রান্না করতে গিয়ে ত্বক পুড়ে গেলে সারিয়ে তোলার ঘরোয়া উপায়!

বাড়িতে যারা রান্নাঘরে অনেকটা সময় কাটান অনেক সময়েই রান্না করতে গিয়ে অসাবধানতার কারনে ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটে যায়। গরম তেল ছিঁটকে গিয়ে কিম্বা গরম পাত্রে ছ্যাঁকা লেগে পুড়ে যাওয়াটা নতুন কিছু নয়।  জেনে নেওয়া যাক দৈনন্দিন এই সমস্যার ঘরোয়া কিছু সমাধান।

প্রথমেই আঘাতপ্রাপ্ত জায়গায় যাতে ধুলোবালি না লাগে সেদিকে সতর্ক থাকুন। চেষ্টা করুন দ্রুত ক্ষতস্থান পরিস্কার করতে। এরপর পনেরো থেকে কুড়ি মিনিট পুড়ে যাওয়া জায়গায়  ঠান্ডা জল দিন, সম্ভব হলে ঢুবিয়ে রাখুন। ঠাণ্ডা জল লাগানোর ফলে আপনার পোড়া জায়গার ব্যথা কিছুটা হলেও কম হবে। তবে কোনওভাবেই বরফ লাগাবেন না।

মিন্ট ফ্লেভারের টুথপেস্ট জ্বলে যাওয়া আর পুড়ে যাওয়া চামড়ার জন্যে আদর্শ। পুড়ে যাওয়া চামড়ায় প্রথমে ঠান্ডা জল দিয়ে খানিকটা মিন্ট ফ্লেভারের টুথপেস্ট লাগিয়ে নিন। আরাম পাবেন এবং চামড়াও সুরক্ষিত থাকবে।

প্রাকৃতিক ঔষধ হিসেবে মধুর কোন বিকল্প নেই। ক্ষতস্থানে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর করার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাথা কমাতেও সাহায্য করে মধু। দুধও একই কাজ করে।  দুধ লাগালে সেটা রেখে দিন পনেরো মিনিট অবধি একই ফল পাবেন।

অল্প পরিমানে অ্যালোভেরা জেল ক্ষতস্থানে লাগালে অনেকটাই আরাম পাওয়া যায়। পোড়া জায়গার প্রাথমিক চিকিত্‍সার জন্যে এর থেকে ভাল ওষুধ হয় না বলে করেন আয়ুর্বেদ চিকিত্সকরা। অ্যালোভেরা জেল বা ঘৃতকুমারী ক্ষতস্থানকে ইনফেকশনের হাত থেকেও বাঁচায়।

আঘাতপ্রাপ্ত জায়গায় যাতে নোংরা না লাগে বা ইনফেকশন না হয় সেই দিকে নজর রাখতে হবে। চেষ্টা করুন পোড়া জায়গা পরিস্কার করতে। ক্ষতস্থানে কখনোই তুলো ব্যাবহার করবেন না। কারণ তুলোর আঁশ ক্ষতস্থানে লেগে সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। প্রয়োজনে গজ বা পরিষ্কার সুতির কাপড় ব্যবহার করুন। ক্ষতস্থান ঢেকে রাখার আর একটা কারণ হল  ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন এর হাত থেকে রক্ষা পাওয়া।

প্রাথমিক সাবধানতা বা চিকিৎসার পরে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। সেটা ব্যান্ডেজ বাঁধাই হোক বা পরিস্কার করা, চেষ্টা করুন কাছাকাছি হসপিটাল বা ডাক্তারের থেকে পরামর্শ নেওয়ার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.