সাগর, আই লাভ ইউ

2025
prachet gupta novel

এক

গড়িয়াহাট দিয়ে যাচ্ছি । যাচ্ছি স্রোতস্বিনীর সঙ্গে দেখা করতে । সে আমার জন্য অপেক্ষা করছে । লেট হয়ে গেছে । তারপরেও আমার তাড়াহুড়ো নেই । তার কারণ, স্রোতস্বিনী আর পাঁচজন মেয়ের মতো নয় । মেয়েরা অপেক্ষা করতে পছন্দ করে না । রেগে যায় । অভিমান করে । সেরকম হলে কথা বন্ধ করে দেয় । স্রোতস্বিনী এসব করে না । সে অপেক্ষা করতে পছন্দ করে ।

‘জানো সাগর, ‌কারও জন্য অপেক্ষা আমার দারুণ লাগে । লোকজন ঘুরে ঘুরে আমাকে দেখে । আমিও কত কিছু দেখতে পাই, সেসব আমি আগে কখনও দেখেছি বলে মনে পড়ে না । তাছাড়া অপেক্ষা করবার মধ্যে একধরনের আনন্দ আছে।’

আমি অবাক হয়ে বলি,‘ আনন্দ!‌ কীসের আনন্দ স্রোতস্বিনী?’

স্রোতস্বিনী হেসে বলে,‘খানিক পরেই দেখা হবে এই আনন্দ । অপেক্ষা ছাড়া এই আনন্দ পাওয়া যায় না।’

আমি অবাক হই । সত্যি তো ‘দেখা হবে’র মতো আনন্দ কী সে আছে? 

এই কারনে ধীরে সুস্থে যাচ্ছি । হিসেব মতো, এতক্ষনে কফি শপের সামনে স্রোতস্বিনীর চলে আসার কথা । এই  গতিবেগে হাঁটলে মেয়েটাকে যথেষ্ট সময় অপেক্ষা করাতে পারব । কিন্তু গড়িয়াহাট মোড়ে রাস্তা পার হতে গিয়ে  থমকে গেলাম । না থমকে উপায় নেই । রাস্তার ওপাশে যে দৃশ্য দেখতে পাচ্ছি তাতে যে কেউ থমকে যাবে । একটি অসামান্য সুন্দরী.‌.‌.‌।  

আমি কে? আমি একজন যুবক । আমার নাম সাগর । আমাকে বেশি মানুষ চেনে, কম মানুষ চেনে না । সমস্যা হল, আমার বারবার এই ‘কম মানুষ’দের  সঙ্গে দেখা হয় । ফলে তারা আমাকে চিনতে পারে না । অন্য কেউ হলে বিষয়টাকে দুর্ভাগ্যজনক বলে মনে করত । মাথা চাপড়াত । আমি করি না ।  আমি জানি, আমি অঙ্কের একটা জটিল নিয়মের মধ্যে ঢুকে আছি । লুডো খেলার সময় ডাইসে ছক্কা না পুট আসবে সেটা নির্ভর করে এই নিয়মের ওপর । একে বলে প্রবাবিলিটি বা সম্ভাবনা । সম্ভাবনা হিসেব করে নির্দিষ্ট ব্যবধানে সবকিছু আসা যাওয়া করে । লুডোর পুট ও ছক্কা, জীবনের অবহেলা ও ভালবাসা । আমারবেলাতেও তাই ঘটছে । এখন আমি রয়েছি কম মানু্ষের পাল্লায় । তাই চেনাচিনির মধ্যে নেই । আমাকে অপেক্ষা করতে হবে ।  প্রবাবিলিটির নিয়ম মেনে এক সময়ে বেশি মানু্ষের মধ্যে গিয়ে পড়ব । যারা আমাকে চেনে তাদের মাঝখানে । তখন অটোগ্রাফ আর ফটোগ্রাফ দিতে দিতে মাথা খারাপ হয়ে যাবে ।

