেনে নিন কতটা ঝুঁকিপূর্ণ এটি…

চিটচিটে গরমে ঘামের হাত থকে মুক্তি পেতে গায়ে ঢেলে নেন সুগন্ধী ট্যালকম পাউডার? জানেনও না নিজের শরীরের জন্য এটি কতখানি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

* ত্বকের সমস্যা- গরমে ঘামের হাত থেকে মুক্তির পথ হিসেবে বেছে নেন ট্যালকম পাউডার। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে, ট্যালকম পাউডার ব্যবহারের ফলে ত্বক রুক্ষ হয়ে যেতে পারে। শুধু তাই নয়, ট্যালকম পাউডার শরীরে রোমকূপের মুখগুলি বন্ধ করে দেয়। ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়।

* শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা- ট্যালকম পাউডারের ছোট ছোট কণা শরীরের মধ্যে প্রবেশ করলে তা শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে যাঁদের হাঁপানির সমস্যা রয়েছে, তাঁদের এই ধরণের ট্যালকম পাউডারের থেকে দূরে থাকা উচিত। তবে শুধু বড়রাই নয়, ট্যালকম পাউডারের কণা যদি কোনও শিশুর নাসারন্ধ্রের মধ্যে প্রবেশ করে তাহলে ছোট থেকেই শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।

* ফুসফুসের সমস্যা- ট্যালকম পাউডার ফুসফুসের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। যদি  নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে ট্যালকম পাউডারের সুক্ষ্ম কণা নাসারন্ধ্রের মধ্যে দিয়ে ফুসফুসে প্রবেশ করে তাহলে তা ফুসফুসের দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা সৃষ্টি করে। যা ট্যালকোসিস নামে পরিচিত। যাঁদের প্রথম থেকেই ট্যালকম পাউডারের ব্যবহারে হাঁচি এবং কাশির সমস্যা দেখা দেয় তাঁদের উচিত এর থেকে দূরে থাকা।

* ওভারির ক্যান্সার- বেশিরভাগ নামি ব্র্যান্ডের পাউডারে প্রচুর মাত্রায় স্টার্চ থাকে, যা শরীরে বিভিন্ন অংশ জমতে জমতে সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। তাই যারা মনে করেন পাউডার ব্যবহার করলে সংক্রমণ থেকে দূরে থাকা যায়, তাদের ধারণা সম্পূর্ণ ভুল৷ পাউডারের সঙ্গে ওভারিয়ান ক্যানসারের সরাসরি যোগ রয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে যদি কেউ শরীরের গোপন অংশে পাউডার লাগান, তাহলে এক সময় গিয়ে ওভারিয়ান ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।

* এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যান্সার- বিশেষজ্ঞরা বলেন যেসব মহিলারা নিয়মিত ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করেন তাঁরাই এই মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Please share your feedback

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Illustration by Suvamoy Mitra for Editorial বিয়েবাড়ির ভোজ পংক্তিভোজ সম্পাদকীয়

একা কুম্ভ রক্ষা করে…

আগের কালে বিয়েবাড়ির ভাঁড়ার ঘরের এক জন জবরদস্ত ম্যানেজার থাকতেন। সাধারণত, মেসোমশাই, বয়সে অনেক বড় জামাইবাবু, সেজ কাকু, পাড়াতুতো দাদা