‘কলঙ্ক’ দেখে মনে পড়ে গেল ফার্স্ট-হয়েও-ফেল-করে-যাওয়া এক রূপসীর কথা!

বছর কয়েক আগের কথা এটা। মেয়েটার নাম ইচ্ছে করেই লিখছি না আর আমি। শুধু এটুকু লিখি যে, বাংলা চ্যানেলে জনপ্রিয় এক নাচের শোয়ে একের পর এক সুপার্ব সব পারফরম্যান্স দেখিয়ে সে বছর ফার্স্ট হয়েছিল সে। আর এটা যদি তার গুণের হিসেব হয় তো এবার তাহলে রূপের হিসেব শুনুন! যেমন ফর্সা ঝকঝকে তার রং, সেরকম নজরকাড়া সুন্দরী মুখ তার! আর তার সঙ্গে চমৎকার ছিপছিপে স্লিম ফিগার!

এখন এমন হলে এরপর যেটা হতে পারে, ঠিক সেটাই হল তখন। মেয়েটিকে চ্যানেল থেকে ডাকা হল নতুন একটা বাংলা সিরিয়ালের নাম ভূমিকায় অভিনয় করার জন্য। কথা পাকা করার আগে নিয়মমাফিক একদিন অডিশনের জন্য আসতে বলা হল তাকে।

সেই অডিশনের দিনটা এখনও স্পষ্ট মনে আছে। সেদিন সেই মেয়েটির অবস্থা দেখে হাঁ হয়ে যাই আমি! মাসের পর মাস ধরে টিভি শোয়ে নাচের যুদ্ধ চালিয়ে এসেছে যে, অভিনয়ের অডিশন দিতে এসে ছড়িয়ে মাঠ করে দিল সে! কী করবে বলুন, খুব চেষ্টা করেও মুখে কোন ইমোশনের ছাপ ফোটে না যে তার!

এরপর সেই সিরিয়ালে আর সুযোগ পায় নি সে। চোখ জুড়নো রূপ যতই থাক না কেন, অভিনয়ের গুণ মেপে খুব তাড়াতাড়ি তাকে ‘স্যরি’ বলে দেয় চ্যানেল।

‘কলঙ্ক’ দেখতে গিয়ে হঠাৎ দেখলাম মনে পড়ছে সেই রূপসী মেয়ের মুখ। চোখের ওপর যেন দেখতে পাচ্ছি অডিশনের দিন! মনে পড়ছে সেই মোমেন্টটা যে, রাগ, দুঃখ, কান্না, যন্ত্রণা, চাপা অভিমান, ডায়ালগ হাতে ধরিয়ে দিয়ে যেটাই তাকে ইমোট করতে বলা হচ্ছে, তার মুখ তত হয়ে পড়ছে নিথর এক ম্যানিকুইনের মতো!

‘কলঙ্ক’ দেখতে গিয়ে এগুলো সব মনে পড়ছিল, তার কারণ বোধহয় এইটে যে, পুরো ‘কলঙ্ক’ সিনেমাটা ইটসেল্‌ফ হল তাই! যে কোন ফ্রেম তাকিয়ে দেখুন, চোখ ঝলসানো রূপ! কিন্তু সিনেমা একটু দেখার চেষ্টা করলে দেখতে পাবেন, দেখতে যতই ভাল হোক না, কোন আবেগ ফুটে উঠছে না স্ক্রিনে!

সিনের পর সিন হয়ে যাচ্ছে, সেখানে মাধুরী দীক্ষিত বা আলিয়া ভাটের মতন অভিনেত্রীও আছেন! কিন্তু এ এমন এক সিনেমা যে, তাঁদের মত অভিনেত্রীরও কারুর মুখে ইমোশন নেই কোন! সব যেন নাচ কনটেস্টে ফার্স্ট হওয়া সেই মেয়েটার মতো! যে সিনই করতে বলা হোক না কেন মুখ যেন সব রোবট কিংবা পুতুল হয়ে গেছে! মরে গেলেও সেখানে এক্সপ্রেশন বা ইমোশন নেই কোন!