‘সাগর, একটা অটোগ্রাফ প্লিজ।’

‘এটা লাস্ট কিন্তু । এত সই দিচ্ছি যে আমার হাত ব্যথা করছে । আর নয় । কিছুতেই নয়।’

‘সাগরদা, একটা ফটোগ্রাফ প্লিজ । আমার সঙ্গে একটা সেলফি।’

‘উফ্‌ আর নয় । পরেরবার যখন আসব তখন ছবি তুলব।’

যাই হোক, এসব যবে হবে তবে হবে । লুডোর ডাইস যখন ছক্কা ফেলবে তখন দেখা যাবে । এখন যারা আমাকে চেনে না, অল্প চেনে বা চেনবার কোনও ইচ্ছে নেই, তাদের কাছে নিজের পরিচয় ছোটো করে দিয়ে রাখি ।

তার আগে চট করে বলে নিই, রাস্তা পেরোতে গিয়ে কেন থমকেছি । 

ঘোর বিকেলে গড়িয়াহাটার মোড়ে কোনো  মেয়েকে কাঁদতে দেখলে না থমকে উপায় আছে? মেয়েটির বয়স মেরে কেটে বাইশ তেইশ । খুব বেশি হলে চব্বিশ । ফুচপাথের এপাশ থেকেই বুঝতে পারছি মেয়েটি অতিরিক্ত সুন্দরী । কাছে গেলে না জানি কী রূপ দেখব । হাতের রুমাল দিয়ে মেয়েটি ঘনঘন চোখ মুচছে । 

একজন তরুণী প্রকাশ্যে দাঁড়িয়ে কাঁদবে কেন? মেয়েটির নাম কী? কোনও মেয়ে সুন্দর করে হাসলে যেমন তার নাম জানতে ইচ্ছে করে, কোনও মেয়ে সুন্দর করে কাঁদলেও তার নাম জানতে ইচ্ছে করে । সম্পূর্ণ বিপরীত ক্রিয়ায় একই প্রতিক্রিয়া । আশ্চর্য!‌‌‌ আসলে জীবনটাই খুব আশ্চর্যের । আমি এই আশ্চর্য জীবনের স্বাদ চেটেপুটে নিতে চাই । কিছু সময় পারি, বেশিরভাগ সময়েই পারি না । অস্থির লাগে । তারপরেও চেষ্টা করি ।

নিজের নাম তো আগেই বলেছি । আমি একজন অলস যুবক । কাজকর্ম তেমন কিছু করি না । লোকে চাকরি বাকরি না পেয়ে বেকার থাকে । আমি চাকরি বাকরি পেয়েও বেকার । শুনতে অবাক লাগলেও ঘটনা সত্যি ।‌ বহু সুযোগ পেয়েছি, কিন্তু চাকরিতে ঢুকিনি । জোর করে চাকরিতে ঢোকাতে গেলে পালিয়ে গেছি ।

 একবার চাকরির ফাইনাল ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে এসপ্ল্যানেড থেকে বাস ধরে ঝাড়গ্রাম চলে গিয়েছিলাম । আমার বন্ধু তমাল ‘ধরা করা’ করে সেই চাকরির ব্যবস্থা করেছিল । ইন্টারভিউ-ফিউ ছিল লোক দেখানো । গেলেই কাজটা হয়ে যেত । আমি পালিয়ে গিয়ে ঝাড়গ্রাম থেকে চিঠি লিখেছিলাম ।

‘ভাই তমাল, আমার ওপর রাগ করিস না । এসপ্ল্যানেডের দূরপাল্লার বাস গুমটির পাশ দিয়ে যখন যাচ্ছিলাম হঠাৎ শাল-‌মহুয়া গাছের গন্ধ পেলাম । তীব্র গন্ধ । আমি থমকে গেলাম । বুঝতে পারলাম, এই গন্ধ এড়ানোর ক্ষমতা আমার নেই । আমি চাকরির ফাইলপত্র নিয়েই ঝাড়গ্রামের বাসে উঠে পড়ি । প্লিজ, রাগ করিস না । যদি চাস দুদিনের জন্য এসে ঘুরে যা । মহুয়া খাওয়াব।’

