সুস্থ থাকতে ও ওজন কমাতে পাতে রাখুন নারকেল, পরামর্শ পুষ্টিবিদদের

দিন দিন আপনার শরীরে ওজন বেড়েই চলেছে? আর তা নিয়ে চিন্তায় আপনার কপালে ভাঁজ পড়ছে। জানা যায়, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রার কারণে মোটা মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। অথচ সহজ লভ্য এমন একটি ফল আছে, যা খেলে আপনার শরীরের ওজন কমতে বাধ্য। আর তা হলো নারকেল! এর জল থেকে শাঁস সবই ক্যালরি ঝড়ানোর পক্ষে আদর্শ।

‌নারকেলের মধ্যে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকলেও তা ক্ষতিকারক নয়। কারণ এই ফ্যাট শরীরে জমে থাকে না। বরং এই ফ্যাট শরীরে শক্তি সরবরাহ করে। কিছুটা কার্বোহাইড্রেটের মতো। ‘’ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব অবেসিটি অ্যান্ড মেটাবলিক ডিসঅর্ডার’ জানিয়েছে এই স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা এমসিটি ক্যালরি বার্ন করতে সহায়তা করে। তাই ফ্যাট জমতে দেয় না।

নারকেলে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট কম রয়েছে। প্রতি ১০০ গ্রামে মাত্র ১৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট। কার্বোহাইড্রেট কম খেতে চাইলে নারকেল খান। ক্যালরি বার্ন করতেও নারকেলের জুড়ি মেলা ভার। পুষ্টিবিদরা বলছেন, দৈনিক ক্যালরি খরচ করতে নারকেল খান। আপনি যদি দিনে ১৫০০ ক্যালরি বার্ন করতে চান তবে ১৫০ গ্রাম নারকেল খান।

ফাইবার থাকায় রান্নায় নারকেল দিলে তা অবশ্য ওজন কমাতে সহায়ক হয়। সন্ধ্যা বা রাতের খাবারে রোজ নারকেল রাখুন। সব্জি বা ডালেও ব্যবহার করতে পারেন নারকেল। ডায়েট চার্টে নারকেল রাখলে ধীরে ধীরে কাজ হোলেও আপনার ওজন কিন্তু কমতে শুরু করবে।

প্রতিদিন এক গ্লাস নারকেলের জল আপনার শরীরকে সতেজ রাখে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, মানসিক অবসাদ থেকেও আপনাকে বাঁচায়। নারকেলের জলে আছে পটাসিয়াম। যা শরীরকে ঠান্ডা রাখে। হাইপার টেনশনে সবচেয়ে বড় ওষুধ নারকেলের জল ও মালাই। গবেষণায় জানা যাচ্ছে, নারকেলের মালাই নাকি হজম শক্তি বাড়ায়। পেটেও থাকে অনেক্ষণ। তাই স্বাদ বদলাতে মাঝে মাঝেই ডায়েট চার্টে রাখতেই পারেন নারকেল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.