বাংলালাইভ রেটিং -

এরকম একটা থিওরি আছে শুনেছেন তো যে, একজন লেখক সারা জীবন ধরে যত লেখা লেখেন, সব আসলে একটাই লেখা! একজন কবি সারা জীবনে যত কবিতা লেখেন, সব কবিতা মিলিয়ে আসলে একটাই কবিতা!

আরও ভেঙে বলতে গেলে এটা বলা যায় যে, একজন শিল্পীর বলার কথা আসলে থাকে একটাই। এবার সেটা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে যত আলাদা আলাদা ভাবেই তিনি প্রকাশ করুন না কেন, শেষ অবধি তাঁর সব সৃষ্টি একসঙ্গে মিলিয়ে একটা অখণ্ড সৃষ্টির মতই লাগে।

এই ব্যাপারটা ফিল্ম ডিরেক্টরদের জন্যেও প্রায় খাপে খাপ সত্যি। একজন ডিরেক্টর আলাদা আলাদা যত ছবিই তৈরি করুন না কেন, শেষ পর্যন্ত সবগুলোই কি কোথাও না কোথাও গিয়ে এক নয়?

কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের সিনেমাগুলো একটার পর একটা দেখতে থাকলে ব্যাপারটা যেন স্পষ্ট হয় আরও। ‘চাঁদের পাহাড়’ সিরিজের অ্যাডভেঞ্চার সিনেমা দুটো সরিয়ে রেখে ভদ্রলোকের বাকি ছবিগুলো খুঁটিয়ে দেখলে বুঝতে পারবেন, সব ছবিতে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে একটাই কথা যেন বলতে চাইছেন ডিরেক্টর!

Banglalive-8

গল্প বলার প্যাটার্নগুলোও বেশ এক রকমেরই প্রায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখবেন গল্পে দুটো সমান্তরাল স্ট্রিম। দুটো স্ট্রিমে হয় আলাদা আলাদা হিরো-হিরোইন, আর না হলে দুটো স্ট্রিম দুটো আলাদা আলাদা টাইম জোনে আছে। সংলাপের পরতে পরতে বেরিয়ে আসছে আজকের হিংস্র এই সিস্টেমটার দাঁত আর নখগুলো। আর ট্রানজিশন শটগুলোতে অদ্ভুত অদ্ভুত সব ভিস্যুয়াল ডিজাইন ব্যবহার হচ্ছে ছবিতে।

Banglalive-9

এই যে বেসিক প্যাটার্নটার কথা লিখলাম, সেটার সঙ্গে একের পর এক ভদ্রলোকের তৈরি ‘উড়োচিঠি’ (২০১১), ‘ক্ষত’ (২০১৬), বা ‘গুড নাইট সিটি’র (২০১৮) মত ছবিগুলো সব মিলে যাচ্ছে কিনা, সেটা একটু মিলিয়ে দেখুন প্লিজ। এই গোত্র থেকে বেশ কিছুটা সরে গিয়ে আলাদা একটা বিষয় নিয়ে উনি তৈরি করেছিলেন ‘মেঘে ঢাকা তারা’ (২০১৩)। কিন্তু সেখানেও দেখবেন এই ধাঁচটা অল্পবিস্তর আছে। বড়পর্দার সিনেমা বানাতে বসে ভিস্যুয়ালগুলোর মধ্যে মাঝে মধ্যেই নাটকের ইমেজারি মিশিয়ে দ্যান উনি। ‘মেঘে ঢাকা তারা’র একটা বড় অংশই তো নাটক।

পরিচালকের এই স্টাইলটা এখন এত চেনা হয়ে গেছে যে, ওঁর তৈরি নতুন ছবি দেখতে বসার আগে মনের মধ্যে একটা এক্সপেকটেশনও সেট হয়ে যায় বেশ। ‘মুখোমুখি’ যখন দেখতে বসছি, তখনই জানি গল্প বলার ধরণ কেমন হবে।