১৯৪২ সালের পটভূমিকায় প্রেমের গল্প এটা। সঙ্গে আবার বহু পুরনো প্রতিশোধের পাঞ্চ! দেখতে দেখতে মনে হচ্ছিল, এই সিনেমা করার আগে ‘1942 আ লাভ স্টোরি’ (১৯৯৪) দেখে নিলেন না কেউ? ইতিহাসের ওই টাইম ফ্রেম রি-ক্রিয়েট করে ‘লার্জার দ্যান লাইফ’ গল্প কী ভাবে বলতে হবে, পঁচিশ বছর আগে তৈরি ওই ছবি তো তার মডেল হতে পারে!

‘কলঙ্ক’ হচ্ছে যাকে বলে পুরো সো-কল্‌ড মেনস্ট্রিম ছবি। চোখ ধাঁধিয়ে দেওয়া সেট, তার সঙ্গে একটু পরপরই কয়েকশো এক্সট্রা নিয়ে হৈ-হৈ নাচা-গানা। এরকম মেগাস্কেলের সিনেমা দেখতে এমনিতে তো হেভি লাগে আমার। বরুণ ধাওয়ানের ‘ফাস ক্লাস’ বলে গানটা যখন হচ্ছে, হল-এ দেখলাম সিটিও পড়ছে বেশ, সঙ্গে তুমুল উল্লাসের ধ্বনি! সে সব ঠিক আছে, কিন্তু দাদা, ছবির গল্পটা তো এমন ভাবে বলতে হবে যে, স্ক্রিনে সেটা দেখতে গিয়ে যেন এনগ্রস্‌ড হয়ে যাই! ‘কলঙ্ক’ নামে ছবিটায় আসল ঘাটতি তো হল সেটার।

ছবির শুরুতে একটা সিনে এক বাড়ির ছাদ থেকে পাশের বাড়ির ছাদে তুমুল একটা লাফ দেয় ছবির নায়িকা রূপ (আলিয়া ভাট)। হুটোহুটি করে খেলছে মেয়েটা তখন, তাই এরকম সিন। দুটো শটে ভেঙে দেখান হয়েছে এটা, তার মধ্যে প্রথম শটটা দেখে মনে হচ্ছিল ছাদের রেলিং ফস্কে গিয়ে মাটিতে বোধহয় পড়েই যাবে রূপ! দুটো বাড়ির মধ্যে গ্যাপ এতটা বেশি! ওমা, পরের শটে দেখতে পেলাম ও গিয়ে ঠিক ল্যান্ড করে গেছে পাশের বাড়ির ছাদে! দেখে তখন মনে হচ্ছিল, ‘সমাপ্তি’র (১৯৬১) মৃন্ময়ীর কাছেও এই মেগা-লাফ ইমপসিবল হতো!

কিন্তু এরপর এটা দেখে তো ঘাবড়ে গেলাম যে, এরকম ডানপিটে এক মেয়ে কিনা বলতে গেলে এক কথাতে রাজি হয়ে গেল হেভি বড়লোক দেব চৌধুরীর (আদিত্য রায় কাপুর) দ্বিতীয় বৌ হতে!

দেব চৌধুরীর প্রথম বৌ সত্য (সোনাক্ষী সিনহা) তখনও বেঁচে। ডাক্তার তাঁকে নিদান দিয়েছে, তাঁর ক্যান্সারের যা হাল, তিনি নাকি বড়জোর আর বছর দুয়েক আছেন। সেটা শোনার পর সত্য নিজে গেলেন রূপের কাছে নিজের সংসারে তাঁকে তুলবেন বলে এনে!

আচ্ছা স্টোরির এই অংশটা ‘চাঁদনী’ (১৯৮৯) থেকে ইন্সপায়ার্ড নাকি? মারা যাওয়ার আগে ললিতকে দেবিকা কী প্রমিস করিয়ে গেছিল সেখানে, মনে আছে তো, নাকি?

