‘মা হওয়ার পর ওজন বেড়ে যাওয়া কোন লজ্জার বিষয় নয়’ বডিশেমিং নিয়ে বিস্ফোরক নেহা

কোন সাধারণ মেয়ে হোক বা সেলেব, মা হতে কে না চায়। আর মা হতে গেলে কতটা কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয় তাও জানেন একটি মেয়ে। আর এই সবকিছু জেনে শুনেই মেয়ে মেহরের জন্ম দিয়েছেন বলিউডের অন্যতম স্টাইলিশ এবং জনপ্রিয় অভিনেত্রী নেহা ধুপিয়া। অন্তঃসত্ত্বা থাকালীন হোক বা নবজাতিকার জন্মের পর, কখনই নিজের ওজন নিয়ে মাথা ঘামাননি অভিনেত্রী। বরং সেই অবস্থায় যেমন একদিকে কাঁপিয়েছেন র‍্যাম্প, অন্যদিকে তাঁর একটি জনপ্রিয় ওয়েব টক শো ‘নো ফিল্টার নেহা’ তেও একইভাবে নিজেকে ক্যামেরার সামনে তুলে ধরেছেন নেহা ধুপিয়া। কিন্তু নেহার ওজন নিয়ে তাঁর থেকেও বেশি চিন্তিত নেটিজেনরা। তবে অজথা এই দুশ্চিন্তাকে বাড়তে না দিয়ে এবার মুখ খুললেন অভিনেত্রী নিজেই। 

সম্প্রতি ফেমিনা ম্যাগাজিনে বডি শেমিং নিয়ে মুখ খোলেন অভিনেত্রী। এমনকি সেই বক্তব্য নিজের ইনস্টাগ্রাম ওয়ালে শেয়ার করে নেহা লেখেন,” সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর মোটা হওয়াটা খব স্বাভাবিক একটি বিষয়। আর আমি এইসব মোটা রোগা নিয়ে একেবারেই চিন্তিত নই, কোনদিনও ছিলামও না। এবং এই বিষয় কেউ কোন মন্তব্য করলে তাঁকে উত্তর দেওয়ার বা বোঝানোর কোন প্রয়োজনও মনে করি না। একজন মা হিসেবে আমার প্রথম এবং প্রধান কাজ ফিট থাকা। আমি সবসময় চাই নিজে সুস্থ থেকে আমার সন্তানকে খেয়াল রাখার। আমার কাজ আমার মেয়ের জন্য ফিট থাকা। সমাজের কাছে ফিট না হলেও চলবে। অন্তত রূপের দিক থেকে। আমি চাইবো যে কোন মানুষকেই তাঁর কাজ দিয়ে বিচার করা উচিত। রূপ দিয়ে নয়। কারওর দিকে আঙুল দেখানোর আগে নিজেকে দেখা উচিত সবার আগে।  শারীরিকভাবে মোটা হলেও তা ঠিক করা যায়, মানসিকতায় মোটা হলে খুব মুশকিল, সেটাকে ঠিক করা।” 

নেহা ধুপিয়ার এই মন্তব্যে বলিউডের অনেকেই প্রসংসা করেছেন। তাঁর মধ্যে রয়েছেন বিটাউনের গসিপ কিং তথা কন্ট্রোভার্সিয়াল কিং করণ জোহরও। 

শুধু এইটুকুই নয়, মা হওয়ার আগে ও পরের সব মুহূর্তের কথাই শেয়ার করলেন নেহা। এমনকি কী কী পরিবর্তন এসেছে তাঁর জীবনে জিজ্ঞাসা করায় অভিনেত্রী  জানান,” আগে আমি এবং অঙ্গদ কোথাও যাওয়ার আগে ২বার ভাবতাম না। এখন ওকে বলে দেওয়া হয়েছে সিনেমা দেখতে যাওয়ার প্ল্যান করলে আগের দিন জানাতে, কোথাও ঘুরতে গেলে অন্তত তিন মাস আগে জানাতে। এমনকি এখন ডিনার খেতে যেতে হলেও অঙ্গদ আমাকে অন্তত তিন দিন আগে থেকে জানিয়ে দেয়। আগের থেকে অনেকটাই পাল্টে গিয়েছে আমাদের জীবন। অনেক বেশি ঘরোয়া এবং সংসারী হয়ে উঠেছি আমরা”।   

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.