কিন্তু মজাটা হল এই যে, এরপর ছবিটা দেখতে দেখতে একটা সময় এটা মনে হচ্ছিল যে, শুধু ছবির স্টাইল কিংবা মেসেজ নয়। স্টোরির বেসিক কাঠামোটাও যেন মনে হচ্ছে বড্ড চেনা বলে। বহিরঙ্গে কিছুটা ফারাক রয়েছে ঠিকই। কিন্তু ভেতরে ভেতরে এটা যেন কমলেশ্বরের নিজেরই তৈরি টেলিছবি ‘১৩ নম্বর তারাচাঁদ লেন’-এর (২০১৫) মত!

সেটা ছিল জি বাংলা সিনেমার জন্যে তৈরি ছোটপর্দার ছবি। আর এটা যেন খুব স্টাইল মেরে তৈরি করা সেটারই বিগ স্ক্রিন অ্যাডাপটেশন কোন!

ওখানে গল্পটা ছিল দু’সেট দম্পতির। একটা সেট ছিল দ্যুতি চ্যাটার্জি এবং আতিস ইসলামের। অভিনয়ে সোহিনী সরকার, ইন্দ্রাশিস রায়। আরেকটা সেট ছিল চঞ্চল আর শর্মিলার। অভিনয়ে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা। দ্যুতি-আতিফের গল্পটা ঘটছিল প্রেজেন্ট টাইমে। আর তাঁদের হাত ধরে একটা সময় গল্পে এল চঞ্চল আর শর্মিলার স্টোরি। সেটা অবশ্য অতীত কালের ফ্রেমে।

এবার আসুন এই সিনেমায়। দেখতে পাবেন যে এখানেও ঠিক দু’সেট দম্পতিই আছে। একটা সেট হল ঈশা চ্যাটার্জি (গার্গী রায়চৌধুরী) আর অগ্নিভের (রজতাভ দত্ত)। এঁরা আছেন রিয়্যাল লাইফ জোনে। আর এঁদের হাত ধরে গল্পে এরপর এসে পৌঁছন শৌনক (যীশু / সাহেব) এবং অনসূয়া (পায়েল / দর্শনা)। এঁরা কিন্তু রিয়্যাল নন, রয়েছেন ইমাজিনেশনের জোনে।

শৌনক আর অনসূয়া, এই দুটো নামের পাশে ব্র্যাকেট দিয়ে দুজন করে অভিনেতার নাম লিখেছি এই কারণে যে, এই ইমাজিনেশনের জোনের মধ্যেই আবার ঢুকে পড়ছে অতীত কালের ফ্রেম এবং সেই সিনগুলোয় ওই দুটো চরিত্রে অভিনয় করেছেন তুলনায় কম বয়সী অভিনেতা, অর্থাৎ সাহেব কিংবা দর্শনা।

এই অবধি পড়ার পর মাথাটা একটু ঝিমঝিম করতে পারে আপনার। এটা নিশ্চয় বুঝতে পারছেন এই ছবির গড়ন-চলন ঠিক আর পাঁচটা ছবির মতন নয়।

‘১৩ নম্বর তারাচাঁদ লেন’ আর ‘মুখোমুখি’ পরপর দেখলে দুটোর মিলগুলো স্পষ্ট হবে আরও। ওই গল্পে দ্যুতি আর আতিস পুরনো একটা পিগি ব্যাঙ্কে জমিয়ে রাখা চিরকুট পড়তে পড়তে ঢুকে পড়েছিল চঞ্চল আর শর্মিলার ট্র্যাকে। আসুন ‘মুখোমুখি’তে। এখানে আপনি দেখতে পাবেন প্রায় একই ধাঁচে লাভস্টোরির প্লট লিখতে গিয়ে ঈশা আর অগ্নিভ দু’জনে মিলে কী ভাবে তৈরি করছে শৌনক আর অনসূয়ার স্টোরি।

