সপ্তপদী হওয়ার পাশাপাশি অভিনব অঙ্গীকারে আবদ্ধ সদ্য বিবাহিত দম্পতি‚ উদ্যোগে সামিল ৭০০ অভ্যাগতও

243

জন্ম ,মৃত্যু,বিয়ে-এই তিনটি বিষয় কেউই জানতে পারেন না আগে থেকে । তবে মরণোত্তর ? মরণোত্তর কিছু সিদ্ধান্ত তো এখনই নেওয়া যায় । তাই বিয়ের অনুষ্ঠানের দিনটিকেই বেছে নিলেন নাসিকের এই নবদম্পতি।
নিমন্ত্রিত ৭০০ অতিথির মাঝেই মরণোত্তর অঙ্গদানের অঙ্গীকার করলেন।নব দম্পতির অভিনব উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তাদের দেখানো পথেই হাঁটলেন নিমন্ত্রিত অভ্যাগতরাও |

এমনটাই তো চেয়েছিলেন অ্যাসিস্টেন্ট প্রভিডেন্ট ফান্ড কমিশনার বর্ষা পাগড় ও আয়কর দপ্তরের কর্মী সপ্নিল কোঠওয়ারে । হাতে হাত রেখে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি সমাজ সচেতনতামূলক কিছু করতে ।সেই কারণেই তো বিয়ের দিনেই অঙ্গদানের সিদ্ধান্ত । যাতে তাদের দেখাদেখি উপস্থিত অতিথিরাও উদ্বুদ্ধ হন । বিয়ে চলাকালীন রক্তদানেও সামিল হলেন ৬২ জন অতিথি । কর্মসূত্রে দুজনেই মহারাষ্ট্রের বাইরে থাকেন । প্রচলিত প্রথা মেনে বিয়ে করলেও বিয়ে উপলক্ষে অতিরিক্ত জাঁকজমক চাননি দুজনেই। বরং চেয়েছিলেন সমাজ প্রতি দায়বদ্ধ থেকে কিছু করতে।

অঙ্গদানকারীর অভাবে প্রতিবছর মৃত্যু ঘটে বহু মুমূর্ষু রোগীর । সেখানে মরণোত্তর অঙ্গদানের মাধ্যমে নতুন জীবন পান অনেকে । অঙ্গদাতা যত পাওয়া যাবে, সমাজে তত বেশি সচেতনতা তৈরি হবে । স্বপ্নিল-বর্ষার নেওয়া এমন বেনজির উদ্যোগকে কুর্ণিশ জানালেন অতিথিরা ।

Advertisements

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.