শারীরিক অন্যান্য সমস্যার মত অতি পরিচিত একটি সমস্যা হল শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমান বেড়ে যাওয়া। বর্তমানে অনেকেই এই সমস্যার শিকার। অতিরিক্ত মাত্রার ইউরিক অ্যাসিডের উপস্থিতির কারণে গেঁটে বাত, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি অকেজো হওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে। কিডনি থেকে ইউরিক অ্যাসিড স্বাভাবিকভাবে বেরিয়ে না গেলে শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। বিভিন্ন কারণে শরীরে ইউরিক অ্যাসিড জমা হতে থাকে। যেমন- অতিরিক্ত ওজন, অ্যালকোহল পান করা, পিউরিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া, হাইপোথাইরয়ডিজম, ইমিউন-সাপ্রেসিং ড্রাগ, ইত্যাদি।

দৈনন্দিন ব্যস্ততার জীবনযাত্রায় আমরা এমন অনেক খাবার প্রায়ই খাই যা রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা এতটাই বাড়িয়ে দেয় যে কিডনি সেই অতিরিক্ত অ্যাসিড শরীর থেকে বের করতে পারে না। ফলে ক্রমশ শরীরের বাড়তে থাকে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা। এর ফলে স্বাভাবিক ভাবেই শরীর অসুস্থ হয়ে পড়তে থাকে। কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতেই আপনি এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এ বার জেনে নিন কী ভাবে ঘরোয়া উপায়ে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করবেন।

জল

প্রতিদিন প্রচুর জল পান করুন। এর ফলে শরীরে উত্পন্ন হওয়া অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড ইউরিনের মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে যাবে। এছাড়াও ইউরিক অ্যাসিডের ফলে যে ব্যথা হয় তা কমতেও সাহায্য করবে।

Banglalive-8

অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার 

Banglalive-9

আপেলের ম্যালিক অ্যাসিড ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রাকে কমাতে সাহায্য করে। ৮ আউন্স উষ্ণ গরম জলে ১-৩ চা চামচ অ্যাপল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে দিনে ২-৩ বার পান করুন। দ্রুত এর ফল পাবেন।

বাদাম

কাজুবাদাম, কাঠবাদাম ও আখরোটের মত বাদাম ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রাকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। কারণ এই বাদামগুলোতে ৪০ মিলিগ্রামেরও কম পিউরিন থাকে। তবে এক্ষেত্রে এড়িয়ে চলতে হবে চিনাবাদাম। কারণ ১ কাপ চিনাবাদামে ৮০ মিলিগ্রামের কাছাকাছি পিউরিন থাকে।

ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার

ভিটামিন সি উচ্চমাত্রার ইউরিক অ্যাসিডকে কমাতে সাহায্য করে। যারা অতিরিক্ত মাত্রার ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় ভুগছেন তাদের ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল যেমন- পেয়ারা, কিউই, কমলা লেবু, টমেটো, পাতি লেবু ইতাদি ফল খাওয়া উচিৎ।

আরও পড়ুন:  বাচ্চার কৃমির সমস্যা দূর করতে মেনে চলুন এই ঘরোয়া পদ্ধতিগুলি!

প্রসঙ্গত, ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা অতিরিক্ত হলে অবশ্যই চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।

NO COMMENTS