সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে বাগদান নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর

সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে বাগদান নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

এর আগে বিভিন্ন কারণে সংবাদের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডের্ন। এর আগে সন্তানকে নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ায় নজর কেড়েছিলেন বিশ্ববাসীর। পরবর্তীকালে ক্রাইস্টচার্চ হামলার পর মুসলিম মহিলাদের পাশেও দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। এছাড়াও রাস্তা-ঘাটে বিভিন্ন সময়ে নানা সুবিধা-অসুবিধায় নিউজিল্যান্ডের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। একবার এক শপিং মলে এক মহিলার সমস্ত বিল তিনিই মিটিয়েছেন।

আর এবার রাজনীতির বাইরে বেরিয়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে চলেছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আটত্রিশ বছরের জেসিন্ডা আর্ডের্ন। গত শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর দফতরে প্রবেশ করার সময়ে তাঁর আঙুলে আংটি চোখে পড়ে সাংবাদিকদের। তিনি জানান, ইস্টারের ছুটিতেই বাগদান হয়ে গিয়েছে তাঁর। বিয়েও আসন্ন। বিয়ে করতে চলেছেন দীর্ঘদিনের সঙ্গী ক্লার্ক গেফোর্ড-কে। পেশায় টেলিভিশন সঞ্চালক একচল্লিশ বছরের ক্লার্কের সঙ্গে ২০১২ থেকে সম্পর্ক তাঁর। গত বছর জুন মাসে তাঁদের একটি কন্যাসন্তানও হয়েছে। তার নাম নেভ তে আরোহা৷ এর আগে রাষ্ট্রনেতার পদে থাকাকালীন মা হওয়ার নজির গড়েছিলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো৷

গত বছর নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের অধিবেশনে বক্তব্য রাখার সময়ে সন্তানকে কোলে নিয়েই অধিবেশনে যোগ দিয়েছিলেন জেসিন্ডা আর্ডের্ন। বক্তব্য চলাকালীন সঙ্গী ক্লার্ক গেফোর্ডের কোলে ছিলেন তাঁর কন্যাসন্তান। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসার সঙ্গে সঙ্গেই ভাইরাল হয়ে যায়। আর ঠিক তখন থেকে সাধারণ মানুষের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন জেসিন্ডা। দেশসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে বরাবরই তাঁর পাশে ছিলেন সঙ্গী ক্লার্ক গেফোর্ড। সন্তানের দায়িত্ব নিয়ে স্ত্রীকে সবদিক থেকে সাহায্য করেছেন তিনি।

যদিও তাঁদের বিয়ে নিয়ে কম গুঞ্জন শোনা যায়নি। অনেকেই ভেবেছিলেন যে সন্তান জন্মের পর হয়তো বিয়ে করবেন তাঁরা। কিন্তু যতবারই সেকথা উঠেছে ততবারই বিয়ের প্রসঙ্গ এড়িয়ে গিয়েছেন জেসিন্ডা। তবে এবার সম্পর্কের এতদিন পর বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুগলে। একটি সাক্ষাৎকারে জেসিন্ডা জানিয়েছেন, ক্লার্কের মতো নির্ভরযোগ্য সঙ্গী পেয়ে তিনি নিজেকে ভাগ্যবতী বলে মনে করেন। এবার সময় হয়েছে সঙ্গীকে জীবনসঙ্গী করার। তবে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিলেও এখনও দিনক্ষণ ঠিক হয়নি বলেই জানিয়েছেন তাঁরা।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

pandit ravishankar

বিশ্বজন মোহিছে

রবিশঙ্কর আজীবন ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের প্রতি থেকেছেন শ্রদ্ধাশীল। আর বারে বারে পাশ্চাত্যের উপযোগী করে তাকে পরিবেশন করেছেন। আবার জাপানি সঙ্গীতের সঙ্গে তাকে মিলিয়েও, দুই দেশের বাদ্যযন্ত্রের সম্মিলিত ব্যবহার করে নিরীক্ষা করেছেন। সারাক্ষণ, সব শুচিবায়ু ভেঙে, তিনি মেলানোর, মেশানোর, চেষ্টার, কৌতূহলের রাজ্যের বাসিন্দা হতে চেয়েছেন। এই প্রাণশক্তি আর প্রতিভার মিশ্রণেই, তিনি বিদেশের কাছে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের মুখ। আর ভারতের কাছে, পাশ্চাত্যের জৌলুসযুক্ত তারকা।