ভোটের লড়াই সুখের হয় মিষ্টির গুণে

ভোটের বাদ্যি বেজে গিয়েছে। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীই নির্বাচনী প্রচারে সামিল হয়েছেন। একদিকে যখন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে টক-ঝাল সমীকরণ উঠে আসছে, তেমনই নির্বাচনী লড়াইয়ের ময়দানে এবার নতুন সংযোজন মিষ্টি।

একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুসারে, ভোটের বাজারে নজর কেড়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দলীয় চিহ্নের ছাপ দেওয়া মিষ্টি। হাওড়ার নেতাজি সুভাষ রোডের মা গন্ধেশ্বরী মিষ্টান্ন ভাণ্ডার-এর নতুন আকর্ষণ এখন নির্বাচনী মিষ্টি। দোকানের মালিক প্রদীপ হালদারের কথায়, বাংলা এবং মিষ্টি একে অপরের সমার্থক। ভোটের সময়ে মিষ্টিপ্রিয় বাঙালির কাছে মিষ্টিকে এক অন্য মাত্রা এনে দিতে তাঁদের এই নবসংযোজন নির্বাচনী মিষ্টি। তৃণমূলের জোড়া ঘাসফুল চিহ্ন, সিপিআইএম-এর কাস্তে হাতুড়ি তারা, বিজেপি’র পদ্ম, এবং কংগ্রেসের হাত চিহ্ন সবই বানানো হয়েছে মিষ্টির গায়ে।

দোকানের মালিক প্রদীপবাবু জানান, গত ত্রিশ বছর ধরে মিষ্টির ব্যবসা করছেন তাঁরা। তাঁদের এই মিষ্টির দোকান ‘থিম মিষ্টি’র জন্যই এলাকায় বিশেষ জনপ্রিয়। তবে শুধু সন্দেশই নয়, বিভিন্ন দলের রঙ মিলিয়ে রয়েছে রসের মিষ্টিও।  নিয়মিত বহু ক্রেতা এবং উৎসাহী দলীয় কর্মীরা তাঁদের দোকান থেকে মিষ্টি নিয়ে যান। বর্তমানে মিষ্টি কেনার লড়াইয়ে তৃণমূলকে টেক্কা দিচ্ছে বিজেপি, বলে জানিয়েছেন প্রদীপবাবু। প্রত্যেকটি থিম মিষ্টির দাম পঞ্চাশ টাকা করে। দোকানের এক কর্মচারী জানিয়েছেন, কিছুদিন আগে কংগ্রেস এবং সিপিআইএম-এর জোটের খবর প্রকাশ্যে আসতেই দুটি দলেরই দলীয় চিহ্ন যোগে এক বিশেষ আকারের মিষ্টি তৈরি করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু  পরবর্তীতে জোট রূপায়িত না হওয়ায় মিষ্টিগুলোকে স্টক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এই মিষ্টি তৈরির কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন যে, গণতান্ত্রিক দেশের স্বাধীন নাগরিক হিসেবে সকলকে ভোটাধিকার প্রয়োগের বার্তা দিতেই এই বিশেষ মিষ্টি নিয়ে এসেছেন তাঁরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here