(সাক্ষাৎকার : তন্ময় দত্তগুপ্ত)

সোনার পাহাড় প্রশংসিত হয়েছে।মা ছেলের সম্পর্ক,সম্পর্কের জটিলতা আপনার ব্যক্তিজীবনের সঙ্গে কিছুটা জড়িত।এর বাইরে আর কোনও আউটলাইন ছিল ?

পরমব্রত : প্রচুর মা ছেলের গল্প আমাদের চারপাশেই দেখা যায় ।আমার বন্ধু বান্ধবদের মধ্যে এই সম্পর্কের অনেক দিক দেখেছি।মা ছেলের নৈকট্যের জায়গা পরবর্তী পর্যায়ে একরকম থাকে না। দূরত্ব তৈরী হয়।সিনেমায় এর প্রয়োগ আগেও দেখেছি।সম্পর্কের এই ডায়মেনশনকে কেউ নাটকীয় ভাবে প্রকাশ করে।কেউ অন্য ভাবে দেখায়।আমি বিষয়টাকে পার্সোনাল চেহারা দিয়েছি।

এই ছবিতে অচেনা ছেলে মানে বিট্টুকে ‘আনন্দ ঘর’ এন জিও থেকে নিয়ে আসা হয়।উপামা(অভিনয়ে তনুজা) মানে সেই বৃদ্ধার জন্য।আপনি সৃজিতের একটা ছবি করেছিলেন।ছবিটার নাম ‘হেমলক সোসাইটি’।সেখানে আপনার চরিত্রের নাম ছিল আনন্দ কর।ওই চরিত্রের মধ্যেও লাইফের সেলিব্রেশন ছিল।এই ছবিতেও লাইফের সেলিব্রেশন রয়েছে।কোথাও কি এই দুই ছবির মধ্যে কোনও কানেকশন আছে?

Banglalive-8

পরমব্রত : আপনি বললেন বলে মনে হচ্ছে।হয়ত অবচেতনে ছিল।কিন্তু ছবি করার সময় আমার মাথায় ছিল না।আমি এক সেকেণ্ডের জন্য এই কানেকশনের কথা ভাবিনি।’আনন্দ ঘর’ নামে এন জিও সত্যি আছে।আমার বন্ধু কাম দাদা কল্লোল ঘোষ  এটা চালান।এই নামটা বানিয়ে দেওয়া নয়।

Banglalive-9

সোনার পাহাড়ে লাইফের সেলিব্রেশন ভীষণ ভাবে আছে।এই সেলিব্রেশনের রুট ঠিক কোথায়?

পরমব্রত : দেখুন বিষণ্ণতা প্রত্যেক সময় আমাদের চারপাশে ঘিরে থাকে।আজ থেকে পঞ্চাশ বছর আগের এক জন মানুষ নিজের সময়কে খুব আনন্দের সময় হিসেবে দেখেননি।সমস্ত সময়েই নিজস্ব আনন্দ দুঃখ লুকিয়ে থাকে।এবং তার ভেতরেই আমাদের জার্নি।এ কথা অনস্বীকার্য,বর্তমানে আমরা যে সময় ও সমাজে বাস করছি সেখানে সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবে ভয় পাওয়ার এবং হতাশ হওয়ার কারণ আছে।আজ থেকে পঞ্চাশ-ষাট বছর আগে যারা জন্মেছে তাদেরও এরকম হত।এর মধ্যে থেকেই তো বেঁচে থাকার রসদ খুঁজে নিতে হয়।খুঁজে পেতে হয়।

অতীত সময়ের মধ্যে একটা একান্নবর্তী প্রবণতা বা কনসেপ্ট ছিল।সেটা তো একেবারেই নেই।কিন্তু সোনার পাহাড়ের বাচ্চাটির মধ্যে কোথাওকি সেই একান্নবর্তী মনের রিফ্লেকশন ছিল?