‘১৩ নম্বর তারাচাঁদ লেন’ দেখলে এটা বুঝে যাবেন যে নির্দ্বিধায় ওই ছবিটার নামও ‘মুখোমুখি’ রাখা যেত! কারণ যতই আলাদা আলাদা টাইম জোনে থাকুক না কেন, ছবির লাস্ট সিনে গিয়ে দু’সেট দম্পতিকে আক্ষরিক অর্থে মুখোমুখিই এনে ফেলেছিলেন ডিরেক্টর।

তবে গল্প প্যাটার্নওয়াইজ এক হলেও দুটো ছবির লুকে কিন্তু অনেকখানি ফারাক। টেলিফিল্মটা শুট করা হয়েছিল রিয়্যাল লাইফ লোকেশনে। অল্প-স্বল্প স্টুডিও ফ্লোরে সেটের শুটও হয়তো ছিল। কিন্তু এই ‘মুখোমুখি’ ছবির পুরোটা হল একই সেটে, একই জোনে শুট। সেটাও আবার প্রসেনিয়াম নাটকের সেটের মত করা! ছবির কিছুটা অংশে স্টেজের স্টাইলে শুটিং বাংলা ছবিতে এর আগে ‘চিত্রাঙ্গদা’ (২০১২) বা ‘নাটকের মতো’ (২০১৫) ছবিতে দেখেছি আমরা ঠিকই। আগেই লিখেছি এই ব্যাপারটা কমলেশ্বরের নিজের অন্য ছবিতেও আছে। কিন্তু স্টার্ট টু ফিনিশ পুরো ছবিটাকে থিয়েটারের লুক-ফিল দেওয়া বোধহয় এবারই প্রথম হল।

এখানে একটা ব্যাপার লিখতে চাই যে, ছোটপর্দার জন্যে বানানো হয়েছিল বলেই হয়তো টেলিছবিটায় সংলাপে বা ভিস্যুয়ালে তেমন অ্যাডাল্ট বিষয় নেই। কিন্তু ‘মুখোমুখি’তে দেখতে পেলাম, প্রাণ খুলে শরীরগন্ধী কথা বলে গেছে লোকে! অনসূয়া যেমন বরের কাছে জানতে চাইছে যে, ‘আমি পিঠ খোলা জামা পড়লেই স্লাট?’ আর ওর বর শৌনক আবার কী একটা কথা বলতে গিয়ে দিব্যি এটাও বলে দিল যে, ‘কেন আমার কি ধ্বজভঙ্গ হয়েছে?’

বুড়ো হয়ে গেলে যে ফোর প্লে করতে হাঁফ ধরে যায়, কোথাও সেই ডিটেল দেওয়া আছে আর কোথাও আবার ছোট করে গঁদের আঠার পাশাপাশি লিঙ্গবর্ধক তেলের কথাও টেনে এনেছেন ডিরেক্টর। নামী অভিনেত্রীকে এমন ফ্রেমে ধরা হয়েছে যে একপলক দেখলে এটা মনে হবে যে তাঁর শরীরে কোন সুতো-টুতো নেই বলে!  

এতটা পড়ার পর এবার হয়তো জানতে ইচ্ছে করছে যে, ছবির গল্পটা ঠিক কী। বা গল্প বলে এখানে কিছু রয়েছে কিনা আদৌ!

শুরুতে আপনি দেখতে পাবেন রাইটার্স ব্লকে ভুগছেন নামী লেখিকা ঈশা। লেখার ক্ষমতা আপাতত যেন থেমে গিয়েছে তাঁর। এরপর তিনি আর তাঁর বর মুখে মুখে তৈরি করছেন নতুন একটা প্রেমের গল্প আর সেই গল্পটার ক্যারেকটার হয়ে অন স্ক্রিন চলে আসছে শৌনক আর অনসূয়া।

