প্রায় এক বছর ভেন্টিলেশনে থাকার পর আবার নিজের পায়ে দাঁড়াল সাত বছরের শিশু

প্রায় এক বছর ভেন্টিলেশনে থাকার পর আবার নিজের পায়ে দাঁড়াল সাত বছরের শিশু

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

কেনিয়ার সাত বছরের একটি শিশু বিগত এক বছর ধরে প্যারালাজইড ও ভেন্টিলেশনে থাকার পরে আবারও দাঁড়াতে পারল নিজের পায়ে | শিশুটি এখন সম্পূর্ণ সুস্থ | সে নিজে নিজেই হাঁটতে‚ খেতে ও নিঃশ্বাস নিতে পারছে | এই অসামান্য কাজটি করে দেখিয়েছেন কয়েকজন স্থানীয় চিকিৎসক | 

শিশুটির নাম ব্লাসিও ইয়োকো ইয়ামু | মোম্বাসার নিকটবর্র্তী একটি গ্রামের বাসিন্দা এই শিশুটি ২০১৬ সালে একদিন রাস্তায় খেলা করার সময় একটি গাড়ি তাকে ধাক্কা মেরেছিল | প্রাথমিক চিকিৎসা ও সিটি স্ক্যানের পরেও কয়েকদিন তাকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয় | কিন্তু তার মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের অবস্থার ক্রমশ অবনতি হতে থাকে | ঘাড়ের তলা থেকে তার সারা শরীর প্যারালাজইড হয়ে যায় | তাকে ভেন্টিলেশনে রাখতে হয় | ২০১৮ সালের আগষ্ট মাসে শিশুটিকে শহরে আনা হয় | অ্যাস্টর সিএমআই হাসপাতালে তার ডিপ ব্রেন স্টিমুলেশন  সম্পন্ন করা হয় |

অ্যাস্টর সি এম আই হাসপাতালের নিউরোসায়েন্স ডিপার্টমেন্টের মুখ্য এবং নিউরোসার্জারীর মূখ্য পরামর্শকারী ডাক্তার রবি গোপাল বর্মা জানিয়েছেন যে‚  ২০১৬ সালে শুধুমাত্র শিশুটির ঘাড়ের হাড়ে ধরে যাওয়া ফাটলেরই  চিকিৎসা করা হয়েছিল | কিন্তু তার স্পাইনাল কর্ডটির অবস্থান নড়ে যায় | তার ফলে তার নিঃশ্বাস নিতেও সমস্যা হতে থাকে | তার শরীরে অস্ত্রোপচারও করা হয় | 

ফ্রেনিক নার্ভ‚ যার সাহায্যে মানুষের মস্তিষ্ক শ্বাসপ্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করে‚ সেটি শিশুটির ক্ষেত্রে অক্ষতই ছিল | কিন্তু এই নার্ভটিকে ঘিরে থাকা পেশিগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল‚ যার জন্য শিশুটির নিঃশ্বাস – প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল | ডিপ ব্রেন স্টিমুলেশন প্রসেডিওরের মাধ্যমে ফ্রেনিক নার্ভকে ঘিরে থাকা ডায়ফ্রাম পেশিকে সক্রিয় করা হয় | পুরো ব্যবস্থাটিকে সক্রিয় রাখার জন্য পেসমেকারও বসানো হয়েছে |

ডাক্তার বর্মা আরো জানিয়েছেন যে‚ পুরো ব্যাপারটি সম্পন্ন হবার প্রায় দু সপ্তাহ পর পেসমেকারের সক্রিয়তার প্রভাব সারা দেহে ছড়িয়ে পড়ে | কিন্তু অনেকদিন ধরে ভেন্টিলেশন সাপোর্ট সিস্টেমে থাকার জন্য ব্লাসিওর স্বাভাবিকভাবে নিঃশ্বাস প্রশ্বাস নিতে খুবই সমস্যা দেখা দিচ্ছিল | দীর্ঘকালের অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসার ক্ষেত্রে নানারকমের সমস্যা হচ্ছিল | চাইল্ড সাইকায়াট্রি টিম ‚ কাউন্সেলর এবং মানসিক ভাবে দৃঢ় মনের মানুষ‚  ব্লাসিওর মায়ের নিয়মিত সহযোগিতায় খুব ধীরে ধীরে সে ভেন্টিলেটর থেকে বেরিয়ে অসার দিকে পা বাড়ায় | ব্যাঙ্গালোরে ব্লাসিওর চিকিৎসা চলাকালীন ব্লাসিওর মা‚ নোরাহ ইয়ামবুই তার সঙ্গে ছিলেন |  চিকিৎসা যাবতীয় খরচ কেনিয়ার সরকার বহন করেছে বলে জানা গেছে |

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Handpulled_Rikshaw_of_Kolkata

আমি যে রিসকাওয়ালা

ব্যস্তসমস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে কাটিয়ে হেলেদুলে যেতে আমার ভালই লাগে। ছাপড়া আর মুঙ্গের জেলার বহু ভূমিহীন কৃষকের রিকশায় আমার ছোটবেলা কেটেছে। যে ছোট বেলায় আনন্দ মিশে আছে, যে ছোট-বড় বেলায় ওদের কষ্ট মিশে আছে, যে বড় বেলায় ওদের অনুপস্থিতির যন্ত্রণা মিশে আছে। থাকবেও চির দিন।