ভ্যালেন্টাইনস ডে এ বার পালন করতে হবে ভাই-বোন হয়ে !

ভ্যালেন্টাইনস ডে এ বার পালন করতে হবে ভাই-বোন হয়ে !

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

আচমকাই যদি প্রেমের দিনটি ভাই-বোনের মতো করে কাটাতে হয় ! রসিকতা নয় । এমনটা সত্যিই হচ্ছে পাকিস্তানের ফৈজলাবাদ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য জাফর ইকবাল ঘোষণা করেছেন, ভ্যালেন্টাইনস ডে’র বদলে পালন করতে হবে ‘সিস্টারস ডে’। তাঁর কথায়, ইসলাম ধর্মের ঐতিহ্য অনুসারেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে । তাঁর বক্তব্য, পাকিস্তানের সংস্কৃতি এবং ইসলামের সঙ্গে সঙ্গতি রাখতেই নেওয়া হয়েছে এমন সিদ্ধান্ত । আরও জানিয়েছেন তাঁদের সংস্কৃতিতে মহিলাদের ক্ষমতায়নকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে । একজন মহিলা নিত্যদিন কারওর মা, বোন, স্ত্রী এবং মেয়ে হিসেবে যে ভূমিকা পালন করে চলেছেন, তার জন্য তাঁদের প্রাপ্ত সম্মান তাঁদের দেওয়া উচিত । আর সেই জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র কামার বুখারির পক্ষ থেকে অনুদান দাবি করা হয়েছে, যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১০০০ ছাত্রীকে মাথার স্কার্ফ উপহার হিসেবে দেওয়া যায় । এই উপহার দেওয়া হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে, কোনও পুরুষ সহপাঠীর তরফে কোনওরকম উপহার প্রদান করা চলবে না ।

এর আগেও ভ্যালেন্টাইনস ডে উদযাপন নিয়ে পাকিস্তানে বহু বিতর্ক হয়েছে। মৌলবাদীরা বলেন, ভ্যালেন্টাইনস ডে আসলে পশ্চিমী অপসংস্কৃতি, যা পাকিস্তানের সংস্কৃতির ওপর আঘাত আনছে।

উপাচার্য জাফর ইকবাল অবশ্য একে মোটেও ফতোয়া হিসেবে দেখতে রাজি নন । তাঁর বক্তব্য এটা শুধুই পরামর্শ। তিনি আরও জানান, ভাই-বোনের সম্পর্কের থেকে গভীর কোনও সম্পর্ক হতে পারে না । আর ‘সিস্টারস ডে’- তে, এই ভালোবাসার সম্পর্ক স্বামী-স্ত্রী বা প্রেমিক-প্রেমিকার সম্পর্ককেও ছাপিয়ে যায়। জাফরের এই মন্তব্য নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের কী বক্তব্য তা অবশ্য জানা যায়নি । সোশ্যাল মিডিয়াতে এই নিয়ে ইতিমধ্যেই ট্রোলিং শুরু হয়ে গিয়েছে । অনেকেই মন্তব্য করেছেন যে তাহলে তো আর ভ্যালেন্টাইনস ডে আর রাখী বন্ধনের মধ্যে আর কোনও পার্থক্যই রইল না।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ এবং ২০১৮ সালে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট পাকিস্তানে ভ্যালেনটাইনস ডে উদযাপনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। তার আগে ২০১৬ সালে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি মামনুন হুসেনও পাকিস্তানিদের ভ্যালেন্টাইনস ডে পালনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।