অশান্তি চরমে, ব্রিটেনে হাঁড়ি আলাদা দুই রাজকুমারের

অশান্তি চরমে, ব্রিটেনে হাঁড়ি আলাদা দুই রাজকুমারের

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

ব্রিটেনের রাজপ্রাসাদের অন্দরের কুটকচালি কোনও সোপ সিরিয়ালের থেকে কোনও অংশে কম ছিল না। বিশেষত ছোট রাজকুমার হ্যারির বিয়ের পর থেকেই তাঁদের সংসারের নানান অশান্তির খবর প্রকাশ্যে এসেছে। ছোট জা ডাচেস অব সাসেক্স মেগান-এর সঙ্গে বড় জা ডাচেস অব কেমব্রিজ কেট-এর সম্পর্ক প্রথম থেকেই আদায়-কাঁচকলায়। সম্প্রতি সমস্যা এতটাই গুরুতর যে দুই পরিবারের হাঁড়ি আলাদা হতে বসেছে !

কেন হল এমন ? গত কয়েক মাসে ডাযেস অব সাসেক্স মেগান মার্কেলকে নিয়ে একের পর এক বিতর্কিত সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। আর প্রায় সবক্ষেত্রেই ছোট বউ মেগানেরই যাবতীয় দোষ তুলে ধরা হয়েছে। সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক দৈনিকে দাবি করা হয়েছে, বিয়ের পর থেকেই একাধিক কারণে কেট-কে দোষারোপ করেছেন মেগান। এমনকী, তিনি এও অভিযোগ করেন যে, কেট-এর পরামর্শেই তাঁর বিয়েতে ব্রাইডসমেড-এর পোশাক ঠিকমতো তৈরি করা হয়নি। এর আগেও অশান্তির জেরে ক্রিসমাসও নাকি একসঙ্গে পালন করবেন না তারা-এমনটাই জল্পনা ছিল। কিন্তু সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে একসঙ্গেই ক্রিসমাস উদ্‌যাপন করেছিলেন দুই পরিবার। তবে এও শোনা গিয়েছে যে, রাজপরিবারের অন্দরে মেগান নাকি কেট-এর সঙ্গে অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করে । শুধু তাই নয়, রাজপ্রাসাদের অন্যান্য কর্মীদের সঙ্গেও অত্যন্ত খারাপ ব্যবহার করেন মেগান। আর সেই জন্যই আড়ালে তাঁকে ‘ডাচেস ডিফিকাল্ট’ নামেও ডাকা হয়।

রাজকুমার এবং তাঁদের স্ত্রীদের মিডিয়া সংক্রান্ত পরামর্শ দেওয়ার জন্য রয়েছে একটি পরামর্শপ্রাদানকারী টিম। শোনা গিয়েছে, মেগানকে নানা বিষয়ে পরামর্শ দিয়েও কোনও লাভ হয়নি। সম্প্রতি একটি মার্কিন পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেগানের কিছু ঘনিষ্ঠ বন্ধু ডাচেসের সঙ্গে তাঁর বাবার সম্পর্ক নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন। তদন্তে জানা যায়, মেগানের সম্মতিতেই নাকি মিডিয়াকে ওই কথাগুলি বলেছিলেন তাঁর বন্ধুরা। কিন্তু এই বিষয়ে তাঁর জনসংযোগ আধিকারিককে কিছুই জানায়নি মেগান। এই ঘটনায় প্রাক্তন যুবরানি ডায়ানার সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে মেগানের। ১৯৯৫ সালে মিডিয়া পরমর্শদাতাকে না জানিয়েই সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন ডায়ানা।

স্ত্রীদের চুলোচুলির জেরে নাজেহাল দুই রাজকুমারও। সবদিক বিচার করে আপাতত তাঁদের আলাদা থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এতদিন তাঁরা স্ত্রীদের নিয়ে লন্ডনের কেনসিংটন প্রাসাদে থাকতেন তাঁরা। শোনা যাচ্ছে, শীঘ্রই কেনসিংটন প্রাসাদ থেকে বেরিয়ে এসে উইন্ডসর এস্টেটের ফ্রগমোর কটেজে আলাদা সংসার পাতবেন হ্যারি-মেগান। সন্তানদের নিয়ে খুব সুখেই দিন কাটাচ্ছেন কেট-উইলিয়াম। আর হবু বাবা-মা হ্যারি এবং মেগানের আগামী দিনের কথা ভেবেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp

Leave a Reply

Handpulled_Rikshaw_of_Kolkata

আমি যে রিসকাওয়ালা

ব্যস্তসমস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে কাটিয়ে হেলেদুলে যেতে আমার ভালই লাগে। ছাপড়া আর মুঙ্গের জেলার বহু ভূমিহীন কৃষকের রিকশায় আমার ছোটবেলা কেটেছে। যে ছোট বেলায় আনন্দ মিশে আছে, যে ছোট-বড় বেলায় ওদের কষ্ট মিশে আছে, যে বড় বেলায় ওদের অনুপস্থিতির যন্ত্রণা মিশে আছে। থাকবেও চির দিন।