শুধু ভালবাসার বহিঃপ্রকাশই নয়, শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষিত করতে চুম্বনের জুড়ি মেলা ভার

চুম্বনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বিশেষজ্ঞদের মতে, চুম্বন কেবলমাত্র প্রেম-ভালোবাসা-আদর প্রকাশের মাধ্যমই নয়, এর কিছু স্বাস্থ্যগত ভাল দিক রয়েছে। চুম্বনের সঙ্গে শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতির সম্পর্ক রয়েছে। জেনে নিন সেগুলি কী কী…

* মানসিক চাপ বা স্ট্রেস কমাতে চুম্বন বিশেষভাবে সাহায্য করে। শরীরে কর্টিসল নামক স্ট্রেস হরমোন কমাতে বিশেষভাব সাহায্য করে চুমু। যার ফলে মানসিক চাপ দূর হয়।

* শরীরে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে বিশেষভাবে সাহায্য করে চুম্বন। সাধারণত চুম্বনের সময়ে হার্টবিট স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়, যার ফলে শরীরে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়। যা পরোক্ষভাবে শরীরে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ফলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়।

* মানসিক স্থিতি বাড়াতে পারে চুম্বন। মানসিক উদ্বেগ, উৎকন্ঠা ও হতাশার শিকার হলে আর মনোবিদের প্রয়োজন পড়বে না। সঙ্গীর একটা চুমুই কাজ করবে ম্যাজিকের মতো।

* সেরোটোনিন, ডোপেমাইন এবং অক্সিটোসিনের মতো হ্যাপি হরমোন ক্ষরণে বিশেষভাবে সাহায্য করে চুমু। ফলে মন খুব ভাল থাকে।

* সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, চুম্বনের মাধ্যমে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। জানা গিয়েছে যেসব যুগল প্রায়শই চুমু খান তাঁদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আর পাঁচজনের থেকে বেশি। কারণ চুম্বনের ফলে নারী-পুরুষের মুখের লালা আদান-প্রদানের মাধ্যমে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং ইমিউন সিস্টেম স্বাভাবিক থাকে।

* অনেকেই হয়তো জানেন না, চুমু খেলে ওজন কমে! আসলে চুম্বন শরীরের ক্যালোরি ঝরাতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। গভীর চুম্বন ৮ থেকে ১৬ ক্যালোরি পর্যন্ত ঝরিয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Please share your feedback

Your email address will not be published. Required fields are marked *

pakhi

ওরে বিহঙ্গ

বাঙালির কাছে পাখি মানে টুনটুনি, শ্রীকাক্কেশ্বর কুচ্‌কুচে, বড়িয়া ‘পখ্শি’ জটায়ু। এরা বাঙালির আইকন। নিছক পাখি নয়। অবশ্য আরও কেউ কেউ