মহিলা কর্মীদের জন্য এক অভিনব পদক্ষেপ কলকাতার এই কোম্পানির! সংস্থার প্রতি কৃতজ্ঞ সকলেই

অফিস মানেই কাজের চাপ ও মানসিক চাপ। আর যদি এই চাপের বাইরে অফিস থেকে কোনও উপহার পাওয়া যায়! দিনভর পরিশ্রম করার পর যদি তার স্বীকৃতি মেলে, তার চেয়ে পরম পাওয়া আর কী হতে পারে। কলকাতার একটি কোম্পানি তার মহিলা কর্মীদের দিলেন কর্মস্থল থেকে পাওয়া জীবনের সেরা উপহার। এর আগে এমন উদ্যোগ এ শহরের অন্য কোনও কোম্পানি নেয়নি।

মহিলাদের ঋতুস্রাবের প্রথম দিনটিতে সবেতন ছুটি দেওয়ার কথা ঘোষণা করল FlyMyBiz নামের কলকাতা এক ডিজিটাল মিডিয়া কোম্পানি। এ বছরের পয়লা জানুয়ারি থেকে চালু হয়েছে এই নতুন নিয়ম। কোম্পানির সিইও সৌম্য দত্ত জানান, তার কোম্পানিতে কর্মরত প্রত্যেক মহিলা প্রতি মাসে একদিন অতিরিক্ত ছুটি পাবেন। অর্থাৎ অন্যান্য ছুটির দিন বাদ দিয়ে ঋতুস্রাবের কারণে বছরে ১২টি অতিরিক্ত ছুটি দেওয়া হবে মহিলাদের। এর আগে মুম্বইয়ের দুটি কোম্পানিও মহিলাদের জন্য ‘পিরিয়ড লিভ’ চালু করেছিল। অর্থাৎ দেশের তৃতীয় কোম্পানি হিসেবে FlyMyBiz ঋতুমতী মহিলাদের জন্য ছুটির ব্যবস্থা করল। অস্ট্রেলিয়া, জাপানের মতো দেশে অবশ্য এই বিষয়টি নতুন কিছু নয়। সেখানে অনেক দিন আগেই পিরিয়ড লিভ চালু হয়েছে।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে সৌম্য জানান, কোনও কোম্পানির স্তম্ভই হল তার কর্মীরা। তাই তাঁদের সুবিধা-অসুবিধা দেখাটা সংস্থার প্রধান দায়িত্ব। তাছাড়া এমন সময় মহিলাদের শারীরিক ও মানসিক অস্বস্তিটা তিনি বোঝেন। তাই সেই সব সাহসী ও স্বাধীন মহিলাদের পাশে দাঁড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া। কিন্তু কোম্পানির এই পদক্ষেপ কে কীভাবে দেখছেন পুরুষ কর্মীরা? সিইও বলছেন, তাঁরাও এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। এ নিয়ে তাঁদের কোনও অভিযোগ নেই। মহিলা কর্মীদের জন্য এমন অভিনব পদক্ষেপ করায় সংস্থার প্রতি কৃতজ্ঞ সকলেই।

কিন্তু অনেকের মতে, মহিলাদের জন্য যেমন এটি সুখবর তেমন এই সিদ্ধান্ত সমস্যারও বটে। কারণ অতিরিক্ত ছুটি দিতে হবে বলে ভবিষ্যতে অনেক সংস্থাই মহিলা কর্মী নিয়োগ করতে চাইবে না বলে মত অনেকের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

কফি হাউসের আড্ডায় গানের চর্চা discussing music over coffee at coffee house

যদি বলো গান

ডোভার লেন মিউজিক কনফারেন্স-এ সারা রাত ক্লাসিক্যাল বাজনা বা গান শোনা ছিল শিক্ষিত ও রুচিমানের অভিজ্ঞান। বাড়িতে আনকোরা কেউ এলে দু-চার জন ওস্তাদজির নাম করে ফেলতে পারলে, অন্য পক্ষের চোখে অপার সম্ভ্রম। শিক্ষিত হওয়ার একটা লক্ষণ ছিল ক্লাসিক্যাল সংগীতের সঙ্গে একটা বন্ধুতা পাতানো।