দক্ষিণ দিগন্তে তখন ম্যাজিক

654
ঘোড়সওয়ার (ছবি:লেখক)

মামাবাড়ির আদ্যিকালের বৈঠকখানার দেয়ালে ঝোলানো ছিল ছবিটা| কাঠের বাঁধাই, বেশ বড় মাপের প্রিন্ট| কয়েক স্তর কালো মেঘের পরত নেমে এসেছে একটা প্রকান্ড দুর্গ চেহারার বাড়ির ঠিক মাথায়| আর সেই দুর্গটার চারপাশে গম্ভীরমুখে দাঁড়িয়ে আছে খাঁজকাটা, ন্যাড়া পাহাড়ের সারি| তাদের গায়ের রং ম্লান হলুদ| দুর্গটাও বালি রঙের| ছবিটার নিচের দিকে, ডানদিকে, ইংরেজি অক্ষরে লেখা LADAKH |

সেই এগারো বছর বয়েসে আমার কাছে পাহাড় মানে সবুজ অথবা সাদা| আর বর্ষার কালো আকাশ খুব চেনা, কিন্তু এই মেঘের টেক্সচার অন্যরকম| আমার চেনা ভুবনে এই মেঘ নামে না| প্রশ্নে প্রশ্নে বাড়ির লোককে অস্থির করে তুলে এটুকু জানা গেল যে লাদাখ একটা কোল্ড ডেজার্ট| সেটা নাকি হিমালয়েরও ওপারে| আর সেখানে কেউ যায় না| শুনে-টুনে আর বেশিদূর এগোনো গেল না, তবে ওই ঘরটায় ঢুকলেই আমার চোখ চলে যেত পুবদিকের দেয়ালটায়|

এর প্রায় সিকি শতাব্দী পরে আমি প্রথম লাদাখ যাই| শ্রীনগর থেকে কারগিল ছুঁয়ে দু-দুটো জাঁকালো গিরিপথ পেরিয়ে লে শহরে পৌঁছে চমকে গেলাম| পিত্জা পার্লার, রুফটপ রেস্টুরেন্ট, ট্রেকিং এজেন্সি অফিসের ভিড়ে একটা গমগমে শহর যার মাথার ওপর ছোটবেলায় ছবিতে দেখা দুর্গের মতো প্রাসাদটা দেখা যাচ্ছে ঠিকই, কিন্তু বোঝাই যাচ্ছে এই শহরটার উপর তার নিয়ন্ত্রণ আর নেই| বিষন্ন একটা অতীতস্তুপ, যার নিচের রাস্তাটার মুখে অজস্র আঁকিবুকি নিয়ে শুধু কয়েকজন বৃদ্ধ লামা জপযন্ত্র হাতে নিয়ে হেঁটে চলেছে|

একটু বিরক্ত লাগছিল| হতাশও| বিকেলের ঝোঁকে একটা কফি নিয়ে বসলাম লা টেরেসি রেস্তোঁরার খোলা ছাতে| সামনেই ইলেকট্রিক তারের জটলা, নিচে কনস্ট্রাকশন ক্রেনের আওয়াজ; কিন্তু সেগুলো পেরিয়ে, দূরে, স্টোক কাংড়ির মাথায় আলোর খেলাটা বড় মায়াময়| টেবিলে এসে আলাপ জমালো সোনম| লে’র একটা স্কুলে পড়ায়| সবটা শুনে আমায় বলল ‘তুমি কাল সকালে বেরিয়ে পড়|’

‘কোথায়?’