আমার এই কর্মকান্ডে তমাল আমাকে মারতে বাকি রে‌খেছিল । সে আমার সঙ্গে ছ’মাস কথা বলেনি । খুবই ঠিক করছিল । আমি হলে কোনওদিন কথা বলতাম না । ‘ধরা করা’র‌ চাকরি জোগাড় করা সহজ কথা নয় ।‌ 

তমাল আমার ভয়ংকর রকমের বন্ধু । বাইরে আমাকে সহ্য করতে পারে না, ভিতরে মারাত্মক ভালবাসে । মস্ত চাকরি করে । যখই আমার পকেট গপ্পা থাকে, ওর কাছে চলে যাই । গিয়ে টাকা ধার চাই । বিরাট চেঁচামেচি শুরু করে হারামজাদা ।

‘বেরিয়ে যা । এখনই ঘর থেকে বেরিয়ে যাবি । তোর লজ্জা করে না? চাকরি দিলে চাকরি করবি না, ঘরে শুয়ে ঘুমোবি, তারপরে আবার ধার চাইতে এসেছিস!‌ দূর হয়ে যা । এক পয়সাও দেব না । ভিখিরি কোথাকারে।’

আমি নিশ্চিন্তে বেরিয়ে আসি । কারন আমি জানি পরেরদিন কী হবে ।

পরেরদিন যা হবার তাই হয় । সকালবেলা তমালের বিশাল মার্সিডিজ বেনজ আমার গলির মোড়ে এসে দাঁড়ায় । সরু গলিতে অতবড় গাড়ি ঢুকতে পারে না । ড্রাইভার কম্বল বেজার মুখে এসে আমার ঘুম ভাঙায় । একটা খাম ধরিয়ে দেয় । তমাল পাঠিয়েছে । আমার ধারের টাকা । খামের ওপর লেখা—‘লাস্ট টাইম’। ‌ তমাল  এরকম ‘লাস্ট টাইম’ বহুবার লিখেছে ।        

 দশটা পাঁচটার বাঁধাধরা কাজে আমি নেই । এক সময়ে দশটা-‌পাঁচটার অফিস বলতে বোঝাতো, সকাল দশটা থেকে বিকেল পাঁচটা । এখন অফিসের টাইম কনসেপ্ট বদলে গেছে । আইটি অফিসগুলোয় রাত দশটাতেও ডিউটি  শুরু হয়, চলে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত । একসময়ে মনে হত, খুবই বিচ্ছিরি সময় । আহারে, বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলোকে রাত জাগতে হয় । বেচারিরা ঘুমতে পারে না । আমার মাসতুতো ভাগ্নি ফুটফুটি আমার এই কথা শুনে হেসে কুটোপাটি খেল ।

‘কী বলছো ছোটোমামা!‌ কোন যুগে  পড়ে আছও? আইটির কাজটাই তো হয় গোটা বিশ্ব জুড়ে । বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কাজ । কোন দেশে কখন দিন কখন রাত তার কোনও ঠিক আছে?’

আমি মাথা নেড়ে বললাম,‘তা হোক । তোদের তো রাত ঘুম হয় না । ঠায় জেগে থাকতে হয়।’

ফুটফুটি বলল, ‘ছোটোমামা, ইয়ং জেনারেশন রাতে ঘুমোয় না । স্টুডেন্ট লাইফেও ঘুমোয় না, জব লাইফেও নয় । রাত আমাদের ফেভারিট টাইম । আমরা যেমন রাতকে ভালবাসি, রাতও তেমন আমাদের ভালবাসে । রাতের সঙ্গে আমরা প্রেম করি । গান শুনতে শুনতে প্রেম করি, ফেসবুক করতে করতে প্রেম করি, কাজ করতে করতে প্রেম করি।’

ফুটফুটির কথা শোনবার পর আমার ধারনা বদলে গেল । মেয়েটা দারুণ বলল তো । হেসে বললাম,‘ও, তাহলে তোরা হলি আটুর।’

ফুটফুটি ভুরু কুঁচকে বলল,‘আটুর!‌ সেটা কী?’