পরমব্রত : একান্নবর্তী পরিবার থাকা উচিত কিনা,বা থাকলে ভালো মন্দ হত কিনা —এটা নিয়ে জাজমেন্ট করার জায়গা আমার নেই। আমার মনে হয় আমাদের উপমহাদেশের যে পরিকাঠামো তাতে একান্নবর্তী পরিবারের একটা অন্য মানে ছিল।প্রাচ্যের মানুষজন মানে আমরা চিরকালই একসঙ্গে থাকতে ভালোবাসি।লোকবলটাই আমাদের বল।আমাদের অন্য কোনও বল নেই।পশ্চিমের দর্শন আলাদা।
ওটা ব্যক্তিকেন্দ্রিক সভ্যতা।আমাদের উপমহাদেশে পরিবারকেন্দ্রিক সভ্যতা।ব্যক্তিকেন্দ্রিক সভ্যতার ফলে বাবা-মা এবং সন্তানেরা সেভাবেই  তৈরী হয়। আশির দশকের পরে আমরা একান্নবর্তী পরিবারের স্ট্রাকচার ভেঙ্গে অন্য জায়গায় যাওয়ার চেষ্টা করেছি।এই সিস্টেমে অনেকেই  তৈরী নন।বাবা মা-রা তো ননই।এবং ইন্ডিভিজুয়ালিস্টিক এ্যাটিটিউড আমাদের নেচারে নেই।তাই অনেক ক্ষেত্রেই এই স্ট্রাকচার  গুলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।বয়স্ক এবং ইয়ং জেনারেশন উভয়পক্ষই যদি একে অপরকে বোঝার দায়িত্ব পালন করে তাহলে এখনও  একান্নবর্তী জীবন ওয়ার্ক করা সম্ভব।

আরও পড়ুন:  বাহুবলীকে চড়? এ কেমন দুঃসাহস!

ছবিতে খেলনা দাদুর চরিত্রে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় অভিনয় করেছেন।খেলনা দাদুর মাধ্যমে পরোক্ষে মা ছেলের সম্পর্কের পুনর্মিলন ঘটে।খেলনা দাদু কি কোনও কনসেপ্ট নাকি নিটোল একটা চরিত্র?

পরমব্রত : ডেফিনেটলি খেলনা দাদু কনসেপ্ট।বলতে পারেন একটা আইডিয়া।যিনি অতীত বর্তমান এবং ভবিষ্যতের মধ্যে ব্রিজ তৈরী করতে পারেন। বাস্তবেও এরা আছে।খুবই কম।কিন্তু আছে।

অনেক ছবিতে ব্যক্তি অনুভূতিকে প্রকৃতির সঙ্গে যুক্ত করে একটা সর্বজনীন মাত্রা দেওয়ার চেষ্টা চলে।সত্যজিৎ রায়ের কাঞ্চনজঙ্ঘায় দেখা গেছে ছবি যত শেষের দিকে গেছে ততই সম্পর্কের কুয়াশা মুক্ত হয়েছে।সেই সঙ্গে কাঞ্চনজঙ্ঘার প্রাকৃতিক কুয়াশা কেটেছে।এই ছবিতে  উপমা(অভিনয়ে তনুজা) এবং তার সন্তানের দ্বন্দ্বের  অবসানের পরেই সোনার পাহাড়ের মতোই বরফের পাহাড় দেখা যায়।এমন দৃশ্যের পেছনে কোথাও কি আপনার ওয়ার্ল্ড সিনেমা চর্চার অবদান রয়েছে?

