ঈষার বিয়েতে ১৫ দিনে উঠেছে ১.২ লক্ষ ছবি ! আলোকচিত্রী বহুদিন অবধি জানতেনই না কার ছবি তোলার বরাত পেয়েছেন

ঈষার বিয়েতে ১৫ দিনে উঠেছে ১.২ লক্ষ ছবি ! আলোকচিত্রী বহুদিন অবধি জানতেনই না কার ছবি তোলার বরাত পেয়েছেন

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

ধনকুবের ব্যাবসায়ী মুকেশ আম্বানির মেয়ে ঈষা আম্বানি ও আনন্দ পিরামলের বিয়ে এখন সর্বত্র চর্চার বিষয় | কারণ বিশ্বের অন্যতম বিশেষ বিশেষ অতিথিদের আগমনে বিয়েতে বসেছিল রীতিমত চাঁদের হাট | বলিউড থেকে হলিউড বাদ যায়নি কিছুই | প্রাক বিবাহ অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক তারকা বিয়ন্সে তালে তালে দুলিয়েছেন সবাইকে | এমনকি মার্কিন বিদেশ সচিব হিলারি ক্লিণ্টনকেও হিন্দি গানের তালে কোমর দোলাতে দেখা গেছে | 

বিবাহ অনুষ্ঠানের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ বিয়ের ছবি | সময় তো কেটে যায় কিন্তু ছবিতে ধরা থাকে যাপনের স্মৃতি | আর বিয়ে যখন মুকেশ আম্বানির মেয়ে ঈষা আম্বানির তখন কি আর ছবি নজর কাড়বে না ? 

ঈষা আম্বানি ও আনন্দ পিরামলের বিয়ের যাবতীয় ছবির আলোকচিত্রী শিল্পী ছিলেন কর্ণাটকের বিখ্যাত ওয়েডিং ফোটোগ্রাফার বিবেক সেকুইয়েরা ও তাঁর সহ আলোকচিত্রী মোট ১৭ জন  | বিয়ের প্রায় ১৫ দিনের নানা অনুষ্ঠানের প্রায় ১ . ২ লক্ষ ছবি তোলা হয়েছে | বিবেক ও তাঁর দলের ৩০ টিবি-র হার্ড ডিস্ক ভরে গিয়েছিল ছবিতে | কিন্তু এই বিলাসবহুল বিয়ের ছবি তোলার জন্য কী শর্ত দেওয়া হয়েছিল তাঁকে ?

৪৭ বছরের এই আলোকচিত্রী জানিয়েছেন যিনি তাঁকে বিয়ের ছবি তোলার কথা বলেন প্রথমে তিনি বিবেকের কাছ থেকে কিছু নমুনা ছবি চেয়ে পাঠিয়েছিলেন | বিবেকের পাঠানো ছবি পছন্দ হওয়ায় জুন মাসে বিবেককে তিনি বলেন ডিসেম্বর মাসের ১ থেকে ১৫ তারিখ অবধি সময় ফাঁকা রাখতে | তখনও তাঁকে জানানো হয়নি যে নিজের স্বপ্নের কাজটি করতে চলেছেন তিনি | কার বিয়ের ছবি তুলতে চলেছেন সে কথা জানার পর তাঁকে বলা হয় ব্যাপারাটি লোকসমক্ষে প্রকাশ না করতে ‚ গোপনীয়তা বজায় রাখতে | 
গোপনীয়তা বজায় রাখার জন্য বেশ কিছু এগ্রিমেন্টে তাঁকে দিয়ে সই করানো হয় | তাঁকে বলা হয়েছিল এই বিয়ের ছবি তুললে তাঁর ‚  জিন্দেগি বন যায়েগি !  সত্যিই আর পিছন ফিরে তাকাতে হবেনা তাঁকে ! কাজ শুরু করার আগেই পারিশ্রমিকের বেশিরভাগ অংশটাই যে পেয়ে গিয়েছিলেন তিনি সে কথাও জানিয়েছেন অকপট বিবেক |

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Handpulled_Rikshaw_of_Kolkata

আমি যে রিসকাওয়ালা

ব্যস্তসমস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে কাটিয়ে হেলেদুলে যেতে আমার ভালই লাগে। ছাপড়া আর মুঙ্গের জেলার বহু ভূমিহীন কৃষকের রিকশায় আমার ছোটবেলা কেটেছে। যে ছোট বেলায় আনন্দ মিশে আছে, যে ছোট-বড় বেলায় ওদের কষ্ট মিশে আছে, যে বড় বেলায় ওদের অনুপস্থিতির যন্ত্রণা মিশে আছে। থাকবেও চির দিন।