আমি বললাম,‘বাদুড়ের আইটি ভাই-‌বোন । বাদুড় যেমন রাতে জাগে, তোরাও তেমন রাতে জাগিস । তাই আটুর।’

ফুটফুটি ফের হেসে গড়িয়ে পড়ল । বলল,‘দাঁড়াও ছোটোমামা, এফবিতে সবাইকে জানাই । সব থেকে ভাল হবে যদি একটা গ্রুপ খুলি । আটুরস গ্রুপ।’       

যাই হোক, আবার নিজের পরিচয়ে ফিরি । সব মানুষই আসলে কোনও না কোনও ভাবে পাখি । কেউ পেঁচার মতো গম্ভীর, কেউ চড়াইয়ের মতো ফাজিল । কেউ শকুনের মতো ক্রুর, কেউ পানকৌড়ির মতো বিন্দাস । কারও পছন্দ খাঁচা, কেউ ভালবাসে মুক্ত থাকতে । আমি খাঁচার পাখি নই, আমি  মুক্ত পাখি । মুক্ত পাখির সমস্যা আছে । দানাপানির ঠিক ঠিকানা থাকে না । খাঁচার পাখির ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, ডিনার নিয়ে চিন্তা নেই । সব টাইমে টাইমে মুখের কাছে চলে আসে । চাইলে ভোরে বেড টি, বিকেলে হালকা ফল, সন্ধ্যের পর হুইসকি ।

মুক্ত পাখির এই সুবিধে নেই । আমারও নেই । রোজগার বলতে গোটা কয়েক টিউশন, বইপাড়ায় প্রুফ দেখা । বাকিটা চলে ধারদেনা আর টুকটাক অড জবসে । অড জবস হল উদ্ভট ধরনের কাজ । কারও আত্মীয় সেজে হাসপাতালে রাত জাগা, কারও বয় ফ্রেন্ড সেজে চাকরির ইন্টারভিউ দিতে যাওয়া, কখনও স্বামী-‌স্ত্রীর মানভঞ্জন । এই সব কাজ করেও কিছু টাকা পাই । থাকি এককামরার ঘর ভাড়া করে । ভাড়া বাকি পড়ে যায় । খাই গলির মোড়ের ভাত ডালের হোটেলে । সেখানেও মাসকাবারি সিস্টেম । ঘুমোতে ভালবাসি । অতি শান্তিপ্রিয় প্রাণী । শুধু ক্ষমতার মাতব্‌বরি মোটে সহ্য হয় না । মাথায় আগুন ধরে যায় । তেমন বাড়াবাড়ি করলে শাস্তি দিয়ে ফেলি । 

কোনও এক রহস্যময় কারনে আমার মতো অকর্মন্য, গুড ফর নাথিং ছেলেকে কিছু মানুষ অতিরিক্ত ভালবাসে । মনে হয়,  সকলের মনেই সাগর হবার একটা গোপন ইচ্ছে লুকিয়ে থাকে । সকলেই শেষ পর্যন্ত মুক্ত পাখি হতে চায় ।             

যাই হোক, ফুটপাথের এপাশে দাঁড়িয়ে আমি বুঝতে চাইছি যে মেয়েটা কাঁদছে তার হাতের রুমালের রঙ কী ? নীল না সবুজ? নাকি অন্য কিছু? কেউ ভাবতে পারে কান্নাকাটির মতো একটা সিরিয়াস সময়ে রুমালের মতো তুচ্ছ জিনিস নিয়ে মাথা ঘামানোর দকরকার কী? মেয়েটি তো আর রুমালের রঙের কারণে কাঁদছে  না । এমন তো নয়, রুমালের রঙ সবুজ হলে সে কাঁদত না, নীল বলে কাঁদছে । তাহলে? 

