পুলওয়ামার শহিদদের পাশে দাঁড়াতে ৬.১ লক্ষ টাকা দান ভিক্ষাজীবীর

পুলওয়ামার শহিদদের পাশে দাঁড়াতে ৬.১ লক্ষ টাকা দান ভিক্ষাজীবীর

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

দেশে যখন ঘনিয়ে এসেছে হিংসার  রক্তের এরকম এক সংকটময় মুহূর্ত তখন সব দেশবাসীই চাইছেন যথাসাধ্য শহিদ জওয়ানদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে | পুলওয়ামার বিস্ফোরণ আর্দ্র করেছে সাধারণ মানুষের চোখ | কিন্তু নিজে সারাজীবন ভিক্ষাজীবীর জীবন যাপন করেও এই মহিলা যা করলেন তা যেকোনও মানুষের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠতে পারে |

আজমেরের বাসিন্দা নন্দিনী শর্মার দিন গুজরান হত ভিক্ষাবৃত্তি করে | আজমেরের বজরংগড়ের অম্বে মাতা মন্দিরের বাইরে ভিক্ষা করতেন নন্দিনী | প্রতিদিন ভিক্ষা করে যা উপার্জন হত তাঁর খানিকটা অংশ তিনি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে ফেলে রাখতেন | তাঁর সঞ্চিত অর্থের ট্রাস্টি হিসেবে তিনি দুজনের নাম রেখেছিলেন যাতে তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয় | ২০১৮ সালের আগষ্ট মাসে নন্দিনীর মৃত্যু হয় | তাঁর সঞ্চিত ৬.৬১ লক্ষ টাকা তিনি উইল করে দেশ ও সমাজের হিতের জন্য দান করেছিলেন | নন্দিনীর দান করে যাওয়া অর্থ কোন কাজে দান করা হবে তা ঠিক করে উঠতে পারেননি ট্রাস্টিরা | পুলওয়ামার ঘটনা ঘটার পর সেই ঘটনার জেরে তাঁরা শোকাহত হয়ে পড়েন  এবং ঠিক করেন নন্দিনীর দান করে যাওয়া অর্থ পুলওয়ামায় ঘটনায় শহিদ হওয়া জওয়ানদের পরিবারকে দান করাই তার সদ্ব্যবহার করা হবে |

গত বুধবারে নন্দিনীর অর্থের ট্রাস্টিরা ডিস্ট্রিক্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অফিসে গিয়ে জানান যে তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর শহিদ হওয়া জওয়ানদের জন্য করা ত্রাণ তহবিলে দান করতে চান | আজমেরের কালেক্টর বিশ্ব মোহন শর্মা জানান যাবতীয় ফর্ম্যালিটি পূরণ করে নিয়ে তাঁদের দান করা অর্থ ত্রাণ তহবিলে জমা করা হয় | তাঁদেরকে অর্থ দান করার জন্য বিশেষ শংসাপত্রও দান করা হয় | নন্দিনীর একজন ট্রাস্টি সন্দীপ গৌর জানান ভিক্ষা করে উপার্জন করা অর্থ হলেও নন্দিনী তা সৎ কাজের জন্য দান করে গিয়েছিলেন | আমরা মনে করি পুলওয়ামা কাণ্ডে শহিদ সিআরপিএফ জওয়ানদের পরিবারের জন্য সেই অর্থ দান করাই তার সঠিক ব্যবহার হবে |

খবরটি প্রকাশ্যে আসার পর মন্দিরে নিহত শহিদদের জন্য প্রার্থনা করতে আসা মানুষদের মধ্যে আনন্দের স্রোত বয়ে যায় | মন্দিরের একজন পুজারী জানান মন্দিরে যাঁরা নিয়মিত আসতেন তাঁরা সকলেই জানতেন যে নন্দিনী যা অর্থ পান তা তিনি সঞ্চয় করেন দান করার জন্য | তাঁর এই মহান সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছেন বহু মানুষ |

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।