উজ্জ্বল‚ দাগহীন ত্বক চান? খুসকির সমস্যা? ভিনিগার ব্যবহার করে দেখুন; সস্তায় পুষ্টিকর সমাধান

উজ্জ্বল‚ দাগহীন ত্বক চান? খুসকির সমস্যা? ভিনিগার ব্যবহার করে দেখুন; সস্তায় পুষ্টিকর সমাধান

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

বিভিন্ন নামী কম্পানির ফেসমাস্ক ও ফেসক্রিম লাগিয়েও কোনো উপকার পাচ্ছেন না? এমনকি মা‚ দিদিমার বলে দেওয়া ঘরোয়া ফেসপ্যাক লাগিয়েও কাজ হচ্ছে না? কোনো চিন্তা নেই আজকে আমরা এমন একটা উপদানের কথা বলবো যা সবার বাড়িতে থাকে‚ দামও কম এবং আপনার সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে আপনাকে সাহায্য করবে | সেই উপাদান হলো ভিনিগার | আসুন দেখে নিন কীভাবে ভিনিগার ব্যবহার করবেন |

) শুষ্ক ও খসখসে ত্বকের ট্রিটমেন্টে : এর জন্য ১ চা চামচ সাদা ভিনিগার আর দুচা চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন | মুখ বা ক্ষতিগ্রস্ত অংশে লাগান | ১০ মিনিট রেখে হাল্কা গরম জলে ধুয়ে নিন |

ভিনিগার আর অলিভ অয়েলের কম্বিনেশন ত্বকের ন্যাচরাল অ্যাসিডিটি বজায় রাখতে সাহায্য করে |

) ত্বকের কালো ছোপ তুলতে : এর জন্য লাগবে ১ টেবিলচামচ সাদা ভিনিগার‚ ১ টেবিল চামচ পেঁয়াজের রস আর ৪ টেবিল চামচ গোলাপ জল | সব একসঙ্গে মিশিয়ে তুলোয় ভিজিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন |

ভিনিগার কালো দাগ‚ ছোপ তুলতে সাহায্য করে আর গোলাপ জল ত্বককে অয়েলি হতে দেয় না |

) স্ক্রাব হিসেবে : এর জন্য ১ টেবিল চামচ সাদা ভিনিগর এবং ২ টেবিল চামচ চালের গুঁড়ো লাগবে | ভালো করে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন | ১৫ মিনিট রেখে হাল্কা করে ঘষে ধুয়ে নিন | সারা শরীরের এই স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন | ভিনিগার ত্বক উজ্জ্বল করবে আর চালের গুঁড়ো মরা কোষ তুলে ফেলবে |

) ত্বকের তৈলাক্ত ভাব কমায় : এর জন্য লাগবে ২ টেবিল চামচ জল আর ১ চা চামচ সাদা ভিনিগার | দুটো একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন | ভিনিগারের অ্যাসট্রিনজেন্ট‚ অ্যান্টিসেপ্টিক আর অ্যাসিডিক প্রপার্টি অতিরিক্ত তেল চুষে নেবে | তবে যাদের ড্রাই ত্বক তাদের এটা না করাই ভালো |

) মাথা থেকে খুসকি মেটাতে সাহায্য করে : এর জন্য লাগবে ২ টেবিল চামচ গরম জল আর ২ টেবিল চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার | একসঙ্গে মিশিয়ে চুলের গোড়ায় ভালো করে লাইয়ে নিন | ৩০-৪০ মিনিট রেখে হাল্কা গরম জল দিয়ে মাথা ধুয়ে নিন |

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে ফাংগাস থেকে খুসকি হয় | ভিনিগারে অ্যান্টি ফাংগাল প্রপার্টি আছে যা ফাংগাসকে মেরে ফেলতে দিতে সাহায্য করে |

) গায়ের দুর্গন্ধ দূর করে : এর জন্য লাগবে ১ টেবিল চামচ সাদা ভিনিগার | এক বালতি জলে ১-২ চামচ ভিনিগার মিশিয়ে সেই জল ঢেলে চান করুন |

আগেই বলেছি ভিনিগারে অ্যান্টিসেপ্টিক‚ অ্যান্টি ব্যকটেরিয়াল আর অ্যান্টি ফাংগাল প্রপার্টি আছে | এর ফলে গায়ের দুর্গন্ধ দূর হয় |

) পায়ের দুর্গন্ধ দূর করতে : এর জন্য লাগবে ১ কাপ অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার আর ট্যিসু পেপার | ট্যিসু পেপার ভিনিগারে ভিজিয়ে একটা জিপ লক ব্যাগে ভরে তা ফ্রিজে রেখে দিন | জুতো পরার আগে সেই টিস্যু পেপার দিয়ে ভালো করে পা মুছে নিন | রাতে জুতোর মধ্যেও এই ভিনিগার ভেজানো টিস্যু পেপার রেখে দিতে পারেন |

অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার ত্বকের পি এইচ ব্যালেন্স বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং এর ফলে পায়ের দুর্গন্ধ দূর হয় |

) টোনার হিসেবে ব্যবহার করা যায় : এর জন্য ১ টেবিল চামচ সাদা বা অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার‚ ১ কাপ জল আর অ্যালোভেরা বা গোলাপ জল লাগবে |

সব একসঙ্গে মিশিয়ে একটা পরিষ্কার পাত্রে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন | যখন দরকার হবে মুখে লাগিয়ে নিন তুলোতে ভিজিয়ে |

ভিনিগারে অ্যাস্ট্রিনজেন্ট প্রপার্টি আছে‚ এর ফলে এটা খুব ভালো টোনারের কাজ করে |

) ফাটা গোড়ালি ঠিক করতে : এর জন্য লাগবে ১ কাপ সাদা ভিনিগার‚ একটা ঝামা পাথর‚ জল‚ টক দই আর চালের গুঁড়ো | পায়ের পাতা সাদা ভিনিগার আর চালের গুঁড়োতে ভিজিয়ে রাখতে পারেন | এবং ঝামা পাথর দিয়ে ঘষে পায়ের মরা কোষ তুলে ফেলতে পারেন | বা ভিনিগার আর দই একসঙ্গে মিশিয়ে গোড়ালিতে লাগিয়ে নিন | পা শুকিয়ে গেলে অল্প জল দিয়ে পা ভিজিয়ে ঝামা পাথর দিয়ে ঘষে নিতে পারেন |

১০) ডি টক্সিফায়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন : এর জন্য লাগবে ১ টেবিল চামচ সাদা ভিনিগার‚ মুলতানি মাটি‚ গোলাপ জল আর অ্যালোভেরা জেল | সব একসঙ্গে মিশিয়ে নিন | এই গাঢ় পেস্ট এবার মুখে ভালো করে লাগিয়ে নিন | শুকিয়ে গেলে প্যাক তুলে ফেলুন |

এই ফেসপ্যাক ত্বকের ছিদ্র খুলে দেয়‚ মরা কোষ তুলে ফ্যালে | এটা সপ্তাহে একবার করলে উজ্জ্বল ত্বক পাবেন |

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।