সাগর, আই লাভ ইউ

1473

রাস্তা পেরোবার জন্য ফুটপাথ থেকে নামতে  গিয়ে আটকে গেলাম। আট-‌দশটা মেয়ে আটকে দিল। 

মেয়েদের পথ আটকানো সব সময়েই রোমাঞ্চকর। সত্যি বলতে কী, যুগ যুগ ধরে নারীই পুরুষের পথ আটকেছে। কখনও গভীর দৃষ্টিতে, কখনও চকিতের অপলক চাহনিতে,  কখনও হেসে, কখনও কেঁদে, কখনও থরথর ওষ্ঠে, কখনও আবার দু’‌বাহুতে জড়িয়ে। একটাই কথা— যেতে নাহি দিব, ওগো যেতে নাহি দেব।

পুরুষও একথা শোনবার জন্য অধীর হয়ে অপেক্ষা করে। জীবনে সেই নারী কবে আসবে যে পথ আটকাবে?‌ একমাত্র মহামানবরা কেউ কেউ এই বাধা অতিক্রম করছেন। গৌতম বু্দ্ধ, সম্রাট অশোক, হিউ এন সাং। স্ত্রী-‌পুত্র পরিজনকে রেখে এরা বেরিয়ে পড়েছিলেন কখনও মুক্তির সন্ধানে, কখনও শান্তির সন্ধানে, কখনও জীবনের সন্ধানে।

আমি বেরিয়েছি কান্নার সন্ধানে। টু বি স্পেসিফিক, কান্নার কারণ সন্ধানে। ফুটপাথের উলটো দিকের মেয়েটি কাঁদছে কেন?‌ তার কী হয়েছে?‌  

কিন্তু ওর কাছে যাব কী করে?‌ আট-‌দশ জন মেয়ে তো আমার পথের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কলেজের ফুটফুটে মেয়ের দল। তারা খলবল খলবল করছে। হাসছে,লাফাচ্ছে,ডিঙি মারছে। সেই সঙ্গে উফ্‌,আফ্‌ করছে। কেউ কেউ আবার হাতের উলটো পিঠ দিয়ে চোখের জলও মুছছে। ব্যাপারটা কী?‌ আজ কি মেয়েদের কান্নাকাটির দিন নাকি!‌ ভ্যালেনটাইনস ডে,টিচারস ডে,মাদারস ডে,ফাদারস্‌ ডে-‌র মতো কান্না ডে?‌

না,আজ ওদের ফুচকা ডে।

কলেজের মেয়েরা ভিড় করে ফুচকা খাচ্ছে। গোল হয়ে ঘিরে রেখেছে ফুচকাওলাকে। আমি সেই ভিড়ে আটকেছি। এই দৃশ্য দেখে একটা ঘটনা মনে পড়ে যাচ্ছে। তখন কলেজে পড়ছি। অপরূপ হন্তদন্ত হয়ে এসে বলল,‘‌তোরা আমায় কিছু টাকা দিতে পারবি?‌’‌

রানা বলল,‘‌কী করবি? সিনেমা যাবি?‌‌’‌

অপরূপ বলল,‘‌ব্যবসা করব। বিজনেস।’‌

তীর্থ বলল, ‘‌লেখাপড়া ছেড়ে দিবি?‌’‌

অপরূপ হাত পা নেড়ে বলল,‌‘‌বিজনেস দাঁড়িয়ে গেলে অবশ্যই ছেড়ে দেব। সমস্যা কী?‌ পৃথিবীর যাবতীয় শিক্ষাই তো ইনকামের জন্য। জ্ঞান অর্জন টর্জন সব ঢপের কথা। সে তুই কব্‌লারই বল,আর ডাক্তারই বল। ঝাড়ুদারই বল আর প্রফেসরই বল। আর্টিস্টই বল আর সায়েনটিস্টই বল। সবার আলটিমেট ধান্দা ইনকাম। কোন শালা জ্ঞান চিবিয়ে খায়?‌ তাহলে আমার কী দোষ?‌’‌  

