এক বাড়িতে দু’ হাজার বাদুড়কে নিয়ে বসবাস সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধার

এক বাড়িতে দু’ হাজার বাদুড়কে নিয়ে বসবাস সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধার

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

গুজরাতের রাজপুর গ্রামের বাসিন্দা বছর চুয়াত্তরের এই মহিলা। নাম শান্তাবেন প্রজাপতি। গুজরাত সহ গোটা দেশেই তিনি পরিচিত ‘ব্যাট ওম্যান’ হিসেবে। তাঁর ঘরের দেওয়াল জুড়ে রয়েছে প্রায় দেড় থেকে দুই হাজার বাদুড়। এদের সঙ্গেই বাস করেন সত্তরোর্ধ্ব এই বৃদ্ধা।


জানা গিয়েছে, ১৯৯৪ সাল থেকে এই মাউস টেলড ব্যাটদের সঙ্গে বাস করছেন তিনি। এজন্য গ্রামবাসী তাকে ‘বাদুড় বা চামচিকেওয়ালি ঠাকুমা’ বলেই ডাকেন। বৃদ্ধার বাড়ির একতলা ও দোতলায় একটি করে ঘর। প্রতিটি ঘরের দেওয়ালেই বাস বাদুড়ের। স্বভাব মতো সারা দিন ঘুমোনোর পরে সূর্য ডুবলেই খাদ্যের সন্ধানে বাড়ি ছেড়ে চলে যায় বাদুড়গুলো। রাতভর খাওয়া-দাওয়া সেরে ভোরবেলা ফিরে আসে তারা।


এদিকে বৃদ্ধার প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, “বাদুড়গুলোর জন্য সারা বাড়িতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। নিম আর কর্পূর দিয়ে তৈরি ধূপ জ্বালিয়ে রাখেন শান্তাবেন। তবে এখন বাদুড়গুলোর সংখ্যা বৃদ্ধি হওয়ায় সারাদিনই ধূপ জ্বালিয়ে রাখতে হয় তাকে।” তবে মৃত্যুর আগে অবধি এই প্রাণীগুলিকে বাড়ি থেকে সরাতে নারাজ বলে জানান রাজপুর গ্রামের সরপঞ্চ। তিনি বলেন, “গ্রামের বহু বাসিন্দা শান্তিবেনের বাড়িতে এই প্রাণীগুলির উৎপাত বন্ধ করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তিনি তার তীব্র বিরোধিতা করেন।”
এ বিষয়ে শান্তাবেন প্রজাপতি জানিয়েছেন, ‘‘অনেকগুলো বছর ধরে বাদুড়গুলো এখানে বাস করছে। এখন ওরা আমার পরিবারের অংশ। ওদের জন্য রান্নাঘর ছেড়ে বারান্দায় রান্নার ব্যবস্থা করেছি। দিনের পর দিন ওদের সংখ্যাবৃদ্ধি হয়েছে। বাড়ির ভিতরে খুব বেশি আসবাবপত্রও নেই বলে ওদের থাকতেও অসুবিধে হয়না।’’

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Handpulled_Rikshaw_of_Kolkata

আমি যে রিসকাওয়ালা

ব্যস্তসমস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে কাটিয়ে হেলেদুলে যেতে আমার ভালই লাগে। ছাপড়া আর মুঙ্গের জেলার বহু ভূমিহীন কৃষকের রিকশায় আমার ছোটবেলা কেটেছে। যে ছোট বেলায় আনন্দ মিশে আছে, যে ছোট-বড় বেলায় ওদের কষ্ট মিশে আছে, যে বড় বেলায় ওদের অনুপস্থিতির যন্ত্রণা মিশে আছে। থাকবেও চির দিন।