তন্ত্রবিদ্যায় সিদ্ধিলাভের আশায় মা’কে টুকরো টুকরো করে কেটে রক্ত পান করল ছেলে

কুড়ুলের ঘায়ে জন্মদাত্রী মা’কে খুন করল ছেলে। তার পর মায়ের মৃতদেহটি টুকরো টুকরো করে তার পাশে বসে রক্ত পান করল সে। সিনেমার চিত্রনাট্য নয়, বাস্তবে রোমহর্ষক এই ঘটনা ঘটেছে ছত্তিশগড়ের কোরবা নামক একটি অঞ্চলে।

তন্ত্রবিদ্যায় সিদ্ধিলাভের আশায় নাকি এমন কাণ্ড ঘটিয়েছে সে! বছর ২৭-এর এই গুণধর ‘নরখাদক’ দিলীপ যাদব বর্তমানে পলাতক। নিজের মা’কে কেবল খুনই নয়,পালিয়ে যাওয়ার আগে মায়ের দেহ টুকরো টুকরো করে কেটে আগুনে পুড়িয়ে দিয়ে গিয়েছে সে।

দিলীপ যাদবের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে আধপোড়া মাংসের অবশিষ্টাংশ, তন্ত্রর পুঁথি-সহ নানাবিধ উপকরণ। দিলীপের খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। প্রতিবেশী গৃহবধূ সামীরণ যাদবের দাবি‚ তিনি ওই পথ দিয়ে যাচ্ছিলেন তাঁর এক বান্ধবীর বাড়ি। প্রথমে তাঁর কানে ভেসে আসে গোঙানির শব্দ। তারপর জানালার ফাঁক দিয়ে তিনি দেখতে পান যে, দিলীপ তাঁর মায়ের দেহটি কুড়ুলের আঘাতে ছিন্ন-ভিন্ন করে ফেলছেন। এবং সেই রক্ত পান করছেন। সবথেকে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল তখনই যখন, এত আঘাতের পরেও তার মা বেঁচেছিল, এবং প্রাণপণে নিজেকে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছিল।

কোরবার অতিরিক্ত এসপি জয়প্রকাশ বধাই জানান, বৃহস্পতিবার রামকচর গ্রামের সামীরণ যাদব নামে এক মহিলা হঠাৎই তাঁদের থানায় এসে উপস্থিত হন এবং জানান, নিজের চোখে তিনি এই বীভৎস দৃশ্য দেখেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে যে, দিলীপ তার বাবা এবং ভাইয়ের মৃত্যুর জন্য এবং নিজের সংসার ভেঙে যাওয়ার জন্য নিজের মা’কেই সন্দেহ করত, শুধু তাই নয়, তন্ত্রসাধানার মাধ্যমে সিদ্ধিলাভের আশায় নরবলি দেওয়ার জন্যে নিজের মা’কেই বেছে নিয়েছিল বলে ধারণা পুলিশের। দিলীপের খোঁজে তল্লাশি জারি ।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Please share your feedback

Your email address will not be published. Required fields are marked *

pakhi

ওরে বিহঙ্গ

বাঙালির কাছে পাখি মানে টুনটুনি, শ্রীকাক্কেশ্বর কুচ্‌কুচে, বড়িয়া ‘পখ্শি’ জটায়ু। এরা বাঙালির আইকন। নিছক পাখি নয়। অবশ্য আরও কেউ কেউ