আমি ভুরু কুঁচকে বললাম,‘বিজনেস যদি ফেল করে?‌ তোর পরীক্ষার মতো? সেকেন্ড ইয়ারে তো ভাল গাড্ডা খেয়েছিস। বিজনেসে গাড্ডা খেলে টাকা ফেরাবি কী করে?‌’‌

অপরূপ আমার দিকে কটমট করে তাকিয়ে বলল, ‘‌তোকে দেখতে হবে না সাগর। তোর তো আমাকে ধার দেওয়ার মুরোদ নেই। টাকা ফেরতের প্রশ্ন আসছে কেন? আমার এই বিজনেস ফেল করে না। এই বিজনেস কখনও ফেল করেনি। বিজনেসের ইতিহাসে এই বিজনেসের কথা একদিন স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।‌’

মন্দার চোখ বড় করে বলল,‘‌কীসের বিজনেস?‌’‌

অপরূপ ঠোঁটের কোনায় হাসি এনে বলল,‘‌ফুচকা। ঠিক করেছি, মেয়েদের স্কুল কলেজের সাম‌নে ফুচকার ঝুড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে যাব। বিজনেস ও প্রেম একসঙ্গে চালাব। দে টাকা বের কর।’

মনে আছে সেদিন আমরা অপরূপকে চাঁদা করে চাঁটি মেরেছিলাম।‌

আজ সেই গল্প মনে পড়ে গেল। ফুচকার আনন্দেই মেয়েরা লাফাচ্ছে,হাসছে,কাঁদছে,এ ওর গায়ে ঢলে পড়ছে। অপরূপের ভাবনা ভুল ছিল। ফুচকা টাইমে নারীজাতির কাছে প্রেম,বিরহ অতি তুচ্ছ বিষয়। তখন মন শুধু ফুচকায়।  

‘‌ফুচকাকাকু,আমাকে আরও পাঁচটা দাও।’‌

‘‌অ্যাই,আমারটায় ঝাল বেশি দেবে।’

‘‌তেঁতুল জলে টক কই?‌’

‘পুর জাদা ডালো।‌ আলু ইতনা কম কিউ? ছোটা লেড়কি কা সাথ ফাঁকি মারতা হ্যায়?‌‌’

‘‌আমাকে আরও ঝাল দাও। নবীনার চোখে জল,আমার চোখে জল নেই কেন?‌ আমি কি মাগনা খাচ্ছি?‌’

‘ফুচকা আঙ্কেল,আমার ফাউটা কোথায়?‌‌’

আমি থমকে দাঁড়িয়েছি। এই দৃশ্য আমি আজ প্রথম দেখছি এমন নয়,বহুবার দেখেছি। তারপরেও আজ আবার মুগ্ধ হয়ে দেখছি। মনে হচ্ছে,ফুচকার মতো আন্দদময় খাবার দুনিয়ায় আর দ্বিতীয়টি নেই। নারী জাতি ফুচকার জন্য যা খুশি করতে পারে। যে ভাল ফুচকাওলার সন্ধান দেবে তাকে যেমন চকাস করে চুমু খেয়ে ফেলতে পারে,আবার যে ফুচকা খাবার সময় বিরক্ত করবে তাকে খুনও করতে পারে। হাবলা,গোবালা,লাজুক মেয়ে গায়ে কাপড়,ওড়না ঢাকাঢুকি দিয়ে যে উৎসাহে ফুচকে খায়, ফর্‌ফরে স্মার্ট মেয়ে হট প্যান্ট,স্যান্ডো গেঞ্জি পরে সমান উৎসাহে ফুচকা খায়। হাওয়াই চপ্পলে সেফটিপিন লাগানো মেয়ে বাস ভাড়া বাঁচিয়ে দীর্ঘ পথ হেঁটে যেতেপারে ফুচকার টানে। আবার অডি গাড়ি চড়া মেয়েও ফুচকা সাঁটাতে হেদুয়া পার্কের মোড়ে ঘুর ঘুর করে। ফুচকাওলাকে ঘিরে যে ভিড় হয় তাই নিয়ে যাদবপুর বা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষনা হতে পারে। গবেষনার নাম হবে ‘‌‌অ্যান ইন ডেপথ স্টাডি অব ফুচকা ক্রাউড’‌। গবেষনার মুখবন্ধে লেখা থাকবে—ফুচকা ইজ দ্য সিম্বল অব সোশাল ইকুয়ালিটি। সমাজের সব ধরনের নারীজাতিকে ফুচকার পাশে পাওয়া যায়। স্কলারের পাশে ফেলু,শাশুড়ির পাশে পুত্রবধূ,নেত্রীর পাশে পকেটমার, ইউনিভার্সিটির প্রফেসরের পাশে কলগার্ল। 

