পরিণতি জেনেও পিছিয়ে যাননি‚ এক দশক ধরে তিনিই পঙ্গু স্বামীর জীবনীশক্তি

পরিণতি জেনেও পিছিয়ে যাননি‚ এক দশক ধরে তিনিই পঙ্গু স্বামীর জীবনীশক্তি

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

সিনেমায় তো অনেক দেখেছেন নানা প্রতিকূল অবস্থায় নানারকম বিপদের মধ্যে দিয়ে গিয়েও নিজের জীবনসঙ্গীর পাশে থাকার ঘটনা | কিন্তু জানেন কি বাস্তব জীবনেই রয়েছেন এমনই এক দম্পতি যাঁরা একসঙ্গে প্রেমকে আজও করে রেখেছেন অমর | আজকের দিনে যখন সম্পর্ক হয়ে উঠেছে ক্ষণস্থায়ী‚ তখনই ভালবাসা দিয়ে যে সমস্ত প্রতিকূলতা অতিক্রম করা যায় তা দেখিয়ে দিচ্ছেন বারাসাতের রতন ও ঝুমা |

কলেজে পড়াকালীনই একে অপরকে চিনতেন বারাসাতের রতন সমাদ্দার ও ঝুমা | ২০০০ সালে ফুটবল খেলোয়াড় রতন একটি খেলার সময় পায়ে চোট পান | ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে জানা যায় রতনের জিবি সিনড্রোম নামে একটি রোগ আছে | এই রোগে দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দেহেরই স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে | ফলত আর কখনওই নিজের পায়ের শক্তি ফিরে পাননি রতন | পরিবারের লোকজনের নিষেধ এড়িয়ে ২০০৮ সালে রতনের সাথে বিয়ে করেন ঝুমা |

রতনের বড়দা জয়ন্ত সমাদ্দার জানান যে তাঁদের বাবাও ঝুমাকে রতনের সঙ্গে বিয়ে করতে বারণ করেন | কিন্তু বিকলাঙ্গ জেনেও রতনকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটে যাননি ঝুমা | তিনি জানান রতনকে বিয়ে করা নিয়ে তাঁর মনে কোনওদিনই কোনওরকম সংশয় বা দ্বিধা ছিল না | রতনের যখন কোনও মানুষকে তাঁর পাশে সবথেকে বেশি প্রয়োজন ছিল‚ তখন নিজের স্বার্থ বুঝে তাঁর পাশ থেকে সরে যাননি ঝুমা | রতনের কোনও নির্দিষ্ট উপার্জন না থাকলেও হাতের কাজের নানা জিনিস বিক্রি করে বিগত ১০ বছর ধরে সংসার চলাছেন তিনি নিজেই |

পায়ের শক্তি সম্পূর্ণ ভাবে ফিরে না পেলেও পা ব্যবহার করে কিছু কিছু কাজ করতে পারেন রতন | তাঁর চালানোর সুবিধার্থেই তাঁর মোটরবাইকটিকে বিশেষ ভাবে তৈরি করে দেওয়া হয়েছে যাতে পায়ের সম্পূর্ণ শক্তি না থাকা সত্ত্বেও তিনি মোটরবাইকটি চালাতে পারেন |দুজনে একসঙ্গে মাঝেমধ্যে বর্ধমান‚ হুগলি বা ঝাড়খন্ডের বনাঞ্চল থেকে বেড়িয়ে আসেন | ঝুমা বলেন তাঁর ব্যবসা আরও বড় করে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি | কিন্তু তিনি যাই করুন না কেন‚ স্বামী ও সঙ্গী  রতনের খুশিই তাঁর কাছে সবথেকে বেশি মূল্যবান |

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।