শ্রীকৃষ্ণর পাদস্পর্শে কুৎসিৎ কুব্জা রূপান্তরিত হলেন পূর্ণযৌবনা নারীতে

শ্রীকৃষ্ণর পাদস্পর্শে কুৎসিৎ কুব্জা রূপান্তরিত হলেন পূর্ণযৌবনা নারীতে

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

কুব্জা ছিলেন রাজা কংসের প্রাসাদের এক দাসী | তাঁর মুখশ্রী ছিল অপূর্ব | কিন্তু শরীরে তিনটি কুশ্রী কুঁজ | তাঁর সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণর সাক্ষাৎ হয় মথুরার পথে | দাসী তখন সুগন্ধি চন্দন লেপন নিয়ে যাচ্ছিলেন কংসরাজ সমীপে | কৃষ্ণ-কুব্জা সাক্ষাতের কথা বর্ণিত হয়েছে ভগবৎপুরাণ এবং সুরদাসের সুরসাগরে |

তিন স্থানে কুঁজ ছিল বলে কুব্জার আর এক নাম ছিল ত্রিবর্ক | তাঁকে দেখে স্বভাববশত তাঁর রূপের প্রশংসা করেন শ্রীকৃষ্ণ | রূপের স্তুতিতে অপমানিত হন কুঁজো দাসী কুব্জা | উপলব্ধি করতে পেরে কৃষ্ণ বলেন‚ তিনি তাঁর মনের রূপের প্রশংসা করেছেন |

এরপর কুব্জার হাতের সুগন্ধি পেতে চান কৃষ্ণ | কিন্তু তা ছিল রাজা কংসের জন্য | দ্বিধান্বিত হলেও কুব্জা সেটি কৃষ্ণকে দিয়ে দেন | সন্তুষ্ট ভগবান নিজের পা তুলে কুব্জার পিঠে রাখেন | দু হাতে তুলে ধরেন কুব্জার চিবুক | এরপর যেন জাদুবলে মিলিয়ে গেল কুব্জার দেহের কুঁজ | সোজা হয়ে দাঁড়ালেন কুব্জা | কুৎসিৎ কুব্জা থেকে তিনি হয়ে উঠলেন সুডৌল স্তন-নিতম্ব-সহ এক পূর্ণযৌবনা যুবতী |

আনন্দে বিহ্বল কুব্জা সব সমর্পণ করতে চাইলেন কৃষ্ণর পাদস্পর্শে | তিনি কামনা করলেন কৃষ্ণকে | ভক্তের প্রার্থনা মঞ্জুর হল | কুব্জাকে আলিঙ্গন করলেন কৃষ্ণ | আরও একবার দেবতাকে কামনা করলেন কুব্জা | সেই প্রার্থনাও রক্ষা করা হয়েছিল | কংস-নিধন শেষ করে কুব্জার কক্ষে আরও একবার পদার্পণ করেছিলেন কৃষ্ণ |

বিষ্ণুপুরাণে কুব্জার কুঁজমুক্তির কথা থাকলেও কৃষ্ণ-কুব্জা মিলনের বর্ণনা নেই | সুরদাস অবশ্য একে ভগবানের উদ্দেশে ভক্তের আত্মসমর্পণ হিসেবেই বলেছেন | ব্রহ্মবৈর্বত পুরাণে আবার বলা হয়েছে ত্রেতা যুগের শূর্পনখাই দ্বাপর যুগে জন্মগ্রহণ করেন কুব্জা হিসেবে | ত্রেতা যুগে রামচন্দ্রকে কামনা করে পাননি রাবণের বোন শূর্পনখা | তাঁর সেই ইচ্ছে পূর্ণ হয়েছিল দ্বাপর যুগে | ভগবান বিষ্ণু তথা রামচন্দ্রের সঙ্গ তিনি পেলেন | কিন্তু বিষ্ণুর অন্য অবতারে‚ শ্রীকৃষ্ণ রূপে |

(পুনর্মুদ্রিত)

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।