‘চাংথাং| আমার দেশ| আমি নোরবুকে বলে দিচ্ছি| আমার গ্রামেরই ছেলে, ওর গাড়িতে কাল একদম ভোরবেলা রওনা হয়ে যেও|’

আগেই জেনেছিলাম সোনম চাংপা উপজাতির ছেলে| লাদাখের দক্ষিণ দিকের যে অংশটা তিব্বত লাগোয়া, সেই চাংথাং ভ্যালিতে এই চাংপারা রয়েছে ছড়িয়েছিটিয়ে – প্রাচীন সিল্ক রুট যখন চালু ছিল তখন থেকেই তাদের নিজস্ব ভূখন্ড ওটা|

পরদিন ভোর পাঁচটা নাগাদ নোরবু তার স্করপিও নিয়ে হাজির| কনকনে ঠান্ডার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তীব্র হাওয়া, তার দাপটে রাস্তার ধারের রঙিন লুংদারগুলো থেকে যে শব্দটা উঠছে, তার বাইরে অদ্ভুত নিশ্চুপ এখন চারদিকটা| শহরের চৌহদ্দি ছাড়াতেই দুদিকের পাহাড় অনেকটা দূরে সরে গেল| লে শহরের যত্নে তৈরি করা সোশ্যাল ফরেস্ট্রির সবুজ আবরণ আর নেই, সূর্যের নরম আলো অনেক আদরে এই মরুভূমি-পাহাড়ের ভাঁজে ফুটিয়ে তুলেছে এক আশ্চর্য ক্যানভাস| বেগুনি, পাটকিলে, হলুদ – এই তিনটে রঙের বিন্যাসে যেন এক পটুয়া খেলাচ্ছলে তৈরি করে চলেছে তার বিষাদরঙিন পৃথিবী|

বাঁদিকে পড়ল একলা একটা টিলা| তার খাঁজকাটা চুড়োয় একটা অতিকায় মৌমাছির বাসার মতন ঝুলে আছে একটা গুম্ফা| ওটা থিকসে, বয়স প্রায় চারশো| গেলুগ-পা গোষ্ঠীর লামাদের একটা প্রধান মনাস্ট্রি| তবে ওপথে নয়, আমাদের রাস্তা গেছে সোজা| খানিক পরে পরেই উদয় হচ্ছে নতুন পাহাড়ের সারি, হাওয়ার আঁচড়ের দাগ তাদের সারা শরীরে, পরিভাষায় যাকে বলে উইন্ড ইরোশন| কেউ নেই কোথাও, শুধু মাঝেমধ্যে তীব্র নীল আকাশের নিচে, পাহাড়ের মাথায় কয়েকটা করে সাদা বাড়ির জটলা| বোঝা যায়, এই এক পৃথিবী নিঃসীমতার মাঝখানে তারা একটু একসাথে থাকতে চায়|

চুশুল ছাড়লাম দুপুরের দিকে, এবার আমরা চাংথাং উপত্যকায় ঢুকছি| মাঝেমধ্যে চোখে পড়ছে চাংপাদের তাঁবু| ইয়াকের লোম দিয়ে বানানো ঢাউস চেহারার তাঁবুগুলোকে বলে ‘রেবো’| চেহারার কোন ছিরিছাঁদ নেই, কিন্তু এই শীতল মরুভূমির রাতের সাব-জিরো তাপমাত্রাও ওর ভেতর ঢুকতে পারে না| গাড়ি থামিয়ে ঢোকা হলো একটা রেবোতে, রাস্তার পাশেই| দুই মহিলা ভেতরে বুনছে শাল, নিজেদের ভেড়ার লোম দিয়েই| পশমিনা| এই বিশেষ প্রজাতির ভেড়ারা চাংপাদের যাযাবর জীবনের অঙ্গ, এদের দুর্মূল্য লোমই এখান থেকে কাশ্মীরী বুনকরদের হাতে শাল হয়ে পৌঁছে যায় বিদেশের বাজারে| তখন তার দাম আকাশছোঁয়া| এখানে পাওয়া যাচ্ছে হাজার চারেকে| কথাবার্তার মাঝেই এসে গেছে ধোঁয়া ওঠা নুন-মাখন চা, খাস তিব্বতী ফ্লেভার যাকে বলে, হাল্কা গোলাপি রঙের চা-এর ওপর দু’একটা পশমিনা লোমের গার্নিশিং সমেত!