পরমব্রত : প্রথমে বলি এই ছবিতে কাঞ্চনজঙ্ঘারর রেফারেন্স আছে ঠিকই।আমার মনে হয় এর মধ্যে কোথাও সত্যজিৎ বাবুর ‘কাঞ্চনজঙ্ঘা’ সিনেমার পরোক্ষ প্রভাব রয়েছে।আসলে মাস্টারপিসগুলো মানুষের মনে থেকে যায়।এবং মন থেকে সেটা কীভাবে প্রকাশ পাবে,তা আগে  থেকে প্রেডিক্ট করা যায় না।ছবিটা বানানোর পরে আমার মনে হয়েছে এটা কোথাও অবচেতনে ‘কাঞ্চনজঙ্ঘা’ ছবির প্রতি ট্রিবিউট।আমি  বুঝতেই পারছি আপনি আমার ছবি আপাদমস্তক দেখেছেন।তাই বলছি একটা কথা। ছবিটার মধ্যে দুটো মানুষের যে বন্ধুত্ব সেটা একটা অরগ্যানিক সম্পর্ক।এটা খুব সাধারণ স্বাভাবিক একটা মিষ্টি সকালের মতো বন্ধুত্ব।ছবির ক্রাফটটার মধ্যেও সেটা আছে।এখনকার বাংলা ছবির বিষয় খুব সুন্দর হয়।কিন্তু তার প্রকাশভঙ্গী  আরোপিত লাগে।

এটা কেন আপনার মনে হয়?

পরমব্রত : কারণ আমার ছবির পারস্পরিক সম্পর্কগুলো খুব স্বাভাবিক।এখানে উচ্চকিত কোনও ব্যাপার নেই।ছবির মধ্যেও সেই পরিমিতি বোধ রয়েছে।এটা মনে হয় ওয়ার্ল্ড সিনেমার থেকে পাওয়া।এখন সিনেমার ভাষাটা সারা পৃথিবীতে অনেক সহজ হয়ে গেছে।পঞ্চাশ-ষাট দশকের ফিল্ম ক্রিটিকরা স্বীকার করবেন বিশ্ব সিনেমার ভাবনা সেই সময়ে অনেক জটিল ছিল।সেই ক্রিটিকরাই এখনকার সিনেমা দেখে বুঝতে পারেন যে ফিল্ম ল্যাঙ্গুয়েজ অনেক সহজ হয়েছে।

বাংলা ছবিতে ভৌতিক পর্ব এলো।তারপর এলো গোয়েন্দা পর্ব।গোয়েন্দা পর্বের পরে এলো বাচ্চাদের মধ্যমণি করে ছবি করা।সেই ঘুরে ফিরে একটা ফর্মুলার মধ্যে আসছে বাংলা ছবি।এটাকে আপনি কীভাবে দেখেন?

আরও পড়ুন:  ট্রাজেডি কুইন মীনা কুমারী, ১৮-য় কমল আমরোহীকে বিয়ে‚ ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে প্রেম‚ ৩৮-এ মৃত্যু !

পরমব্রত : এটা খুব ইন্টারেস্টিং রিসার্চের বিষয়।এটা নিয়ে আমাদের কথা বলতে বসলে সারা রাত কেটে যাবে ।আমার মনে হয় এটা সোশ্যাল  সাইকোলজিক্যাল ফ্যাক্টর।সিনেমার মতো গণমাধ্যমে একটা প্যাটার্ন বার বার ঘুরে ফিরে আসলে সেটাকে আমরা ফরমুলা বলি।কিছুদিন এই প্যাটার্নের ফেজ চলে।আবার অন্য একটা প্যাটার্ন আসে।হঠাৎ করে বাঙালি এতো বেশি গোয়েন্দা ছবির ভক্ত হল কেন?আবার কেন  বাচ্চাদেরকে নিয়ে এতো ছবি?আমার দুটো বিষয় মনে হয়।আসলে আমরা আমাদের সেলফ আইডেন্টিটি ভীষণ ভাবে হারিয়ে ফেলেছি।আমরা বাংলা ভাষাটাই ঠিক করে বলতে পারি না।হিন্দী এবং ইংরেজির আগ্রাসনে আমাদের মাতৃভাষাটাই গুলিয়ে গেছে।সবটার মধ্যেই একটা  দোআঁশলা ব্যাপার হচ্ছে।এর মধ্যেও বাঙালি মধ্যবিত্তের তলিয়ে দেখার একটা চেষ্টা আছে।’যেখানে দেখিবে ছাই,উড়াইয়া দেখ তাই,পাইলেও পাইতে পার অমূল‍্য রতন’। এই ছাইয়ের নীচে চাপা পড়া সত্যকেও বাঙালি পরখ করতে চায়।আজকে বাঙালির জাতীয় নায়ক বলে কেউ নেই।বাঙালির শেষ  জাতীয় নায়ক সৌরভ গাঙ্গুলী।তারপরে বাঙালির জাতীয় নায়ক পাওয়া মুশকিল।এরকম জায়গায় বাঙালি; সাহিত্যের গোয়েন্দাদের জাতীয় নায়ক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।এই গোয়েন্দারা হচ্ছেন ইন্টালিজেন্ট এনলাইটেনড বাঙালি।