যাই হোক, এই সিনেমায় ফিরুন। সত্য চেয়েছিল, যে ক’দিন ও বেঁচে রয়েছে রূপ এমনি এসে থাকুক ওদের কাছে। এই সময়টা দেব চৌধুরীকে চিনুক এবং জানুক। তারপর সত্য মারা গেলে দেবের সঙ্গে বিয়ে হয়ে যাক ওর। রূপ দেখলাম, এই রিস্কটা নিতে চায় না আদৌ। সত্য মারা যাওয়ার পরে দেব যদি ওকে আর বিয়ে না করতে চায়! তার চেয়ে ওই বাড়িতে থাকতে হলে, দেবকে এখনই ওকে বিয়ে করতে হবে!

এবং সঙ্গে সঙ্গে হয়েও গেল বিয়ে!

এত বড় একটা ঘটনা নিয়ে এমন স্কেলের এক ছবিতে আবেগের যত আপ আর ডাউন হতে পারে, এখানে তার কণামাত্র নেই! পুরো ব্যাপারটা হয়ে গেল দ্রুত কোন মন্তাজের মতো প্রায়!

দেব চৌধুরীর রাজপ্রাসাদে এসে ঢুকে পড়ল তার ছোট বৌ সেই রূপ। বর একবারও মুখ দেখে নি তার, সেও একবারও মুখ দেখে নি বরের! সুহাগ রাতে বর তাকে শুনিয়ে দিল, ‘ইস রিস্তেমে ইজ্জত হোগি, পেয়ার নেহি হোগা’! কাঠ-কাঠ এই সিনগুলো দেখতে দেখতে মনে হচ্ছিল এরা রক্ত-মাংসের মানুষ নাকি প্রি-প্রোগ্রাম্‌ড অ্যানড্রয়েড মেশিন-টেশিন কিছু!

অসুখী এই বিয়ের পর নতুন একটা শখ গজাল রূপের। দিন কয়েক আগেও মাঠে-ঘাটে লাফিয়ে বেড়াত যে, সে এখন বেশ্যালয় হীরামাণ্ডিতে বাহার বেগমের (মাধুরী দীক্ষিত) কাছে গিয়ে গান শিখতে চায়!

এই অবধি দেখেশুনে মনের মধ্যে কী যে সব বেয়াড়া কথা আসে! একবার যেমন মনে হচ্ছিল, এই বেশ্যালয় কি ওর বাড়ির লাগোয়া কোন পাড়া নাকি যে, নিজের ঘরে বসে বসেই রূপ শুনতে পেল বাহার বেগমের গান? তারপরই আবার মনে হচ্ছিল, বেশ্যালয় যদি কাছেই হবে এত, সেখানে যেতে ওকে কখনও ঘোড়ার গাড়িতে কখনও আবার নৌকোতে উঠতে হয় কেন?

খুব জেদাজেদি করার পরে বাহার বেগমের কাছে গান শেখার অনুমতি পেল ও। ওমা, তার সঙ্গে আবার স্টাফ হিসেবে জয়েন করল ওর বর যে কাগজ চালায়, ‘দ্য ডেলি টাইম্‌স’ নামের সেই কাগজটাতেও! কখন যে ঠিক অফিসে কাজ করতে যাচ্ছে রূপ, আর কখন গান শেখার জন্যে যাচ্ছে হীরামাণ্ডিতে, সময় মেপে সে সব হিসেব আবার করতে যাবেন না যেন!

হীরামাণ্ডি যেতে আসতে জাফর (বরুণ ধাওয়ান) নামে এক কামারের সঙ্গে প্রেম হয়ে গেল ওর! প্রেমটা শুরুও খুব অদ্ভুত ভাবে হল। বারকয়েক রূপের হাত ধরে টেনে কিছু ডায়ালগ দিল জাফর, আর রুখে দাঁড়িয়ে অহং নাড়িয়ে রূপ বলল, ‘ম্যায় শাদিশুদা হুঁ’ – আর তারপরেই দেখলাম শুরু হয়ে গেছে প্রেম!