 আসলে এটা হল ‘তুচ্ছ তত্ত্ব’। এই তত্ত্ব আমার নিজের । নাম দিয়েছি ‘সাগরের তুচ্ছ তত্ত্ব’। তত্ত্বে বলা হয়েছে, সামনে যখন জ‌টিল বিষয় এসে পড়বে তখন ছোটোখাটো, হেলাফেলার জিনিস নিয়ে মাথা ঘামাতে হবে । এতে জটিল বিষয় অপমানিত হবে । অপমানিত হয়ে নিজে থেকেই সরে দাঁড়াবে । যারা মনে করে, মান অপমান শুধু মানুষের ব্যাপার, তারা ভুল মনে করে । সবারই মান অপমান আছে । জড় বস্তু থেকে শুরু করে ধারনা, বোধ, বিশ্বাস — কেউ বাদ যায় না । তারাও প্রেম ভালবাসায় গদগদ হয়, রাগ দুঃখে ঠোঁট ফোলাতে চায় ।  

চলবে…

Advertisements
Previous articleহুকিল-উকিল
Next articleভগবান আসছেন
প্রচেত গুপ্ত
জন্ম : ১৪ অক্টোবর, কলকাতায়, ১৯৬২ সালে | কলকাতার গায়ে বেড়ে ওঠে শহরতলি বাঙুর এভিনিউতে স্কুলের পড়াশোনা, বড় হওয়া | স্কুলজীবন থেকেই খেলাধুলার সঙ্গে লেখালেখির নেশা | প্রথম লেখা মাত্র ১২ বছর বয়সে আনন্দমেলা পত্রিকায় প্রকাশিত হয় | তারপর বিভিন্ন পত্রিকায় নিয়মিত লেখা চলতে থাকে | গোড়ার দিকে ছোটদের জন্য লেখাতেই বিশেষ ঝোঁক ছিল | স্কুল শেষ হলে স্কটিশ চার্চ কলেজ | এরপরই একটা দুটো করে বড়দের জন্য লেখার শুরু | অর্থনীতিতে স্নাতক হয়ে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসাবে বেছে নেওয়া | বিভিন্ন পত্রিকায় গল্প প্রকাশিত হতে থাকে নিয়মিত | প্রথম উপন্যাস 'আমার যা আছে' প্রকাশিত হয় আনন্দলোক পত্রিকায়, ২০০৪ সালের পূজাবার্ষিকীতে |

3 COMMENTS

  1. কতদিন পর সাগর কে দেখলাম। তার পিছু নিতে এখানে আসব বারবার। কখনও সামনা সামনি দেখা হলে জানতে চাইব, এত দিন কোথায় ছিলে?
    সাগর কি উত্তর দেবে?

  2. Pracheta Guptar uponyash Sagar I Love You, uponyaser nayok othoba mul choritroti Himu ar Neellohier misro adole toiri bole amar ontoto mone hoyeche. Oboshyo tate lekhar ros bindumatro khunno hoini ( mohot kono srishtir provab toh poroborti projonmer opor thaktei pare). Etotai jhorjhore godyo, choto choto bakyochoyon provab sotweyo swokiyotay poripurno. tantan. nirmed. Ek kothay onobodyo. Pathokke poroborti porber jonyo udgrib kore rakhe.

    Dhonyobad Pracheta ke .

  3. Onar lekha-i ajkaal Humayun Ahmed er abhas pai. Uni nijer maton lekhen na keno. Sei ager Prachet gupta. Sorry tabe na bole parchi na ajkaal Humayun ke baddo nakal karen

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.