শৌনক চাইছে গায়ক হিসেবে নিজের কেরিয়ার বানাতে আর অনসূয়া চায় আমলা হতে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অল্প বয়সের এসব স্বপ্ন ঘেঁটে তো গেল বটেই, তার সঙ্গে ঘেঁটে গেল দুজনের লাভ স্টোরিটাও! পর্দায় কখনও আসছে শৌনক-অনসূয়া, আর কখনও আবার ঈশা-অগ্নিভ। ‘এ কেমন মানুষ বানালে ঈশা?’ অগ্নিভের এই প্রশ্নের উত্তরে ঈশা বলছেন, ‘আমি না, সময়ই বানিয়েছে’।

’১৩ নম্বর তারাচাঁদ লেন’-এর ক্লাইম্যাক্সে কমলেশ্বর স্পষ্ট এটা শুনিয়েছিলেন, ‘অ্যাসপিরেশন কিল্‌স ইউ সাইলেন্টলি’।  এই ‘মুখোমুখি’রও নির্যাস হল এটা। ‘আমরা দুজনে দুজনের থেকে অনেক দূরে সরে যাচ্ছি – প্রতিদিন’ বলেছিল তারাচাঁদ লেনের আতিস। আর ‘মুখোমুখি’তে তো ডিরেক্টর এটা দেখিয়েই দিলেন, কী ভাবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষয়ে ক্ষয়ে গেল প্রেম আর রাতের বিছানায় উলটোদিকে মুখ ফিরিয়ে কী ভাবে তখন দু’জন শুত। কে বলবে এরা একদিন চিপকে থাকতো পরস্পরের গায়ে! দু’জনে এখন কথায় কথায় অন্যজনকে শ্লেষ ঠুসে দ্যায় তুমুল আর দু’জনের মাঝে সাজানো থাকে কাঁটাতারের ছবি!

নন-ন্যারেটিভ, নন-লিনিয়ার প্যাটার্ন। ছবির নামের লোগো অবধি এমনভাবে করা, যেটা উলটে নিলেও সোজাই রয়ে যায়! সব মিলিয়ে হেভি সব স্টাইল যেন ঠাসা!    

সঙ্গে পাবেন নানান রকম বিষয় নিয়ে ডিরেক্টরের সোজা-সাপটা স্ট্যান্ড। যেমন ধরুন, পরকীয়া মানে কী? দাম্পত্যের চুক্তি ভেঙে হঠাৎ যদি আর কারুর সঙ্গে কোন কিছু করে বসে আজ কেউ, তাহলে কি সেটার জন্যে সারা জীবন মনের মধ্যে গিল্ট বয়ে নিয়ে যেতে হয়? ঈশার মুখে এর একটা ব্যাখ্যা শোনানো হয়েছে যে, ‘ইট ওয়াজ আ পিওর কেমিক্যাল রিয়্যাকশন’ – তার বেশি কিছু না।

এর পাশাপাশি পলিটিক্স নিয়েও নিজের মত খোলসা করা আছে। একলা মেয়ের পেছনে ছুটছে হিংস্র পুরুষ, এমন একটা ভিস্যুয়াল আছে স্ক্রিনে। সঙ্গে এই ভয়েস ওভার আছে ‘দিনমজুর এক কিশোরীকে কুড়ি জন শাক্ত উপাসক গণধর্ষণ করছে। আর তারাই এখন ভোটে ক্ষমতায় আসছে’। এই অংশটা দেখতে দেখতে মনে হচ্ছিল, যে সিনটা আসলে হালের ‘থ্যাকারে’ ছবিতে থাকার কথা ছিল, সেটাই এখানে এই সিনেমাতে দেখে ফেললাম যেন!

এগুলো ছাড়া ছবি জুড়ে আছে নাম-না-জানা জনগণের টুকরো বাইট। এর ফলে একেক সময় ছবিটা দেখতে লাগছিল একেবারে নন-ফিকশন ডকুমেন্টারির মত।