আর বাচ্চাদের নিয়ে ছবি করার বিষয়টা?

পরমব্রত : বাচ্চাদের নিয়ে ছবি করার ক্ষেত্রে একটা আনপ্রেডিক্টিবিলিটি থাকে।কোনও রকম ডিপ্লোম্যাসির দায় বাচ্চাদের ওপর আসে না।পলিটিক্যাল কারেক্ট হওয়ারও কোনও দায় নেই।এই ব্যাপারটা জটিল সমাজ জীবনে ভারমুক্তি ঘটায়। 

এখন সিনেমা মোবাইল ফোনে চলে এসেছে।ওয়েব সিরিজের জন্য ছবি হচ্ছে।এক্ষেত্রে সিনেমাকে কি সিনেমার মতো করেই দেখা হচ্ছে নাকি সিনেমা জাস্ট একটা রিল্যাক্স বা টাইম পাসের বিষয়?

পরমব্রত : বিদেশে যে ওয়েব সিরিজ করা হয় সেটার সাথে সিনেমার খুব বেশি পার্থক্য নেই।তারা সমান চেতনা নিয়ে ওয়েব সিরিজ বানান।এবং সেগুলো ব্রিলিয়ান্ট।কিন্তু আমি নোটিশ করছি একটা অন্য জিনিস।যে মুহূর্তে এই সিরিজ করা হচ্ছে দেশীয় ভাষায়;তখন সেটা অতি সহজপাচ্য করা হচ্ছে।এটা একটু গোলমেলে ব্যাপার।বিদেশের ইন্টারনেটের কাজগুলো আদপেই তেমন নয়।

সোনার পাহাড়ের আর এক চিত্রনাট্যকার পাভেলের বক্তব্য ছবিটার স্ক্রিপ্ট ওরই লেখা।সবটাই ওর করা।এই পাভেলের ডিরেকশনে ‘বাবার নাম গান্ধীজীতে’ আপনি অভিনয় করেছিলেন।পাভেল তখন আপনার ভূয়সী প্রশংসা করেছিল।পাভেলের এহেন আচরণে কী বলবেন?