আরো খানিকটা এগোবার পর, দূরে, নীল ঝিলিকটা দেখা গেল| ওটাই সো মোরিরি, এই ট্রান্সহিমালয়ান অঞ্চলের প্রধান হ্রদদুটোর মধ্যে একটা| আমাদের আজকের আস্তানা ওর পাড়েই| আধঘন্টার মধ্যেই পৌঁছে গেলাম| চড়া আলোয় তীব্রতর হয়েছে জলের রং, আর সেই অপার্থিব নীলের মধ্যে ভেসে বেড়াচ্ছে ব্রাহ্মণী হাঁসের দল, প্রতি বছর এই সময়টা সাইবেরিয়া থেকে এখানে চলে আসে ওরা| ঠিক উল্টোদিকে প্রায় জলের পাশ থেকেই মাথা তুলেছে দুটো বালি রঙের পাহাড়| দাঁড়িয়ে আছি পনেরো হাজার ফিটে তাই বোঝা যাচ্ছে না দুটোরই হাইট কুড়ি হাজারের এদিক-ওদিকে! চুপচাপ একটু দেখা, ক্যামেরা চোখে, তারপর সেঁধিয়ে গেলাম টেন্টের মধ্যে| কড়া ঠাণ্ডা এই মাঝবিকেলেই, আর ঘন্টা দশেক জার্নির পর একটু বিশ্রামও দরকার|

সো মোরিরি (ছবি:লেখক)
সো মোরিরি (ছবি:লেখক)

এত উচ্চতায় তাঁবুর মধ্যে বেশ ভালো ব্যবস্থা| ক্যাম্পখাট, ইনসুলেটেড কম্বল| লাগোয়া টেন্ট-টয়লেট| খাবার ব্যবস্থা পাশের মেস টেন্টে| নিরামিষ, এবং অঢেল|

সন্ধে গড়াতেই ডিনারের ডাক এবং সেখানে একটা ইন্টারেস্টিং খবর পাওয়া গেল| হেমিস গুম্ফার এক উঁচুদরের লামা এসেছেন পাশের কোরজোক গ্রামের গুম্ফায়| প্রায় তিনশো বছরের প্রাচীন এই গুম্ফাটি ড্রুকপা গোষ্ঠীর এবং বহু বছর ছিল হেমিসের অধীনে| তাই এই স্পিরিচুয়াল সফরের সম্মানে কাল সকালে গুম্ফাচত্বরে মুখোশনৃত্য আর বিকেলে ঘোড়দৌড়| পরবর্তী ভ্রমণ ছকটা একটু বদলে নিলাম কারণ এটা শোনার পর চাংথাং অঞ্চলে একটা বাড়তি দিন বরাদ্দ না করে উপায় নেই!

ঘুমটা ভাঙল বেশ ভোরেই| অবশ্য মাঝরাতে একবার ভেঙেছিল একটা গাড়ির আওয়াজে, তখন ব্যাপারটা ঠিক মগজে ঢোকেনি| ব্রেকফাস্টে গিয়ে শুনলাম, রাত প্রায় একটা নাগাদ একটি কোরিয়ান ফ্যামিলি গাড়ি নিয়ে নেমে গেছে, অতিরিক্ত ঠাণ্ডা আর উচ্চতাজনিত সমস্যায়| অবশ্য প্রায় সাড়ে পনেরো হাজার ফুট হাইটে এটা খুব অস্বাভাবিক নয়, বিশেষ করে যদি ঠিকমত অ্যাক্লাইমেটাইজেশান না হয়ে থাকে|

সকালের আলোয় অসাধারণ লাগছে লেকটা| আকাশ এখন ফিরোজা রঙের, তার ছায়ায় নীল জলে ভাঙছে ছোট ছোট ঢেউ| পাহাড়ের কাছেই ছোট্ট একলা একটা বাড়ি| বেশ কয়েক বছর আগে দলাই লামা এসেছিলেন এখানে, তাঁর জন্য তৈরি হয়েছিল বাড়িটা| আমাদের তাঁবুর পেছনের পাহাড়ি ঢালটা দিয়ে খানিকটা উপরে উঠতেই সো-মোরিরির দুর্দান্ত একটা টপ ভিউ| এখান থেকে লেকের উল্টোদিকের বরফচূড়াগুলোর সঙ্গে প্রায় সমান্তরাল দৃষ্টিবিনিময় ঘটছে|