ছবির দ্বিতীয়ার্ধে আসে এক নতুন চরিত্র, ছবিতে যাঁকে বলা হয়েছে ‘অন্য মানুষ’ (অভিনয়ে অঞ্জন দত্ত)। এই ‘অন্য মানুষ’-এর সঙ্গে প্রায় ডিসকোর্স শুরু হয়ে যায় শৌনকের। কোন একটা ইন্টারভিউতে দেখলাম ডিরেক্টর বলেছেন যে, ছবির এই ক্যারেকটারের ইন্সপিরেশন সত্যজিতের ‘আগন্তুক’ (১৯৯১) থেকে পাওয়া। আমার কিন্তু বেশি করে মনে হচ্ছিল ঋতুপর্ণের ‘চিত্রাঙ্গদা’র সেই ‘শুভ’ ক্যারেকটারটার কথা। মনে আছে তো, সেই রোলেও অঞ্জন দত্তই ছিলেন!

ছবির শেষটা আলতো করে ছুঁয়ে গেল অস্কার ওয়াইল্ডের ‘পিকচার অফ ডোরিয়ান গ্রে’। সেটার জন্য অফিসিয়ালি ঋণস্বীকার করাও আছে ছবিতে। ঋণস্বীকার করা হয়েছে লার্স ভন ট্রায়ারের ‘ডগভিল’ (২০০৩) ছবির কাছেও। হাতে গোনা অল্প ক’জন মানুষ নয়, একটা পুরো গ্রামের সব লোককে নাটকের সেটের মধ্যে সেই ছবিতে পুরে ফেলেছিলেন সেই ডিরেক্টর।  

তবে আসল কথা হল, যে ছবির মধ্যে এত দেশি-বিদেশি ছোঁয়া, যে ছবিটা আর পাঁচটা ছবির থেকে দেখতে আলাদা এত, সিনেমা হল-এ সেই ‘আঁতেল’ ছবি দেখতে ক’জন যাবেন?

এখানে আমার অভিজ্ঞতা আপনি যা ভেবেছেন, তাই। উইকেন্ডে এই ছবিটা দেখতে যাওয়ার আগের দিন টিকিট কাটতে গেলাম নেটে। অডিটোরিয়ামের দশা দেখে প্রায় আঁতকে উঠি তখন। নামী ডিরেক্টরের নতুন ছবি, তাতে আবার নামী দামি সব স্টার। অথচ বুকিং সাইট দেখিয়ে দিল, কলকাতার নামজাদা সিনেমা হল-এ এ ছবির একটা সিটও তখনও অবধি বুক করে নি কেউ!

সিনেমা দেখতে গিয়ে দেখলাম ওপরে-নিচে সব মিলিয়ে শ’খানেক লোক হবে। ছবি শুরু হওয়ার ঠিক সাঁইত্রিশ মিনিট পর ছ-সাতজন বেরিয়ে গেল টিটকিরি দিতে দিতে।

তবে তারপর আর উঠে গেল না কেউ। বাজল না কারুর ফোন। ছবি শেষ হওয়া মাত্র স্বতঃস্ফূর্ত হাততালি চলকে উঠল হল-এ! ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ছাড়া এটা আর কোনখানে ঘটতে দেখি নি ভাই!     

ছবি দ্যাখার এই অভিজ্ঞতা স্ক্যান করলে বুঝতে পারবেন যে ছবিটা সবার জন্যে নয়। কিন্তু যাঁদের জন্যে ছবিটা তৈরি, টার্গেট সেই লোকজনেরা ছবি দেখে খুশিই হবেন খুব।

টাইম পাস করার জন্য ছবিটা দেখতে হল-এ ঢুকবেন না প্লিজ। আপনার পয়সা নষ্ট হবে। এক্সপেরিমেন্টাল ছবি দ্যাখার মুড থাকলে তবেই দেখুন এটা। দেখে আসুন বাংলা ছবি এখনও কী ভাবে দুঃসাহসিক হয়। 

‘মুখোমুখি’ : বাংলা ছবি এখনও এভাবে দুঃসাহসিক হয়! on Feb 5, 2019 rated 3.1 of 5
আরও পড়ুন:  শাহরুখ খান অভিনীত এই বিখ্যাত ছবিগুলো আগে অফার করা হয়েছিল সলমন খানকে !

1 COMMENT