পরমব্রত : হ্যাঁ, জানি।আমি এ ব্যাপারে কোনও কমেন্ট করিনি।আসলে আত্মবিশ্বাস এবং ঔদ্ধত্যের মধ্যে একটা সুক্ষ্ম রেখা আছে।একটা বয়সে সেটা ঠিক কাজ করে না।এই রেখাটা অনেকে আমরা টানতে জানি না।এই টানতে না জানার ফলে মাঝে মাঝে মিথ্যাচার হয়ে যায়।
আজ পাভেল যদি পয়সা না পেত বা আমার ক্রেডিট লিস্টে নাম না থাকত,তাহলে ও একশোবার প্রতিবাদ করতে পারত।কিন্তু ও পুরো টাকা পেয়েছে এবং ক্রেডিট লিস্টে  জ্বলজ্বল করে ওর নাম আছে।বাকিটা ও কেন বলছে আমি জানি না।কারণ ও তো নিজেও বড় ছবি করছে।ও তো জানে  পুরো ছবির প্রসেস কীভাবে হয়।সোনার পাহাড়ের গল্পটা আমার মায়ের।এবং সেই ভাবনাটা আমি ওকে শোনাই।কিন্তু পাভেল খুব আপত্তিকর কথা বলেছে।ও বলেছে — “গল্পগুলো পড়ে আমার মনে হয় নি যে এখান থেকে কোনও ছবি হতে পারে”।আমি পাভেলকে একবারও গল্পগুলো পড়তে দেইনি।আমি ওকে গল্পের একটা স্ট্রাকচারের কথা বলি।সেখান থেকে ও আমাকে স্ক্রিপ্টের একটা ফার্স্ট ড্রাফ্ট দেয়।আমার পড়ে ভালো লাগে।যে অংশগুলো ভালো লাগেনি সেগুলো আমূল পরিবর্তন করি।আজকে আমার ছবি আলোচিত হওয়ার পরে ওর যদি মনে হয় পুরোটাই ও করেছে তাহলে তো আমি আর বাড়ি বাড়ি গিয়ে বলব না যে এটা মিথ্যচার হচ্ছে।পাভেলের প্রতি আমার যে স্নেহ ছিল,এখনও তাই আছে।এটা মনে হয় ওর শৈশব না কাটার ফল।শৈশব কাটলে ও বুঝতে পারবে এই কাজটা ও ভুল করেছে।

আরও পড়ুন:  আমেরিকায় বর্ণবিদ্বেষের শিকার কাজলের বোন তনিশা!?

‘কাহানির’ মতো ছবিতে অভিনয় করার পরেও খুব বেশি হিন্দী ছবিতে আপনাকে দেখা গেলো না কেন?

পরমব্রত : মুম্বইতে কেরিয়ার তৈরী করতে গেলে ওখানে থাকতে হবে।না থেকে ওটা করা যাবে না।আমি মুম্বইয়ে কোনও দিন শিফট করতে চাইনি। আমি কাহানির পরে দুটো হিন্দী ছবি করেছি।সম্প্রতি আমি আরো একটা হিন্দী ছবি করছি।এই বছরের শেষের দিকে আরো তিনটে ছবি করার কথা।

নতুন ছবি পরিচালনার পরিকল্পনা কি আছে?

পরমব্রত : এই বছরের শেষের দিকে আমি আর একটা ছবি শুরু করব।এছাড়া আমি আমার প্রোডাকশানে একটা ওয়েব সিরিজ ডিরেক্ট করছি।

আপনি আমায় বলেছিলেন আপনি একাকীত্ব উপভোগ করেন।আজও কি সেই মানসিক অবস্থান রয়েছে?

পরমব্রত : অবসরে আমি হয় সিনেমা দেখি বা মিউজিক শুনি।গীটার বাজিয়ে গান করি।এছাড়া আমার আর কোনও প্যাশন নেই।

মিউজিক নিয়ে সিরিয়াসলি কিছু করার ইচ্ছে আছে?

পরমব্রত: মিউজিক আমার খুব ব্যক্তিগত জায়গা।মিউজিক নিয়ে কিছু করতে গেলে বাড়াবাড়ি হবে।

কখনও অভিনয়ের ইন্সটিটিউট খুলে নতুন প্রজন্মকে শেখানোর ইচ্ছে আছে?

পরমব্রত : না আমার কোনও উৎসাহ নেই।বরং ফিল্ম এ্যাপ্রিসিয়েশনের এবং ফিল্ম ক্রিটিসিজম লোকজনের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পারলে ভালো লাগবে।

3 COMMENTS

  1. অনেক দিন আপনাকে পেলাম ইণ্টারভিউটা চমৎকার সংগ্রহে রাখার মতো