আচ্ছা,ফুচকার নাম ফুচকা কেন?‌ যিনি এই বিষ্ময়কর খাদ্যটি আবিষ্কার করেছিলেন তার নাম কি ফুচকা ছিল?‌      

‌ফুচকা মেয়েদের টপকে আমি রাস্তা পোরোলাম।   

এবার আমি কাঁদুনে মেয়েটির কাছাকাছি চলে এসেছি। রুমালের রঙ মনে হচ্ছে নীল। নীল নাও হতে পারে। নীলের কাছাকাছি কোনও শেড হতে পারে। আবার সম্পূর্ণ অন্য কোনও রঙও হতে পারে। বিকেলের এই সময়টায় আকাশের আলো রঙ নিয়ে নানা ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি করে। রঙ গুলিয়ে দেয়। সবুজকে নীল মনে হয়,লালকে মনে হয় বেগুনি। সম্ভবত অন্ধকারে ঢোকবার আগে প্রকৃতি নিজেকে অ্যাডজাস্ট করে। হয়তো তার রাগ হয়। অন্ধকারে যেতে ইচ্ছে করে না। উল্টোটাও হতে পারে। অন্ধকারে যেতে ভাল লাগে,তাই রঙ নিয়ে খেলে। আমার মাঝে মাঝেই জানতে ইচ্ছে করে,আসল ঘটনা কী। রেবাকে একটা ফোন করলে কেমন হয়?‌ 

ফোন অবশ্যই হবে মনফোনে। আমার মনফোন ইতিমধ্যেই জনপ্রিয়। জিও কানেকশনের থেকেও বেশি। তার কারণ,এই ফোনে খরচাপাতির কোন ব্যাপার নেই। মোবাইল সেট সঙ্গে নিতেও হবে না,হারাবেও না। সবটাই তো মনে মনে। যে ফোন করছে সেও মনে মনে কথা বলছে ,যে ফোন ধরছে সেও মনে মনে শুনছে। আমার মতো বেকার,অলসদের কাছে তো মনফোন লা জবাব। ঘুমোতে ঘুমোতেও প্রিয়জনের সঙ্গে কথা বল। যারা কড়া জায়গায় থাকে,যেমন অফিস,স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল তাদেরও বিরাট সুবিধে। কাজ করতে করতে মনফোন চালু করা যায়। বস ধরতেই পারবে না। 

রেবার সঙ্গে আমি প্রায়ই এই ফোনে কথা বলি। 

‘‌রেবা কেমন আছ?‌’

‘‌এতক্ষন ভাল ছিলাম,এখন আর বুঝতে পারছি না। তুমি যেই ফোন করলে সব এলোমেলো হয়ে গেল।’‌

‘এসব তোমার বানানো কথা রেবা। তুমি কোনওদিনই আমাকে বুঝতে চাও না।’‌

‘‌তোমাকে বুঝে লাভ নেই সাগর। একটু পরেই মনে হবে, এতক্ষন যা বুঝেছিলাম তা ভুল বুঝেছিলাম। এবার যা বুঝব সেটাই হয়তো ঠিক। পরক্ষনেই মন বলবে,না,এটাও ঠিক নয়।’‌