এরপর আবার এটা জানা গেল যে, এই জাফর হল বলরাজ চৌধুরী (সঞ্জয় দত্ত) আর বাহার বেগমের অবৈধ প্রেমপিরীতির ফল। এই বলরাজ চৌধুরীই হলেন আবার দেব চৌধুরীর বাবা। অর্থাৎ রূপ এখন এক ভাইয়ের অফিসিয়াল বৌ আর আরেক ভাইয়ের গোপন প্রেমিকার মতো!

এই অবধি শোনার পর দেখবেন গল্পটা মহাকাব্যের ছকে দিব্যি বসিয়ে নেওয়া যায়। একদিকে অর্জুন, একদিকে কর্ণ আর দুজনের মধ্যে এক নারীকে নিয়ে ঈর্ষা-প্রেমের ত্রিকোণমিতি খেল।

আবার একেকবার তো মনে হচ্ছিল বেসিক প্লট ঝেঁপে তুলে আনা হয়েছে ‘চারুলতা’ (১৯৬৪) ছবি থেকে। সেখানেও খবরের কাগজের এডিটরের সাতমহলা বাড়ি, সেই বাড়িতে একলা থাকে এডিটরের নিঃসঙ্গ বৌ, তারপর সেই একলা বৌয়ের লেখালেখি করা শুরু, আর তার পাশাপাশি তুতো দেওরের সঙ্গে প্রেম!

খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন কী এল না এল, সেটা নিয়ে দুই ছবিতেই কাগুজে এডিটরদের উদ্বেগ দেখতে পাবেন আপনি। দুই ছবির দুই এডিটরের কেউই লাস্ট সিনের আগে এটা বুঝতে পারেন নি যে, ওপর ওপর যতই প্রেম থাক না কেন, তলায় তলায় তুতো এক ভাইয়ের কাছে লুঠ হয়ে গেছে বৌ।

তবে ‘চারুলতা’ হল সর্বকালের ক্লাসিক, আর ‘কলঙ্ক’ হলো এমন সিনেমা যে দেখতে গিয়ে মাথা ধরে যেতে পারে!

রাজপরিবারের গল্প হচ্ছে, তাই সিনে-সিনে গ্র্যাঞ্জার এত, না হয় মেনেই নিলাম সেটা। তাই বলে মৃত্যুশয্যায় শোয়া মেয়েটিও পরিপাটি করে মেক আপ চাপিয়ে পটের বিবি সেজে রয়ে যাবে? মাথায় কালার করা চুল, গুছিয়ে প্লাক করা ভুরু, দেখে মনে হচ্ছিল পিরিয়ড পিস বলে কী জিনিষ এটা তৈরি হয়েছে গুরু!

হিন্দু মেয়ে রূপ। ছবির শুরু থেকে শেষ অবধি নিজেকে ‘শাদিশুদা’ বলে সে। অথচ পুরো ছবিতে কোন দৃশ্যে সে কখনও সিঁদুর পরে না কেন? দেবের প্রথম বৌ সত্যকে কিন্তু সিঁথিতে সিঁদুর দিতে দেখি!

এই সিঁদুর-দেওয়া-না-দেওয়ার ধাঁধাটা যেমন বুঝতে পারি না, সেরকম বুঝতে পারি না, হঠাৎ করে পেশায় কামার জাফর গ্ল্যাডিয়েটরের স্টাইলে মস্ত এক এরিনায় গিয়ে মোষের সঙ্গে লড়তে নামল কেন! এর রহস্যটা বুঝতে পারলাম পরে। ইন্টারভ্যালের সময় দেখান হল ‘ইমামি ডবল বুল’ সিমেন্টের অ্যাড! সেখানে মোষের সঙ্গে ফাইট করার ওই সিকোয়েন্স দেখিয়ে তারপর বলে দেওয়া হল ‘ইন অ্যাসোসিয়েশন উইথ কলঙ্ক’। ভাবুন একবার কথা! সিমেন্ট কোম্পানির জন্যে ছবিতে সিন পুরে দেওয়া হচ্ছে! এটাকে আপনি সিনেমা বলবেন, না খিচুড়ি বলবেন, ভেবে দেখবেন প্লিজ!