ছাম নৃত্য (ছবি:লেখক)
ছাম নৃত্য (ছবি:লেখক)

সাড়ে দশটা নাগাদ গুম্ফার উঠোনে শুরু হলো মুখোশনৃত্য| লামাদের এই নাচ দেখেছি বেশ কিছু জায়গায় – প্রাচীন, রহস্যময় মুখোশ আর রঙিন জব্বা, তিব্বতী শিঙার গম্ভীর আওয়াজ; সব মিলিয়ে ছাম ডান্স একটা জমকালো ব্যাপার| বাজনার তালে তালে বদলে যাচ্ছে নাচের ভঙ্গি, বৌদ্ধগুরু পদ্মসম্ভবের জীবনের নানা অলৌকিক ঘটনা ফুটিয়ে তুলছেন লামারা, বিন্দুবিসর্গ বুঝছি না যদিও, শুধু ভাবছি তিনশো বছর ধরে এই উঠোনে একই বাজনার তালে লামারা একই গল্প বলে চলেছেন| আর ধূসর, বরফঠাণ্ডা এই মরুভূমির বাসিন্দারা, সব বয়েসের, অবাক চোখে আবার করে দেখছে আর শুনছে পুরনো সেই গল্প| নাচ শেষ হবার পর গুম্ফার টানা বারান্দায় লম্বা হলো আশীর্বাদপ্রার্থীদের লাইন, সেখানে সপার্ষদ বসে আছেন হেমিস গুম্ফার লামা|

গুম্ফা থেকে বেরোবার পথে দেখা নোরবুর সঙ্গে| একটু উদ্বিগ্ন মুখ| বলল ‘আমার বোধহয় দুপুরে ঘোড়দৌড়ে অংশ নেওয়া হবে না|’

‘সে কি!কেন?’ – আগেই জেনেছি, গাড়ির পাশাপাশি নোরবু ঘোড়া ছোটায় ভালোই, এই দৌড়টার ব্যাপারে কাল থেকেই বেশ উত্তেজিত ছিল ছেলেটা|

‘উপায় নেই, সকাল থেকে কাকার তিনটে ভেড়া উধাও, কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না; আমায় এখন যেতে হবে উপরের ঢালটা পেরিয়ে, অন্তত ঘন্টা তিনেক লাগবেই|’

আমার একটু খারাপ লাগছিল| ঘোড়দৌড়টা এই যাযাবর চাংপাদের মধ্যে একসময় প্রচুর চালু থাকলেও এখন প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে, আবার কবে হবে কেউ জানে না| বেচারা এই প্রেস্টিজ ফাইটটা মিস করল| কিন্তু কিছু করার নেই| চাংপাদের আবহমান কালের বিশ্বাস, এই উপত্যকার দেবতারা বহুযুগ আগেই চাংথাং অঞ্চলের ভেড়বকরির দেখভালের সমস্ত দায়িত্ব ওদের হাতে দিয়ে গেছেন| সেই দায়িত্বের সঙ্গে কোনরকম আপস চলে না|

দুপুরে তাঁবুর বাইরে চেয়ার পেতে আড্ডা সবে জমেছে, হঠাৎ দেখি বেশ তেজিয়ান চেহারার কয়েকটা ঘোড়া চলেছে নিচে গ্রামের রাস্তায়| চটপট গুছিয়ে নিয়ে নিচে নামলাম, ঘন্টাকয়েকের মধ্যেই বেশ খুশিয়াল মেজাজ এসে গেছে – উড়ছে রংবেরঙের লুংদার, সাবেকি পোশাক আর বাহারি টুপির জেল্লায় চত্বরটায় পুরোদস্তুর উৎসবের হাওয়া|

