লক্ষ্যপূরণে বিয়ের পরেও চাকরিত্যাগ‚ দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করা যুবক বিভোর দেশের স্বপ্নে

ছোটবেলা কেটেছে গুজরাতের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে। বাবা ছিলেন ড্রাইভার। দারিদ্রের সঙ্গে লড়াই করে সেই ছেলেই আজ ৩৩ বছরের যুবক জয়েশ মাকওয়ানা। সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় সাফল্য পেয়ে তিনি চমকে দিয়েছেন সকলকে।

বাবা মারা গিয়েছিলেন ২০০৪ সালে। তারপরে পুরো পরিবারের অর্থনৈতিক দায়িত্ব এসে পড়ে তাঁর ঘাড়ে। ছোট থেকেই পড়াশোনায় অসম্ভব ভাল ছিলেন জয়েশ। পড়াশোনা চালাতেন বৃত্তি পেয়ে। বাবার অবর্তমানে পরিবারের দায়িত্ব মাথা পেতে নেন তিনি। ইঞ্জিনায়িরং পাশ করে ২০০৯ সালে বিএসএলএল-এ চাকরি করতে শুরু করেছিলেন। সকলের বিয়ে দিয়ে অবশেষে ২০১৫ সালে বিয়ে করেন।

কিন্তু ২০১৭ সালে সেই চাকরি ছেড়ে দেন। ঝাঁপিয়ে পড়েন সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় সাফল্য পেতে। গুজরাত পাবলিক সার্ভিস এগজামিনেশনে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন গত বছর। সেই সময় তাঁকে ডেপুটি সুপারিটেন্ডেন্টের পদ দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি সেই পদটি নিতে চাননি। আরাবল্লী জেলায় কর আধিকারিকের পদ নেন। জয়েশ আত্মবিশ্বাসী তিনি আইএএস বা আইএফএস হবেন। দলিত সম্প্রদায়ভুক্ত এই যুবক স্বপ্ন দেখেন তাঁর মতোই আরও অনেক তরুণ জনসেবার কাজ করবেন। সুন্দর করে গড়ে তুলবেন দেশটাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

কফি হাউসের আড্ডায় গানের চর্চা discussing music over coffee at coffee house

যদি বলো গান

ডোভার লেন মিউজিক কনফারেন্স-এ সারা রাত ক্লাসিক্যাল বাজনা বা গান শোনা ছিল শিক্ষিত ও রুচিমানের অভিজ্ঞান। বাড়িতে আনকোরা কেউ এলে দু-চার জন ওস্তাদজির নাম করে ফেলতে পারলে, অন্য পক্ষের চোখে অপার সম্ভ্রম। শিক্ষিত হওয়ার একটা লক্ষণ ছিল ক্লাসিক্যাল সংগীতের সঙ্গে একটা বন্ধুতা পাতানো।