কান বিঁধোনো কিন্তু শুধুই ফ্যাশন নয়‚ আছে আরো অনেক উপকারিতা

2028
Health Benefits of Piercing

কন্যা সন্তান জন্মানোর কয়েক মাসের মধ্যেই তার নাক এবং কান বিঁধানো হয় | অবশ্য শুধু মেয়েরাই নয় অনেক ছেলেরাও কান বিঁধিয়ে দুল পরে | অনেকেই হয়তো ফ্যাশনের জন্য এটা করে থাকে | কিন্তু হিন্দু ধর্মগ্রন্থ বেদ অনুসারে কান বিঁধানোর ফলে আমাদের শরীর স্বাস্থ্য ভালো থাকে |

আসুন দেখে নিন সেগুলো কী কী :

# রিপ্রোডাক্টিভ অর্গান এবং ইমিউন সিস্টেম ভালো রাখে : কানের লতি তে বিভিন্ন প্রেশার পয়েন্ট আছে | আয়ুর্বেদ অনুযায়ী কানের লতির মাঝখানটা ফুটো করলে রিপ্রডাক্টিভ সিস্টেম ভালো থাকে | এছাড়াও কান বিঁধোলে শরীরের ইমিউন সিস্টেম আরো শক্তিশালী হয়ে ওঠে |

# চোখের দৃষ্টি ভালো রাখে : অ্যাকুপাংচার অনুযায়ী কানের লতির মাঝখানের অংশে চাপ দিলে দৃষ্টি শক্তি ভালো হয় |

# একাগ্রতা বৃদ্ধি করে : অ্যাকুপাংচারের মতে কান বিঁধোনোর ফলে মাথার ব্রেনের একটা বিশেষ অংশে স্টিমুলেশন হয়‚ এর ফলে একাগ্রতা বাড়ে | এই কারণেই বাচ্চার জন্মের ৬ থেকে ৮ মাসের মধ্যে তার কান বিঁধানো হয় | কারণ এই সময় ব্রেনের ডেভেলপমেন্ট হয় |

# কানের স্বাস্থ্য ভালো রাখে : আগেই বলেছি কানের বিভিন্ন অংশে বিভিন্ন প্রেশার পয়েন্ট আছে | অ্যাকুপাংচার বিশেষজ্ঞদের মতে এই প্রেশার পয়েন্টে ছেদ করলে Tinnitus বা সোজা বাংলায় কান ঝনঝনানির হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায় |

# মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায় : যারা সবসময় উৎকন্ঠায় ভোগেন বা অল্পেই ঘাবড়ে যান তাদের এর হাত থেকে মুক্তি দিতে পারে কানের ফুটো |

# ওবেসিটির হাত থেকে মুক্তি দেয় : কানের লতিতে প্রেশার পয়েন্ট ছাড়াও আছে বিভিন্ন হাংগার পয়েন্ট | সঠিক পয়েন্টে ছেদ করা হলে হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় | এছাড়াও শরীরে মেদ জমতে দেয় না |

Advertisements

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.