গ্রামের নিচে লম্বাটে মাঠটাতেও বেশ সাজোসাজো রব| প্রায় জনা পনেরো ঘোড়সওয়ার, তাদের মধ্যে কয়েকজন আবার লামা, সার দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে| শিঙাবাদনের সঙ্গে সঙ্গে এক একজন করে এগিয়ে এল, তিব্বতীয় রীতি মেনে হেমিসের লামা তাদের গলায় পরিয়ে দিলেন সাদা সিল্কের স্কার্ফ – ‘কাতা’| তানজিন এক শিক্ষানবিশ লামা, সকালে গুম্ফায় ওর সঙ্গে আলাপ হয়েছিল| সেও দৌড়বে তার বাবার ঘোড়ার পিঠে| বেজায় উত্তেজিত সতেরো বছরের ছেলেটা, আমায় জানাল তাদের গ্রামে শেষ দৌড়টার সময়, সে তখন নেহাতই বারো, সেবার তাকে কিছুতেই চান্স দেওয়া হয়নি|

তানজিনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আমি একটু ফাঁকা জায়গায় দাঁড়ালাম| এই হাইটে বেশি দৌড়ঝাঁপ না করাটাই কাজের| এবার বৃদ্ধ লামার হাতে তুলে দেওয়া হলো শিঙা| পড়ন্ত দুপুরের আলো এসে পড়েছে তাঁর মেরুন রঙের জোব্বার উপর| তীক্ষ্ণ, সুরেলা আওয়াজটা তারসপ্তকে পৌঁছতেই মাঠটা নিশ্চুপ হয়ে গেল| এবার আর কোথাও কোন শব্দ নেই, শুধু একরাশ খুরধ্বনি একই ছন্দে পৌঁছে গেল মাঠটার দক্ষিণ কোণে, যেখানে দিগন্তটা নেমে এসেছে খুব নিচে, প্রান্ত বরাবর|

ধীরে, খুব ধীরে, মুখ ঘোরাল ঘোড়সওয়ারের দল| হ্রেষাধ্বনি| আবার সব চুপ|

একটা তুমুল দমকা হাওয়া উঠল, ওই দক্ষিণ দিক থেকেই| সেই হাওয়ায় ফুলে উঠছে ঘোড়ার কেশর, সওয়ারিদের গলার সাদা স্কার্ফ উড়ছে হাওয়ায়|

আবার শিঙার তীক্ষ্ণ আওয়াজ উঠল চরাচর জুড়ে আর আমি দেখলাম, যেন এক মন্ত্রবলে এতক্ষণের তীব্র নীল আকাশে ঘন কালো রং, স্তরে স্তরে নেমে এসেছে পাশের পাহাড়ের মাথায়| আমার সেই ছোটবেলার ছবিটার মেঘের টেক্সচার| অবিকল|

এবার দিগন্তজুড়ে ধুলোর ঝড় তুলে, আমারই অনন্ত অতীত থেকে ছুটে আসছে দামাল ঘোড়সওয়ারের দল, একদম সোজা আমার দিকে|

কী ভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন :

লে পৌঁছতে পারেন শ্রীনগর বা মানালি, দুদিক থেকে| দুদিনের সফর, মাঝে যাত্রাবিরতি কারগিল (শ্রীনগর রুটে) বা সারচুতে (মানালি রুটে)| দিল্লি থেকে এক ঘন্টার উড়ান, সময় বাঁচবে, পয়সাও, কিন্তু অদেখা রয়ে যাবে অনেক কিছু|

লে থেকে চাংথাং প্রায় আড়াইশো কিলোমিটার পথ| থাকার জন্য লজ রয়েছে, তবে টেন্টটাই ভালো| একটু খরচসাপেক্ষ হলেও আরামদায়ক|

আর মাথায় রাখবেন, সমতলের মানুষ আপনি, এই রুক্ষ পাহাড়ি উচ্চতায়, অক্সিজেনের ঘাটতির সমস্যা এড়াতে হলে শরীরকে সইয়ে নেবার সময়টা দিতে হবে| এটা জরুরি|

Advertisements

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.