‘‌তুমি কি আমাদের দু’‌জনের সম্পর্কের বিষয়টা বোঝো?‌’‌

‘দুজনেরটা বুঝি না,তবে তোমারটা ‌বুঝি সাগর। আমি জানি তুমি আমাকে যেমন ভালবাস,তেমন ভালবাসও না। ভালবাসা এবং না ভালবাসা দুটোই তীব্র।’

‘‌আর তুমি?রেবা তুমি কি তোমার নিজের মনের কথা জানো?‌’

‘‌জানি বৈকি। আমি তোমাকে কাছ থেকে যত না ভালবাসি, দূর থেকে ভালবাসি অনেক বেশি। তোমার সঙ্গে কথা না বললে মনে হয় কত কথাই না বলছি!‌ এই যে কলকাতা থেকে, তোমার কাছ থেকে পালিয়ে এসেছি,এসে রয়ে গিয়েছি লামডিঙে,সে তো তোমাকে ভালবাসব বলেই। এখানে যখন বাবার ফার্ম হাউসে ঘুরে নার্সারিতে কাজ করি,ফুল-‌ফলের বাগান করি,আমাদের তৈরি করা স্কুলে পাহাড়ি বাচ্চাদের পড়াই,তুমি তো তখন পাশেই থাক সাগর। থাক না?‌ কলকাতায় কি কখনও এমন করে তোমাকে পেয়েছি?‌’

আমি চুপ করে থাকি। এই জন্যই রেবাকে আমি ভালবাসি। সেই ভালবাসা আগুনের হলকার মতো তীব্র,বরফের কুচির মতো কঠিন। অস্বীকার করবার উপায় নেই। যাকে বলে ইরেসিসটেবল। তাই কখনও কাছে ছুটে যাই,কখনও পালিয়ে বেড়াই। এত ভালবাসা নেবার ক্ষমতা আমার কি আছে?‌   

‘‌আচ্ছা রেবা,বিকেল কি আলো নিয়ে খেলা করে?‌’‌

ওপাশ রেবা চুপ করে থাকে। আমি হ্যালো হ্যালো করে যাই। রেবা কোনও উত্তর দেয় না। হয় সে ফোন কেটে দিয়েছে, নয়তো নিঃশব্দে কাঁদছে। ও এমনই। আমাকে বড্ড ভালবাসে।  

আমি মনফোন কেটে দিলাম। ভালোবাসার কারণে কেউ কান্নাকাটি করলে তাকে বিরক্ত করতে নেই।

যাই হোক,একবার বিকেলের রঙ গুলিয়ে দেওয়া নিয়ে বিরাট গোলমালে পড়েছিলাম। 

গোলমালে পড়া আমার কাছে নতুন কোনো বিষয় নয়। সাগর গোলমালে পড়বে না তো কে পড়বে? বরং দীর্ঘ সময় গোলমালহীন জীবন‌ হলে আমার হাঁসফাঁস লাগে। মনে হয় মানুষ নয়,গাধার জীবন কাটাচ্ছি। খালি ঘাস খাই আর মোট বহন করি। তখন নিজেই গোলমাল তৈরি করি। সেদিনকার গোলমালও আমি তৈরি করেছিলাম। এসপ্ল্যানেডের মোড় দিয়ে হাঁটছিলাম। এলোমেলো হন্টন। উদ্দেশ্য নাথিং।  হঠাৎ দেখি উল্টো দিক থেকে একটা মিছিল আসছে। শুধু আসছে না, একবারে তেড়েফুঁড়ে আসছে। কাঁধে পতাকা, হাতে লাঠিসোঁটা। যুদ্ধংদেহি ভাব। সামনে লোক পড়ে গেলে ধাক্কা মারছে,গাড়ির ওপরলাঠির বাড়ি লাগাচ্ছে। কে একজন প্রতিবাদ করতে গেল,তাকে ঠাসিয়ে দিল এক চড়। একজন মিছিল পেরোতে গেলে লিকপিকে এক পতাকাধারী তার পশ্চাতদেশে মারল এক লাথি। বেচারি হুমড়ি খেয়ে পড়ে আর কী। শ্লোগানের তালে তালে মিছিলকারীরা দিচ্ছে ধমক।

