৩০ বছর পর ফের খুঁজে পাওয়া গেল বিষধরতম অষ্টপদীকে

সন্ধান পাওয়া গেল বিশ্বের সবথেকে থেকে বিষধর মাকড়সার। আর তারপর থেকেই বিষধর এই মাকড়সাটিকে নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় মগ্ন বিজ্ঞানীরা। কী হতে পারে এই মাকড়সার একটা কামড়ে? প্রথমে সারা শরীরে ব্যথা, তারপর বমি বমি ভাব সেইসঙ্গে শ্বাসকষ্ট। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করালে হতে পারে বড় কোনও বিপদ।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্ল্যাক উইডো স্পাইডারের এক বিশেষ প্রজাতির সন্ধান পেয়েছেন গবেষকরা। এই মাকড়সাটি ফিন্ডা বটন স্পাইডার বলেই পরিচিত। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন এটি একটি বিরল প্রজাতির মাকড়সা। প্রসঙ্গত, এর আগে ব্ল্যাক উইডো স্পাইডারের প্রজাতি উদ্ধার হয়েছিল আজ থেকে প্রায় ৩০ বছর আগে। এতদিন পর্যন্ত সবথেকে বিষধর মাকড়সার প্রজাতি কোনটি বললে ট্যারেন্টুলা-র নামই সবথেকে আগে মনে আসত। কিন্তু বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ব্ল্যাক উইডো মাকড়সার প্রজাতি এমনিতেই ভয়ঙ্কর বিষাক্ত। কিন্তু তার মধ্যেও এই ফিন্ডা বটন স্পাইডারের বিষক্রিয়ার ক্ষমতা সাধারণ ব্ল্যাক উইডো মাকড়সার থেকে অনেক গুণ বেশি।

শরীরের উপরে বিশেষ লাল রং-এর সাহায্যে এই মাকড়সাটিকে সহজেই চেনা যায়। এখন আপাতত এই মাকড়সাটিকে নিয়ে পরীক্ষা চালাবেন গবেষকরা। তবে তাঁরা আশঙ্কা করেছেন, এই মাকড়সাটি এতটাই বিষাক্ত যে, এর কামড়ানোর পরে ঠিক সময়ে চিকিৎসা করা না গেলে বড় বিপদ হতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত পাওয়া রেকর্ড অনুযায়ী, বিশেষ এই মাকড়সার প্রজাতির দ্বারা এখনও কোনও মানুষ আক্রান্ত হননি। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন এই প্রজাতির মাকড়সা নাকি খুবই লাজুক প্রকৃতির।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Please share your feedback

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Illustration by Suvamoy Mitra for Editorial বিয়েবাড়ির ভোজ পংক্তিভোজ সম্পাদকীয়

একা কুম্ভ রক্ষা করে…

আগের কালে বিয়েবাড়ির ভাঁড়ার ঘরের এক জন জবরদস্ত ম্যানেজার থাকতেন। সাধারণত, মেসোমশাই, বয়সে অনেক বড় জামাইবাবু, সেজ কাকু, পাড়াতুতো দাদা