সাড়ে তিন দশক পরে পুরাতন ভৃত্যের অবসরে পরিবারের তরফে জমকালো বিদায়ী সংবর্ধনা

সাড়ে তিন দশক পরে পুরাতন ভৃত্যের অবসরে পরিবারের তরফে জমকালো বিদায়ী সংবর্ধনা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

সংসারে পরিচারক বা ভৃত্যের অবদান গুরুত্ব পায় না। কিন্তু সৌদি আরবের একটি পরিবারের বেশ ব্যাতিক্রম আচরণই দেখা গেল। ৩৫ বছর ধরে কাজ করে আসা ভারতের মিডো শীরিয়ানের সততা ও নিষ্ঠা চোখ এড়াতে পারল না তাঁদের । এত বছর পর তাঁর অবসর নেওয়ার সময়ই মিডোর প্রতি ভালোবাসা জাহির করলেন জাঁকজমক ভাবে ।

সৌদি আরবের উত্তরে হেইল আর অউল-জউফ শহরে পাহাড়ি এলাকার একটি গেস্ট হাউসে থাকতেন তিনি । পর্যটকরা সেই পাহাড়ি এলাকায় ঘুরতে গিয়ে থাকতেন সেই গেস্ট হাউসেই। সেখানে অতিথিদের দেখাশোনার দায়িত্বে থাকতেন মিডো। এছাড়া পরিবারের দেখভাল ও খেত মজুরের কাজও করতেন তিনি । বহুদিনের বিশ্বস্ত ছিলেন এই পরিবারের কাছে।

তিন দশক ধরে এই পরিবারের হয়ে কাজ করে ক্লান্ত তিনি । তাই অবসর চেয়েছিলেন । ফলস্বরূপ জাঁকজমক ভাবেই বিদায় দেওয়া হল তাঁকে । অল শেমরি পরিবারের সকলেই প্রায় হাজির ছিলেন এই অনুষ্ঠানে । ছোট থেকে বড় প্রত্যেকেই এই অনুষ্ঠানে মিডোর প্রতি ভালবাসা ব্যক্ত করেছেন । উপহারের ডালি ভরে গিয়েছিল । শুধু তাই নয় উপহার হিসেবে একটি মোটা অংকের টাকা এবং তাঁর জীবদ্দশার বাকি দিনগুলোতেও পেনশন দেওয়া হবে বলে জানান পরিবারের কর্তা আওয়াদ অল সামির ।

আটের দশকে কাজের খোঁজে সৌদি পাড়ি দিয়েছিলেন মিডো । তারপরই একদিন এই অল শামির পরিবারের চোখে পড়ে যান । সেদিন থেকে তিন দশক ধরে কাজ করে আসছেন । শেষ বয়সে দুর্বল হয়ে পড়ায় পরিবারের কর্তাই তাকে অবসর নেওয়ার অনুমতি দেন । পরিবারের সদস্য হিসেবেই কাজ করতেন তিনি । মিডোর মতন বহু ভৃত্য হয়তো এভাবেই সততার সঙ্গে তাঁদের কাজ করে আসছেন । কিন্তু পরিবারের তরফ থেকে এতোটা সম্মান হয়তো তাঁর মত কিছু মানুষের ভাগ্যেই থেকে থাকে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Handpulled_Rikshaw_of_Kolkata

আমি যে রিসকাওয়ালা

ব্যস্তসমস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে কাটিয়ে হেলেদুলে যেতে আমার ভালই লাগে। ছাপড়া আর মুঙ্গের জেলার বহু ভূমিহীন কৃষকের রিকশায় আমার ছোটবেলা কেটেছে। যে ছোট বেলায় আনন্দ মিশে আছে, যে ছোট-বড় বেলায় ওদের কষ্ট মিশে আছে, যে বড় বেলায় ওদের অনুপস্থিতির যন্ত্রণা মিশে আছে। থাকবেও চির দিন।