‘‌মানছি না মানব না,অ্যাই বেটা বাস থামা।’‌

‘আমাদের দাবি মানতে হবে,অ্যাম্বুলেন্স,তুই পিছে আয়।‌’‌

‘‌কালো হাত গুঁড়িয়ে দাও,মিছিল টপকালে ধোলাই হবে, পেটাই হবে।’

‘‌গরিব মানুষের জন্য লড়ছি,লড়ব,এই শালা,তুই রাস্তা ছাড়্‌। নইলে তোর বিপদ আছে।’‌‌

রাস্তার সবাই তটস্থ। মেয়েরা ছুটে পালাচ্ছে। আমারও হাত পা ঠান্ডা। আমি ফুটপাথের ওপর তাড়াতাড়ি উঠে পড়েছি। পাশ থেকে একজন গোবেচারা ধরনের মাঝবয়সী ভদ্রলোক কাঁপা গলায় বললেন,‘‌চুপ করে থাকবেন না ভাই। ওদের সঙ্গে গলা মেলান। নইলে ভাববে,আপনি অপনেন্ট। তখন ফুটপাথে উঠে এসে মারবে। মিছিলকারীরা অপনেন্ট সহ্য করতে পারে না।’‌

আমি বললাম,‘কী বলব‌?‌’‌

‘‌ওদের দলের নামে জয়ধ্বনি দিন। দেরি করবেন না। ওই ওরা এসে পড়ল।’

‌আমি বিকেলের আলোয় দেখলাম,মিছিলের লোকজনের হাতে হলুদ পতাকা। আমি হাত মুঠো করে আকাশের দিকে ছুঁড়লাম। চিৎকার করে উঠলাম—

‘আমার দল,তোমার দল,হলুদ দলই সবার দল।’‌

চিৎকার করেই বুঝলাম,বিকেলের আলো রঙ নিয়ে আমার সঙ্গে খেলা করেছে।  হলুদ নয়,পতাকার রঙ আসলে বেগুনি। দল হলুদ নয়,দল বেগুনি।

মিছিল ছেড়ে দুটো হুমদো লোক আমার দিকে এগিয়ে এলো ।  

চলবে…

প্রথম পর্বের লিংক – https://banglalive.com/novel-by-prachet-gupta/

Advertisements
Previous articleরোজকার কিছু অভ্যাস বাড়ি থেকে নেগেটিভ এনার্জি দূরে সরিয়ে পজিটিভ এনার্জিতে ভরিয়ে তুলতে পারে
Next articleবেনোজল
প্রচেত গুপ্ত
জন্ম : ১৪ অক্টোবর, কলকাতায়, ১৯৬২ সালে | কলকাতার গায়ে বেড়ে ওঠে শহরতলি বাঙুর এভিনিউতে স্কুলের পড়াশোনা, বড় হওয়া | স্কুলজীবন থেকেই খেলাধুলার সঙ্গে লেখালেখির নেশা | প্রথম লেখা মাত্র ১২ বছর বয়সে আনন্দমেলা পত্রিকায় প্রকাশিত হয় | তারপর বিভিন্ন পত্রিকায় নিয়মিত লেখা চলতে থাকে | গোড়ার দিকে ছোটদের জন্য লেখাতেই বিশেষ ঝোঁক ছিল | স্কুল শেষ হলে স্কটিশ চার্চ কলেজ | এরপরই একটা দুটো করে বড়দের জন্য লেখার শুরু | অর্থনীতিতে স্নাতক হয়ে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসাবে বেছে নেওয়া | বিভিন্ন পত্রিকায় গল্প প্রকাশিত হতে থাকে নিয়মিত | প্রথম উপন্যাস 'আমার যা আছে' প্রকাশিত হয় আনন্দলোক পত্রিকায়, ২০০৪ সালের পূজাবার্ষিকীতে |

2 COMMENTS

  1. ভীষণ কিউট গল্প এগোচ্ছে। এই প্রথম পড়ছি বোধহয় আপনার লেখা…
    পরের পর্বের অপেক্ষা থাকল…

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.