ডিরেক্টর অভিষেক বর্মণ এর আগে বানিয়েছিলেন ‘টু স্টেটস’ (২০১৪)। সেটা কিন্তু দেখতে বেশ ভালই লেগেছে আমার। তাহলে এটায় এমন হড়কে গেলেন কেন? ‘টু স্টেটস’ ছিল নামী লেখকের নভেল থেকে নেওয়া, প্লটের তাই মিনিমাম মা-মাসি জ্ঞান ছিল। আর এটা হল এখান থেকে ওখান থেকে খাপচা খাপচা করে নেওয়া বারো ভূতের স্টোরি। সেই কারণেই কি দুটো ছবির গুণমানে এত ফারাক হয়ে গেল?

মাঝে মাঝে তো মনে হচ্ছিল ডিরেক্টরের মিনিমাম কোন কাণ্ডজ্ঞানও নেই। নাচের সিনে এক্সট্রার দল সেম ইউনিফর্ম পরে নাচতে নেমেছে, বেশ। কিন্তু দাঙ্গা করার সিনে যে লোকগুলো দাঙ্গা করবে, তারাও সব এক রং, এক মাপের ইউনিফর্ম পরে লাইন বেঁধে আসবে? তাদের নেতা ইশারা করলে এক সেকেন্ডে দাঙ্গা থামিয়ে থমকে দাঁড়াবে সব? সিনেমার নামে কী ফাজলামি এটা হল বলুন তো, ভাই?

ছবির একেবারে শেষে একটা ট্রেন স্টেশনের সিন। শহর ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে সবাই, স্টেশনে দাঁড়ানো ট্রেনে তাই থিকথিক করা ভিড়! দরজা ধরে, জানলা ধরে ঝুলছে শুধু মানুষ! ট্রেনের ছাদে অবধি তিলধারণের আর কোন স্পেস নেই। এমন একটা সিচুয়েশনেও হিরো-হিরোইন এসে ট্রেনে ওঠার জন্যে বেশ খালি-খালি একটা কামরা খুঁজে পেয়ে গেল বেশ! শুধু খুঁজেই পেল না, সেই কামরায় ওঠার পর তার দরজায় দাঁড়িয়ে দীর্ঘ দীর্ঘ সময় ধরে প্রেম-ভালবাসার ড্রামা করবারও ফুরসৎ পেয়ে গেল!

আবার বলছি অবাস্তব হিন্দি সিনেমা দেখতে আমার ভালোই লাগে বেশ। সুযোগ পেলে এন. চন্দ্রা বা সুভাষ ঘাইয়ের পুরনো সব সিনেমাগুলো হাঁ করে গিলি আমি। কিন্তু এখানে মেক-বিলিভ সেই মায়া-দুনিয়াটা তো বানাতে পারে নি নির্মাতাদের কেউ!

ছবির একেবারে শুরুতে একটা গান রয়েছে ‘রাজওয়ারি ওড়নি’ বলে। যোনিতা গান্ধীর গাওয়া। সেখানে একটা লাইন রয়েছে ‘লাই দে লাই দে লাই দে’ বলে।

হিন্দিতে এই লাইনটার মানে একেবারে আলাদা। তবে আমার মনে হচ্ছিল এই পার্টিকুলার লাইনটা যেন বাংলা ভাষায় গাওয়া। ডিরেক্টর যেন দর্শককে রিকোয়েস্ট করছেন এরকম আনাড়ি হাতে তৈরি ছবিকে একটু ‘লাই’ দেওয়ার জন্য।

সেই ‘লাই’টা আমি দিতে পারলাম না ভাই, স্যরি!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here